খুলনা | সোমবার | ২২ জুলাই ২০১৯ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৬ |

শিরোনাম :
খুলনায় ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত ২১ রোগী শনাক্তপ্রিয়ার বিরুদ্ধে খুলনা যশোরসহ ৪ জেলায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ছয়টি আবেদন খারিজযশোরসহ ৪ জেলার মাত্র একজন বিচারকের হাতে ১৭শ’ ৭০ মামলা : স্টাফ মাত্র দু’জনখুলনার বৃক্ষমেলায় দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে এ্যাডেনিয়াম ফুল গাছ‘আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগের আগে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর’প্লাটিনাম জুট মিলের চারটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা জীবনের ঝুঁকিতে শ্রমিক পরিবারের সদস্যরারাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কূটনীতি একসঙ্গে অনুসরণ করুন : রাষ্ট্রদূতদের প্রধানমন্ত্রীপ্রি-একনেকে অনুমোদনের পর কেটেছে ১০ মাস, একনেকে ওঠেনি শের-এ বাংলা রোড চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প

Shomoyer Khobor

সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই খুলনা অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ত্র“টি সারতে লাগছে দীর্ঘ সময় 

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০১:১৭:০০

সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলেই খুলনা অঞ্চলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা। চলতি মাসে ৩ বার এই দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ঝড়ে গাছের ডালপালা ভেঙে বিদ্যুতের তারের ওপর পড়া কিংবা ট্রান্সফরমারের ত্র“টি ঠিক করতে দীর্ঘ সময় লাগছে বিদ্যুৎ বিভাগের। খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং বৃহত্তর ফরিদপুরের ২১ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো)। 
ওজোপাডিকো সূত্রে জানা গেছে, ২১ জেলাতে সাবস্টেশন রয়েছে ৬৭টি। জাতীয় গ্রিড থেকে সাব স্টেশনগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহের পর তা দেওয়া হয় গ্রাহক পর্যায়ে। এ অঞ্চলে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ১০ লাখ ৯০ হাজার ৬৩৪ জন। ট্রান্সফরমার রয়েছে ৭ হাজার ৩৪৮টি ও বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন রয়েছে ১১ হাজার ২৮৮ কিলোমিটার। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুতের চরম বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। চলতি মাসে তিন দিন সামান্য ঝড়-বৃষ্টির পর এলাকাভেদে ২ থেকে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। একটানা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জনবল ও যানবাহন সংকটের কারণে ত্র“টি মেরামতে অনেক সময় লাগছে বলে দাবি ওজোপাডিকো’র। 
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া গত ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় খুলনা নগরীতে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বিদ্যুৎ চলে যায়। দোলখোলা ও নতুন বাজার ফিডারসহ এলাকাভেদে ফের বিদ্যুৎ আসে দেড় থেকে তিন ঘণ্টা পর। ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে দাকোপ উপজেলায় গত ৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় বিদ্যুৎ যায়, আসে ১০ এপ্রিল সকাল ৯টায়। এছাড়া ১০ এপ্রিল ভোরে ফের ঝড়-বৃষ্টির সময় ভোর সোয়া ৬টায় বিদ্যুৎ অফ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। ঝড় থামারও অনেক পরে সোয়া ৯টায় বিদ্যুৎ আসে। অন্যান্য এলাকার চিত্রও ছিল প্রায় একই রকম। 
এ ব্যাপারে ওজোপাডিকো’র খুলনার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহামুদুল হক বলেন, ঝড়ের সময় দুর্ঘটনা এড়াতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। ঝড়ে নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের নেট ছিড়ে, বিলবোর্ডের প্যানা ছিড়ে এবং গাছের ডালপালা ভেঙে বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ছে। ঝড়-বৃষ্টি থেমে গেলে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা গাড়ি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে দেখে সেগুলো অপসারণ করে। এরপর বিদ্যুৎ চালু করা হয়। সে কারণে ঝড় থামার পরও বিদ্যুৎ আসতে দেরী হয়।
ওজোপাডিকো’র প্রধান প্রকৌশলী মোঃ হাসান আলী তালুকদার বলেন, ঝড়ের সময় গাছের ডালপালা, টিন কিংবা নারকেলের পাতা তারের ওপর পড়েও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া বজ্রপাতে ট্রান্সফরমারে ত্র“টি দেখা  দেয়। ঝড়-বৃষ্টি থামলে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা কোথায় সমস্যা হয়েছে তা খুঁজে বের করার জন্য মাঠে নামেন। ত্র“টি সনাক্ত করে তা ঠিক করতে কিছুটা সময় লাগে। 
ওজোপাডিকো’র অপর একজন কর্মকর্তা জানান, মৌসুমের প্রথম দিকের এই ঝড়ের ধকল কাটিয়ে উঠতে যতটা সময় লেগেছে আগামীতে এতো সময় লাগবে না। কারণ এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদেরকে আরও দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।  
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ