খুলনা | সোমবার | ২২ জুলাই ২০১৯ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৬ |

শিরোনাম :
খুলনায় ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত ২১ রোগী শনাক্তপ্রিয়ার বিরুদ্ধে খুলনা যশোরসহ ৪ জেলায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ছয়টি আবেদন খারিজযশোরসহ ৪ জেলার মাত্র একজন বিচারকের হাতে ১৭শ’ ৭০ মামলা : স্টাফ মাত্র দু’জনখুলনার বৃক্ষমেলায় দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে এ্যাডেনিয়াম ফুল গাছ‘আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগের আগে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর’প্লাটিনাম জুট মিলের চারটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা জীবনের ঝুঁকিতে শ্রমিক পরিবারের সদস্যরারাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কূটনীতি একসঙ্গে অনুসরণ করুন : রাষ্ট্রদূতদের প্রধানমন্ত্রীপ্রি-একনেকে অনুমোদনের পর কেটেছে ১০ মাস, একনেকে ওঠেনি শের-এ বাংলা রোড চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প

Shomoyer Khobor

বাঁধ ভাঙা আনন্দে আগতরা

চৈত্রের সংক্রান্তিতে খুবি’র আকাশে রং-বেরঙের ঘুড়ি

মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, খুবি  | প্রকাশিত ১৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০১:১৪:০০

চৈত্রের শেষ বিকেলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আকাশে হরেক রঙের ঘুড়ি। সেই ঘুড়ির নাটাই ধরে আছে শিশুরা, পাশেই দাঁড়িয়ে আকাশে ঘুড়ি উড়া উপভোগ করছে মেলায় আগত দর্শনার্থীরা। বাঁধ ভাঙা আনন্দে মেতে উঠেন আগতরা। খুবি শিক্ষার্থীরাও রঙ-বেরঙের ঘুড়ি উড়াতে লাটাই হাতে ব্যস্ত। সেই ব্যস্ততা কাটতে না কাটতেই মাঠের ভিতরে জটলা। সেখানে চলে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের মোরগ লড়াই ও বিলুপ্ত প্রায় সাপখেলা। গতকাল শনিবার চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেলার মাঠে লোকজ সংস্কৃতির চমৎকার গ্রামীণ উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
বিকেলে হাদী চত্বরে রকমারি বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে চৈত্র সংক্রান্তির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। এ সময় তিনি পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের জন্য আল্পনা আঁকেন। চৈত্র সংক্রান্তিতে ঘুড়ি উৎসবে দেখা যায় নানা রকমের নানা রঙের ঘুড়ি। নীল আকাশের বুকে তরতর উড়তে দেখা যায় গুড্ডি, ঢাউশ, চং, চোঙা, সাপা, চিলি, মাছ, উড়োজাহাজসহ নানা রং ও ঢংয়ের ঘুড়ি। এ সময় ছোট্ট শিশুরা নাটাই ধরে টানাটানি করে। শিক্ষার্থীদের অনেকে ঘুড়ির সূতা কাটাকাটির খুনখুটিতে মেতে উঠে।
মাইশা নামের এক শিক্ষার্থী জানান, চৈত্র সংক্রান্তিতে প্রতিবছরই ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন থাকে। সারাবছর ঘুড়ি উড়ানোর সুযোগ না থাকলেও এদিনে ঘুড়ি উড়াতে পেরে আনন্দিত। আশে পাশের অনেকেই আসেন এই উৎসবে যোগ দিতে।
এদিকে, বিকেল শেষ না হতেই জমে উঠে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মোরগ লড়াই ও সাপের খেলা। মাঠে গোল জটলা করে মোরগ খেলা দেখানো হয়। শিশুসহ অনেকেই এ সময় মেতে উঠেন আনন্দে। সাপের খেলায় দেখায় শিশুদের ভয় পেতে দেখালেও তারা ভীষণ মজা করে। সাপুড়ে ঝাঁপি খুলে একের পর এক গোখরা সাপ বের করে ভীম বাজিয়ে খেলা দেখান। এদিন ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন আয়োজন ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গান পরিবেশন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, নববর্ষ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক, কমিটির সদস্য-সচিব ছাত্রবিষয়ক পরিচালক, সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শত শত উৎসুক মানুষের উপস্থিতিতে লোকারণ্য হয়ে ওঠে মেলার মাঠ। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে আসেন মেলার মাঠে।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ