খুলনা | সোমবার | ২২ এপ্রিল ২০১৯ | ৯ বৈশাখ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

১২ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদক প্রদান

বাকশাল ছিল দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার প্ল্যাটফর্ম : প্রধানমন্ত্রী

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ২৬ মার্চ, ২০১৯ ০১:৩০:০০

দেশের উন্নয়ন বৃদ্ধি এবং দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার চিন্তা থেকেই বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) করেছিলেন। জাতির পিতা যে পদ্ধতিটা নিয়েছিলেন এটা যদি কার্যকর করা যেত তাহলে বাংলাদেশে আর কখনো জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে কেউ খেলতে পারত না। জনগণ তার মনমতো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারত। সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  
স্বাধীনতার সুফল যেন দেশের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছায়, সেই লক্ষে কাজ করে যাওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। যারা দেশের কল্যাণে, মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের খুঁজে বের করে পুরস্কৃত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এইটুকু আহ্বান করব-আজকের বাংলাদেশ যেমন এগিয়ে যাচ্ছে, এক্ষেত্রে যাদের অবদান রয়েছে তারা গ্রাম বাংলায় ছড়িয়ে আছে। আপনারা দেখবেন অনেকে তাদের ক্ষুদ্র অল্প একটু সম্পদ নিয়ে ও হাজারো মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তাদের সহযোগিতা করে। এই ধরনের যারা অবদান রাখে দেশের কল্যাণে, জনগণের কল্যাণে, মানুষের কল্যাণে, মানুষের জন্য আমি মনে করি তাদেরকে আমাদের খুঁজে খুঁজে বের করা প্রয়োজন। তারা যে মানব কল্যাণে অবদান রেখেছেন সেজন্য তারা পুরস্কারপ্রাপ্তির যোগ্য।
শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুফল যেন বাংলার মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারি এবং আর্থ-সামাজিকভাবে যেন আমরা উন্নত হতে পারি, উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্বে যেন আমরা একটা মর্যাদা ফিরে পেতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সরকার সেই লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে এবং দেশবাসী তার সুফল পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 
এদিকে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখায় ১২ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের হাতে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক নাগরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী ।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন শহিদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), শহিদ এ টি এম জাফর আলম (মরণোত্তর), আ ক ম মোজাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ডাঃ কাজী মিসবাহুন নাহার, আবদুল খালেক (মরণোত্তর) ও অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ (মরণোত্তর), শওকত আলী খান (মরণোত্তর), চিকিৎসাবিদ্যায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম। এছাড়াও সমাজসেবায় পুরস্কার পান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, সংস্কৃতিকে মুর্তজা বশীর, সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. হাসিনা খাঁন।
১২ ব্যক্তির পাশাপাশি এবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটকে (বিনা)।
১০ মার্চ মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনীতি) মোসাম্মাৎ নাসিমা বেগম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ








পবিত্র শবেবরাত আজ রাতে

পবিত্র শবেবরাত আজ রাতে

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:৫৭