খুলনা | বুধবার | ১৯ জুন ২০১৯ | ৬ আষাঢ় ১৪২৬ |

শিরোনাম :

নগরীতে দুঃসাহসিক চুরি ও লুটের ঘটনা উদ্বেগজনক

১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০০:১০:০০

নগরীতে দুঃসাহসিক চুরি ও লুটের ঘটনা উদ্বেগজনক

নগরীতে চুরি ছিনতাই বেড়েছে। সম্প্রতি কয়েকটি চুরি ও লুটের ঘটনায় নগরবাসীর মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়া বছর জুড়েই নগরীর কোন না কোন স্থানে চুরি ডাকাতির ঘটনা ঘটেই চলেছে। তবে অধিকাংশ ঘটনারই কোন কুল কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এ নিয়ে নগরবাসী রয়েছে চরম উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায়। বিশেষ করে নগরীর ব্যস্ততম সড়ক মহাসড়কে এমনকি বিভিন্ন মার্কেটের তালা ভেঙে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদেরও ভাবিয়ে তুলেছে ।
গত শুক্রবার শেখপাড়া মেইন রোডের লোহাপট্টিতে দারোয়ানদের বেঁধে রেখে তিনটি দোকানের শাটার কেটে নগদ অর্থ ও মালামাল ট্রাক ভরে লুট করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এর আগে খালিশপুরের বিআইডিসি রোডে গভীর রাতে মুসলিম জুয়েলাস থেকে ১৫ ভরি সোনার গহনা ও ১০ লক্ষ টাকা চুরি হয়। নগরীর মুসলমানপাড়ার এক গরু ব্যাবসায়ীর ৭ লক্ষ টাকাসহ ৪ ভরি সোনা গহনা চুরি হয়। গত বছর মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র ধর্মসভা কালী মন্দিরে প্রতীমার গায়ে থাকা ৫ ভরি সোর অলঙ্কার চুরি হয়। এমন অসংখ্য ঘটনা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ পায়। তবে অনেক ঘটনা থাকে অপ্রকাশিত। কারণ ঝামেলা এড়াতে অনেক ক্ষতিগ্রস্তই পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে চায়না। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনাগুলো অধিকাংশ সংগঠিত হয় বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে। দুর্বৃত্তরা ছুটির দিনকেই মোক্ষম সময় হিসেবে বেছে নেয়। চুরি, ডাকাতি বা লুটের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শক করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করে। অনেক ঘটনার তদন্ত হলেও প্রকৃত আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। এছাড়া সময় ক্ষেপনের কারনে প্রকৃত দেশীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়ে উঠে না। তবে ব্যতিক্রম যে ঘটেনা তাও নয়। অনেক ঘটনা পুলিশি তদন্তে উদ্ঘাটিত হয়। তবে আইনের মারপ্যাচে আসামিরা বেরিয়ে এসে আবারও অপকর্মে লিপ্ত হয়।
আমরা মনে করি, ধারাবাহিকভাবে এসব চুরি, ডাকাতি ও লুটের সঠিক তদন্ত হলে প্রকৃত আসামিরা ধরা পড়বে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারলে এসব ঘটনা কমবে। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ