খুলনা | বুধবার | ১৯ জুন ২০১৯ | ৬ আষাঢ় ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

যশোরে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ২

যশোর প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০১:৫৫:০০


তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় যশোরের শেখহাটি জোড়াপুকুর এলাকায় মামুন (২৫) নামে এক কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সংঘবদ্ধ একটি সন্ত্রাসী চক্র। এ সময় গুরুতর জখম হয়েছেন শ্যামলী নামে এক নারী ও আরিফ নামে এক কলেজ ছাত্র। দুর্বৃত্তদের কাছে আটক থাকা বন্ধুকে উদ্ধার করতে গিয়ে একে অপরের উপর তারা ছুরিকাঘাতে লিপ্ত হয়ে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। জখম দু’জনকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত মামুন সরকারি এম এম কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ও শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের মৃত আব্দুর রউফের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানিয়েছে, বাপ্পি নামে যশোর এম এম কলেজের এক ছাত্র তার বান্ধবীকে নিয়ে গতকাল বিকেলে শেখহাটি এলাকায় ঘুরতে যান। এ সময় এলাকার হারুন শেখের ছেলে চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য সাগর ও তার সহযোগী ফয়সাল তাদের গতিরোধ করে কথা আছে বলে জানায়। পরে জোড়া পুকুর এলাকার একটি জায়গায় ওই বন্ধু-বান্ধবী আটকে রেখে চাঁদা দাবি করে। তারা বাপ্পির বন্ধুদের কাছে ফোন করেও ছাড়ানোর জন্য টাকা চায়। এ সময় বাপ্পি মোবাইলে বন্ধুদের শরণাপন্ন হলে মামুন এবং অপর বন্ধু আরিফ আটক বন্ধু-বান্ধবীকে ছাড়াতে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জোড়া পুকুর এলাকার সাগরকে তারা বাপ্পি ও তার বান্ধবীকে ছেড়ে দিতে বলে। এ সময় বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে মামুন ও সাগর। একে অপরের উপর ধাওয়া ও ছুরিকাঘাত শুরু করে।  এ সময়  মামুন ও আরিফ গুরুতর জখম হন। গোলযোগের সময় দুর্বৃত্ত সাগরের মা শ্যামলী এগিয়ে এলে তাকে ছুরিকাঘাত করেন ছাত্র মামুন ও আরিফ। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে বুকে ও ডান পায়ে ছুরিকাঘাত করে মামুনকে হত্যা করে। ওই সংবাদ ছড়িয়ে পড়ায় লোকজন ছুটে এলে পালিয়ে যায় সাগর ও ফয়সল। মামুনের নিথর দেহ, গুরুতর জখম আরিফ ও সাগরের মা শ্যামলীকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। ডাক্তার মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসাধীন আরিফ ও নিহত মামুনের বন্ধুরা জানান, মূলতঃ সাগর ও ফয়সল চক্র এলাকার মোমেল নামে এক জনের নেতৃত্বে চলে। চাঁদাবাজি ও ব্লাকমেইলিং তাদের মূল কাজ। এদিকে সংঘর্ষের সময় বান্ধবীকে নিয়ে পালিয়ে যায় আটকা থাকা বাপ্পি।  
হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, শ্যামলীকে হাসপাতালে দেখতে এসে আটক হয়েছে পোস্ট অফিসপাড়ার শফিকুলের ছেলে সাগরের মামা বাবলা। পুলিশ বলছে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা বাবলাকে ধরে দিয়েছে। এ সময় হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ অপূর্ব হাসান হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এলাকায় পুলিশী টহল জোরদার করা হয়েছে। সাগর ও ফয়সলসহ ঘটনায় জড়িতদের খোঁজা হচ্ছে। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ







কেসিসিতে আগুনে আতঙ্ক

কেসিসিতে আগুনে আতঙ্ক

১৯ জুন, ২০১৯ ০১:২৩







ব্রেকিং নিউজ







কেসিসিতে আগুনে আতঙ্ক

কেসিসিতে আগুনে আতঙ্ক

১৯ জুন, ২০১৯ ০১:২৩