খুলনা | বুধবার | ২৭ মার্চ ২০১৯ | ১২ চৈত্র ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

২০২০-২০২১ ‘মুজিব বর্ষ’ পালন করা হবে

আ’লীগ জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে : প্রধানমন্ত্রী

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৩ জানুয়ারী, ২০১৯ ০০:৪৯:০০

২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত ‘মুজিব বর্ষ’ পালন করবে সরকার। এই পুরো বছর দেশব্যাপী উৎসব করা হবে। পাশাপাশি ২০২১ সালে জাঁকজমক ভাবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হবে। এতে রজতজয়ন্তীর মতো বিশ্ব নেতাদেরও আমন্ত্রণ করা হবে।
আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় শনিবার এ ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে এ যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী আনন্দ-উৎসবের সঙ্গে পালন করবে জাতি। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্ম মাস মার্চ থেকে শুরু হবে এ উৎসব যা ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত চলবে। কী কী কর্মসূচি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হবে তা নিয়ে দলের বৈঠকে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার রজতজয়ন্তীতেও আ’লীগ সরকারে ছিল। তখন বিশ্বের মানবতাবাদী তিন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এবারও সুবর্ণজয়ন্তীতে বিশ্বের মানবতাবাদী নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। সে হিসেবে ২০২১ সালে সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবে জাতি।
শনিবার বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কার্য নির্বাহী সংসদ এবং উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ সভার সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন আ’লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয় বলেই মানুষ ভোট দিয়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আ’লীগ গত দশ বছরে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে বলেই মানুষ ভোট দিয়ে আবারও বিজয়ী করেছে। জনগণ বুঝতে পেরেছে শুধু আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়, দেশের উন্নয়ন হয়; দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষ এটা মনে করে বলেই সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে তারা নির্বিশেষে সমর্থন দিয়েছে।’  
অতীতের মতো সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনও বিএনপি বানচালের চেষ্টা করেছিল বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এবারও তাদের নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা সবাই দেখেছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনও তারা বানচাল করার অপচেষ্টা করেছিল।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০১৮ এর নির্বাচনে বিএনপি যদি মনোনয়ন বাণিজ্য না করতো, তাহলে হয়তো তাদের ফলাফল আরও একটু ভালো হতে পারতো।’ তিনি বলেন, ‘২১ বছর পর আওয়ামী লীগ যখন ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে, আমি অন্তত এইটুকু দাবি করেত পারি তখনই কিন্তু এদেশের মানুষ প্রথম উপলব্ধি করে যে সরকার জনগণের সেবক হতে পারে, সরকার জনগণের জন্য কাজ করতে পারে। আর সরকার কাজ করলে জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নতি হয়, এটা তখনই আমরা প্রমাণ করতে পারলাম।’
বক্তব্যের শুরুতে দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বক্তব্য শেষে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দলের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, এইচ টি ইমাম, সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, বেগম মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগ সভাপতির সূচনা বক্তব্যের পরে যৌথসভা শুরু হয়। এর আগে ২০১৮ সালের ৬  গণভবনে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ












৪১ শতাংশ ভোট  পড়েছে তৃতীয় ধাপে

৪১ শতাংশ ভোট  পড়েছে তৃতীয় ধাপে

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:১০


ব্রেকিং নিউজ







একাত্তরের স্মৃতির রোডম্যাপ

একাত্তরের স্মৃতির রোডম্যাপ

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০১:৪৩


স্বাধীনতা ও আমাদের প্রত্যাশা

স্বাধীনতা ও আমাদের প্রত্যাশা

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০১:৪২