খুলনা | শুক্রবার | ১৮ জানুয়ারী ২০১৯ | ৪ মাঘ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খুলনা বিভাগে জনপ্রতিনিধি  নেই জাতীয় পার্টির 

আশরাফুল ইসলাম নূর | প্রকাশিত ০৫ জানুয়ারী, ২০১৯ ০১:২০:০০

দশম জাতীয় সংসদে একই সাথে সরকারে ও বিরোধী দলে থাকা জাতীয় পার্টি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। একাদশ জাতীয় সংসদেও বিরোধী দল হচ্ছে দলটি। তবে খুলনা বিভাগে জনপ্রতিনিধি নেই সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দলের। ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনে প্রতিনিধি শূন্য দলটির সামনে আসছে আবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। তৃণমূলে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীয়করণ করে সর্বস্তরে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ সৃষ্টি করেছিল তৎকালীন জাতীয় পার্টি সরকার।
সর্বশেষ, ২০১৪ সালের চতুর্থ উপজেলা পরিষদ ও ২০১৫ সালে পৌরসভা ও ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে খুলনা বিভাগে অংশগ্রহণ করেনি জাপা। সর্বশেষ কেসিসি নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত হারিয়েছিলেন জাপা মনোনীত প্রার্থী। এরপর সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনুরূপ অবস্থায় জাপা। সরকারে থেকে একই সাথে বিরোধী দল, নেতৃত্ব ও উত্তরসূরি নিয়ে শীর্ষপর্যায়ে মতনৈক্য এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পার্টির প্রার্থী না থাকায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ।
জানা গেছে, ১৯৮২ সালে উপজেলা পদ্ধতির প্রবর্তন করেছিল ক্ষমতাসীন জাতীয় পার্টি। ১৯৮৫ সালে প্রথমবারের মতো এবং ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় জৌলুস ভরা জাতীয় পার্টি অংশ নিয়ে ছিল স্বতঃস্ফূর্তভাবেই। ১৯৯১সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর উপজেলা পদ্ধতি বাতিল করে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে আবার উপজেলা পদ্ধতি চালু করেছিল। কিন্তু ওই সময় নির্বাচন হয়নি। দেয়া হলেছিল নিয়োগ। ১৯ বছর পর ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি তৃতীয় বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে নির্বাচনে কয়েকটি উপজেলায় জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। সর্বশেষ ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ৩০টি উপজেলায় প্রার্থী ছিল না জাতীয় পার্টির। যদিও জাতীয় পার্টি জাতীয় সংসদের সংখ্যাঘরিষ্ঠ হিসেবে বিরোধী দলে অবস্থান করছে। ২০১৫ সালের ৩০ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত খুলনা বিভাগের ২৯টি পৌরসভার কোথাও প্রার্থী ছিল না জাপা’র। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আসছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
জেলা জাতীয় পার্টির নেতা আজগর হোসেন সাব্বির বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনাকারী জাতীয় পার্টির সামনে সম্ভাবনাময় অনেক দিক ছিল,  কিন্তু নানাবিধ কারণে সে সফলতা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ভাবতে অবাক লাগে, পল্লীবন্ধুর জাতীয় পার্টির জনপ্রতিনিধিত্ব নেই পল্লী অঞ্চলে।
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও খুলনা জেলা শাখার সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। অনুকুল পরিবেশ থাকলে আগামীতে সকল নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ









নির্বাচনী ট্রেনে আওয়ামী লীগ

নির্বাচনী ট্রেনে আওয়ামী লীগ

০৭ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:৩০





ব্রেকিং নিউজ





নগরীতে পদ্মা তেল  ডিপোতে আগুন 

নগরীতে পদ্মা তেল  ডিপোতে আগুন 

১৮ জানুয়ারী, ২০১৯ ০০:৫৪