খুলনা | বুধবার | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৫ পৌষ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৮০ প্রার্থী, বাতিল ৭৪

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:০১:০০

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৮০জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ জাতীয় নির্বাচন ভবনে প্রার্থীদের আপিলের শুনানি শেষে এ তথ্য জানানো হয়। বাতিল হওয়াদের মধ্যে আরো দুই প্রার্থীর মনোনয়ন ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এছাড়া ৭৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন এ শুনানী করেন। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত এ আপিল শুনানি চলে। 
এর আগে দেশের বিভিন্নস্থানে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক বাতিল হওয়া ৫৪৩ জন প্রার্থী আপিল আবেদন করেন। গত বুধবার পর্যন্ত তারা আবেদন করেছেন নির্বাচন কমিশনে। তবে বৃহস্পতিবার আপিল শুনানি হওয়া ১৬০ জনের মধ্যে ৩ জন প্রার্থী উপস্থিত হননি। শুক্র ও শনিবার বাকি আপিল নিষ্পত্তি করবে কমিশন।
গতকাল সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের নবাব মোঃ শামছুল হুদার আপিল শুনানি দিয়ে শুরু হয়। আপিলেও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এরপর দুই নম্বরেই ছিল বিএনপি’র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বগুড়া-৭ আসনে দলের মনোনীত বিকল্প প্রার্থী মোরশেদ মিল্টনের আপিলের শুনানি। শুনানি শেষে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ সময় ঢাকা-২০ আসনের তমিজ উদ্দিনও প্রার্থিতা ফিরে পান।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মোঃ আখতারুজ্জামান রঞ্জন ও পটুয়াখালী-৩ আসনে মোঃ গোলাম মাওলা রনি, খুলনা-৬ আসনে এস এম শফিকুল আলম,  মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঝিনাইদহ-২ আসনে মোঃ আবদুল মজিদ ও ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে জামালপুর-৪ আসনে মোঃ ফরিদুল কবির তালুকদার (শামীম) ও পটুয়াখালী-৩ আসনে মোহাম্মদ শাহজাহানের। প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন পটুয়াখালী-১ আসনের মোঃ সুমন সন্যামত, মাদারীপুর-১ আসনের জহিরুল ইসলাম মিন্টু এবং সিলেট-৩ আসনের আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীও আপিল করে ভোটের ময়দানে লড়াইয়ের যোগ্য হয়েছেন। একই সঙ্গে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন জয়পুরহাট-১-এর মোঃ ফজলুর রহমান ও মানিকগঞ্জ-২ আসনে মোঃ আবিদুর রহমান খান, গাজীপুর-২ আসনে মোঃ জয়নাল আবেদিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জেসমিন নূর বেবী, রংপুর-৪ আসনে মোস্তফা সেলিম, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে মোঃ আইনাল হক, হবিগঞ্জ-১ আসনের জোবায়ের আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ আসনের মোঃ জয়নাল আবেদিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের আবদুল্লাহ আল হেলাল ও ময়মনসিংহ-২ আসনের মোহাম্মদ আবুবকর ছিদ্দিক, শেরপুর-২ আসনের এ কে এম মুখলেছুর রহমান, হবিগঞ্জ-৪ মৌলানা মুহাম্মদ ছোলাইমান খান রব্বানী, নাটোর-৪ মোঃ আলাউদ্দিন মৃধা, বরিশাল-২ মোঃ আনিচুজ্জামান, কুড়িগ্রাম-৪ মোঃ ইউনুছ আলী, ঢাকা-৫ সেলিম ভুঁইয়া, কুমিল্লা-৩ কে এম মুজিবুল হক, মানিকগঞ্জ-১ মোঃ তোজাম্মেল হক, সিলেট-৫ ফয়জুল মুনির চৌধুরী, ময়মনসিংহ-৩ আহাম্মদ তায়েবুর রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আবদুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মোঃ মামুনুর রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সৈয়দ আনোয়ার আহম্মদ লিটন, ঢাকা-১৪ মোঃ জাকির হোসেন, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ মোঃ আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ-৮ এম এ বাশার, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবুবকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩ আবদুল খালেক, কুড়িগ্রাম-৪ মোঃ মাহফুজার রহমান, চট্টগ্রাম-৯ নুরুল আমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ মোঃ মুখলেছুর রহমান ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মোঃ মাহাবুব আলম।
আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন রংপুর-১ আসনে মোঃ আসাদুজ্জামান, গাইবান্ধা-৩ আসনে মোঃ আবু জাফর, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে শাহ আলম, গাইবান্ধা-৩ আসনে মোঃ রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ আসনে মোঃ নাজিমুল ইসলাম, যশোর-৬ আসনে সাইদুজ্জামান, নড়াইল-২ আসনে শওকত আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আবদুল্লাহ আল মামুন, নাটোর-৪ আসনে মোঃ আঃ আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এম এ মুহিত, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে আব্দুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মেজর (অবঃ) মনজুর কাদের, বগুড়া-৫ আসনে আবদুর রউফ মন্ডল, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের হাবিবুর রহমান, বগুড়া-২ আসনে শফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৬ আসনে মোহাম্মদ ফয়সাল, রাজশাহী-১ আসনে মোঃ আমিনুল হক, গাইবান্ধা-৪ আসনে রহিম সরকার, চট্টগ্রাম-৮ আসনে এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আনিছুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মোঃ জহিরুল ইসলাম, কুমিল্লা-৫ আসনে মোঃ শাহ আলম, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আবদুল খালেক।
আপিলেও ভোটভাগ্য খুলল না যাঁদের : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের নবাব মোঃ শামছুল হুদার আপিল শুনানি দিয়ে শুরু হয়। আপিলেও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া এদিন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে বেশ কিছুর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। তাঁরা হলেন খাগড়াছড়ি আসনে আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ঝিনাইদহ-১ মোঃ আবদুল ওয়াহাব, সাতক্ষীরা-২ মোঃ আফসার আলী, ঝিনাইদহ-৩ মোঃ কামরুজ্জামান স্বাধীন, খুলনা-২ এস এম এরশাদুজ্জামান,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মোঃ তৈয়ব আলী, মাদারীপুর-৩ মোহাম্মদ আবদুল খালেক, দিনাজপুর-২ মোকারম হোসেন, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-১ মোঃ পারভেজ হোসেন, ঠাকুরগাঁও-৩ এস এম খলিলুর রহমান, পাবনা-৩ মোঃ হাসাদুল ইসলাম, ফেনী-১ মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. মিজানুল হক; ময়মনসিংহ-৪ আবু সাঈদ মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম; নাটোর-১ বীরেন্দ্রনাথ সাহা, ঢাকা-১ মোঃ আইয়ুব খান, বগুড়া-৩ মোঃ আবদুল মুহিত; রাঙামাটি অমর কুমার দে, বগুড়া-৪ মোঃ আশরাফুল হোসেন (হিরু আলম), হবিগঞ্জ-২ মোঃ জাকির হোসেন; ঢাকা-১৪ সাইফুদ্দিন আহমেদ ও সাতক্ষীরা-১ এ এম মুজিবর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মোঃ বশির উল্লাহ, নওগাঁ-৪ মোঃ আফজাল হোসেন, মৌলভীবাজার-২ মহিবুল কাদের চৌধুরী, ফেনী-৩ হাসান আহম্মদ, জামালপুর-৪ মোহাঃ মামুনুর রশীদ, বগুড়া-২ মোহাম্মদ আবুল কাসেম, পঞ্চগড়-১ মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, গাজীপুর-২ মোঃ মাহবুব আলম, বগুড়া-৬ এ কে এম মাহবুবুর রহমান, চট্টগ্রাম মীর মোহাম্মদ নাসির, কুমিল্লা-১০ আসনে আবুল কালাম আজাদ।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ







ভুয়া এমপি প্রার্থী আটক

ভুয়া এমপি প্রার্থী আটক

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:৩২







ব্রেকিং নিউজ