খুলনা | সোমবার | ১৯ অগাস্ট ২০১৯ | ৩ ভাদ্র ১৪২৬ |

শিরোনাম :
মোংলায় সাংগঠনিক তদন্তে এসে অভিযুক্তের সাথে ভ্রমণ ও ভুরিভোজ কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৩ হাজার, চিকিৎসা শেষে ফিরেছে ৪৫ হাজারবেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষার্থী শিঞ্জন একদিনের রিমান্ডে অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বাড়ছে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন, চলছে বাছবিচারহীন গ্রেফতারখুলনায় প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গাড়ি ও ড্রাইভারের সুবিধা গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ!ফের নগরীর বেসরকারি বিশ্বদ্যিালয়ের বিবিএ’র ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগঈদযাত্রায় সড়কে গেছে ২২৪ প্রাণস্ত্রী পরিচয়ে কুয়াকাটাসহ নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ওই ছাত্রীকে রেখেছিলো ‘শিঞ্জন রায়’

Shomoyer Khobor

বীরপ্রতীক তারামন  বিবি আর নেই

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ০২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:০০:০০

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত অবদান রাখা নারী বীরপ্রতীক তারামন বিবি আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন...আমরা তো আল্লাহর এবং আমরা আল্লাহর কাছেই ফিরে যাবো)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। শনিবার প্রথম প্রহরে কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার কাচারিপাড়ায় নিজবাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বীর যোদ্ধা। 
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সংক্রমণ, শ্বাসকষ্ট আর ডায়েবেটিসে ভুগছিলেন তিনি। গত মাসেও তাকে ঢাকা সিএমএইচে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে বীরপ্রতীকের মর্যাদায় ভূষিত দু’জন নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন তারামন বিবি।
তার ছেলে আবু তাহের জানান, শুক্রবার রাতে তার মায়ের অবস্থা খারাপের দিকে যায়। রাত ১টা ২৭ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তারামন বিবির স্বামীর নাম আবদুল মজিদ। রেখে গেছেন এক ছেলে ও এক মেয়ে।
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন জানান, শনিবার দুপুরে জানাজার পর রাজিবপুর উপজেলার কাচারীপাড়া তালতলা কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় বীরপ্রতীক তারামন বিবিকে।
তার আগে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
এদিকে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁর রুহের শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেন এবং তারামন বিবির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারামন বিবি ১১ নম্বর সেক্টরে নিজ গ্রাম কুড়িগ্রাম জেলার শংকর মাধবপুরে ছিলেন। তখন ১১ নম্বর সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের। মুহিব হাবিলদার নামে এক মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন। যিনি তারামনের গ্রামের পাশের একটি ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি তারামনকে ক্যাম্পে রান্নাবান্নার জন্য নিয়ে আসেন। তখন তারামনের বয়স ছিল মাত্র ১৩-১৪ বছর। তারামনের সাহস ও শক্তির পরিচয় পেয়ে মুহিব হাবিলদার তাঁকে অস্ত্র চালনা শেখান। পরবর্তী সময়ে তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবিকে তাঁর সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ‘বীরপ্রতীক’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এর পর অবশ্য দীর্ঘদিন কেউ তাঁর খোঁজ রাখেনি। ১৯৯৫ সালে তাঁকে আবার খুঁজে বের করা হয়।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ