খুলনা | রবিবার | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২ পৌষ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

থামেনি অবৈধ দখলদারদের তৎপরতা

খুবি’র জন্য জেলা প্রশাসন কর্তৃক বরাদ্দকৃত খাস  খালে বালু ভরাট ও রাতারাতি ইটের সলিং!

খুবি প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:০০:০০

খুবি’র জন্য জেলা প্রশাসন কর্তৃক বরাদ্দকৃত খাস  খালে বালু ভরাট ও রাতারাতি ইটের সলিং!


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর সীমানায় অবস্থিত সরকারি খাসখাল জেলা প্রশাসন কর্র্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে সংরক্ষণ ও শিক্ষা-গবেষণার  শর্তে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলেও তা অবৈধভাবে দখলের জন্য থামেনি একটি  চক্রের তৎপরতা। বরং রাতের আঁধারে  গোপনে সেখানে  বালু ভরাট ও রাতারাতি ইটের সলিং দিয়ে রাস্তা তৈরির কাজ চলানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। 
গত ১৩ অক্টোবর এ সংক্রান্ত সংবাদ স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশের পর অবৈধ দখলকারীরা এখন ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। তারা এখন রাতে গোপনে ওই সরকারি খাস খালে বালু ভরাট করছে এবং কাঁচা রাস্তার ওপর ইট বসিয়ে দিচ্ছে। ফলে সরকারি এই খাস খালটি অচিরেই চিরতরে নিশ্চিহ্ন হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৃষ্টির মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, গত কয়েক দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের সীমানা ঘেঁষে উত্তরপাশে সরকারি খাস খালের ওপর বালুমাটি ভরাট ৫০ গজ রাস্তা রাতারাতি ইটের সলিং করা হয়েছে। 
স্থানীয় একটি সূত্রে জানা যায় রাতে এবং খুব ভোরে লোকজন চলাচলের আগেই সেখানে ইটের সলিং করা হয়েছে। কর্র্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছেন নানা কৌশলে আশ্রয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ যাতে এই খাস খাল নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারে সে চেষ্টা করছে ওই চক্রটি। আরও আশঙ্কা করা হচ্ছে অন্যান্য স্থানের মতো এই মহলটি আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকে বিলম্বিত করে রাতের আঁধারে পুরো খাস খালই ভরাট করে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে। 
এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন বলে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত। তা না হলে ২০১২ সালের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানার জমি নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দিতে পারে। 
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায় প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা গত মঙ্গলবার সরেজমিনে উত্তর সীমানার সরকারি খাস খালটির বর্তমান বাস্তব অবস্থা পরিদর্শন করেছেন। 
পর্যবেক্ষক মহলের প্রশ্ন, খাস খালটি জেলা প্রশাসনের তথা সরকারি সম্পত্তি। সেটা সংরক্ষণ ও শিক্ষা-গবেষণার কাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে আরেকটি সরকারি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে। সেই সরকারি খাস খাল দখল হয়ে যাচ্ছে নেপথ্যে শক্তিটি কে? 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ