খুলনা | রবিবার | ১৮ নভেম্বর ২০১৮ | ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

৮ বছর পর জয়হীন খুলনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক | প্রকাশিত ০৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:১৩:০০


জাতীয় ক্রিকেট লীগ মানেই খুলনার সাফল্য, তবে এবার সেই সাফল্য কোথায় যেন হারিয়ে গেলো। পুরো আসরে কোন ম্যাচ জিততে পারেনি টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন খুলনা। চার মৌসুম পর কোন ম্যাচে জয়হীন থাকলো দলটি। শুধু তাই না আশঙ্কা ছিলো প্রথম স্তর থেকে নেমে যাওয়ার। তবে ৬ষ্ঠ ও শেষ রাউন্ডে দারুণ লড়াইয়ে আর রাজশাহীর বিপক্ষে বরিশালের পরাজয়ে কোনমতে রেলিগেশন এড়িয়েছে খুলনা। গতকাল বৃহস্পতিবার বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে শেষ হওয়া ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে ২৯৫ রানের জয়ের লক্ষে খেলতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রান সংগ্রহের পর দুই দলই ম্যাচটি ড্র মেনে নেন। ৬ ম্যাচ থেকে কোন জয় না পাওয়া খুলনা ম্যাচ একটিতে পরাজিত হয়। সব মিলিয়ে ১৬.১৫ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে লীগ শেষ করলো। 
৬ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান সংগ্রহ করে তৃতীয় দিন শেষ করা খুলনা বিভাগ গতকাল বৃহস্পতিবার চতুর্থ ও শেষ দিনে ব্যাট করতে নামে। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান জিয়াউর রহমান ও মইনুল ইসলাম অবিচ্ছিন্ন থেকে দলীয় সংগ্রহকে নিয়ে যান ২৬৫ পর্যন্ত। সপ্তম উইকেটে মইনুলের সঙ্গে ৯৮ রানের জুটি গড়ে আউট হন জিয়াউর। ৭১ বল খেলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৫২ রান করেন তিনি। এরপর ২৭০ রানে আব্দুর রাজ্জাক, ২৭৭ রানে আব্দুল হালিম ও ২৮২ রানে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন মইনুল ইসলাম। ৮৭ বল খেলে ৭ চারে ৫৫ রান করেন মইনুল। বল হাতে রংপুরের তানবির হায়দার ৩টি উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন রবিউল হক, সোহরাওয়ার্দী শুভ ও মাহমুদুল হাসান।
দ্বিতীয় ইনিংসে খুলনা ২৮২ রান সংগ্রহ করায় রংপুরের সামনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ২৯২ রান। এই রান রংপুরকে তুলতে হত শেষ দুই সেশনে! লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রংপুরের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। মেহেদী মারুফ ও রাকিন আহমেদ ২৭.৫ ওভারেই ১০৪ রান তুলে ফেলেছিলেন। কিন্তু এরপর মেহেদী মারুফ আউট হয়ে যান। ৮৫ বল খেলে ৫ চারে ৫০ রান করেন তিনি। মারুফ আউট হওয়ার পর দ্রুত উইকেট হারিয়ে কিছুটা বিপর্যয়ে পড়ে রংপুর। শেষ পর্যন্ত ৫১ ওভার খেলে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রানের বেশি করতে পারেনি রংপুর। তাতে ম্যাচটি ড্র হয়। ব্যাট হাতে রংপুরের রাকিন আহমেদ সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন। ১০৯ বল খেলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় এই রান করেন তিনি। বল হাতে খুলনার মেহেদী হাসান ৩টি উইকেট নেন। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন খুলনা বিভাগের মইনুল ইসলাম।
পুরো আসরেই খুলনার বোলিং ব্যার্থতা ছিলো চোখে পড়ার মতো। নিয়মিত পেস বোলার হিসেবে পুরো মৌসুম খেলেছেন কেবল আল আমিন। মাত্র একজন পেসার দিয়েই মৌসুম পার করেছে খুলনা। দলে আর কোন নিয়মিত পেস বোলার ছিলেন না। তুষার ইমরান, সৌম্য সরকার ব্যাটিংয়ে ভালো করলেও বাকিরা ছিলেন না ধারাবাহিক। সব মিলিয়ে বাজে একটি মৌসুম কাটালো খুলনা।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

বিসিএলের প্লেয়ার ড্রাফট সম্পন্ন

বিসিএলের প্লেয়ার ড্রাফট সম্পন্ন

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

টেস্ট দলে ফিরলেন সাকিব-সৌম্য

টেস্ট দলে ফিরলেন সাকিব-সৌম্য

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০










বিসিএলের প্লেয়ার ড্রাফট আজ

বিসিএলের প্লেয়ার ড্রাফট আজ

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০২


ব্রেকিং নিউজ