খুলনা | মঙ্গলবার | ২৬ মার্চ ২০১৯ | ১২ চৈত্র ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

রোমাঞ্চকর শেষের অপেক্ষা

রেলিগেশন এড়াতে লড়ছে খুলনা-বরিশাল শিরোপার জন্য রাজশাহী-রংপুর

ক্রীড়া প্রতিবেদক | প্রকাশিত ০৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০:০০

জমে উঠেছে ওয়ালটন ২০তম জাতীয় ক্রিকেট লীগের প্রথম স্তরের ৬ষ্ঠ ও শেষ রাউন্ডের খেলা। এই রাউন্ডে শিরোপার জন্য লড়ছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ। আর রেলিগেশন এড়াতে লড়ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন খুলনা ও বরিশাল বিভাগ। অবশ্য ম্যাচে খুলনা মুখোমুখি হচ্ছে রংপুর বিভাগের আর রাজাশহীর প্রতিপক্ষ বরিশাল বিভাগ। গতকাল বুধবার তৃতীয় দিনশেষে ম্যাচের পরিস্থিতি এমন-ই যে দু’টি ম্যাচের ফলাফলই যে কোন দিকে যেতে যেতে পারে। তাই শেষদিনে রোমাঞ্চকর অপেক্ষা চারদলের। বগুড়ায় রংপুর বিভাগের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে খুলনা বিভাগ ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান সংগ্রহ করেছে। খুলনা তাদের প্রথম ইনিংসে ২৬১ রান করেছিলো। সব মিলিয়ে রংপুর বিভাগের বিপক্ষে ২০৪ রানে এগিয়ে আছে খুলনা। আজ বৃহস্পতিবার শেষদিনে তাই এ ম্যাচে যে কোন কিছু ঘটতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত ম্যাচের যে অবস্থা তাতে কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকবে খুলনা। অপরদিকে রাজশাহীতে বরিশালের বিপক্ষে ২৮৪ রানের জয়ের লক্ষে খেলতে নেমে গতকাল বুধবার দিনশেষে ২ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান সংগ্রহ করেছে। ম্যাচ জয়ের জন্য আজ বৃহস্পতিবার শেষদিনে রাজশাহীকে বাকি ৮ উইকেটে আরও ১০২ রান করতে হবে। এই ম্যাচের ভাগ্য নিঃস্বন্দেহে রাজশাহীর দিকে ঝুলে আছে। এই ম্যাচে জয় পেলে চ্যাম্পিয়ন হবে রাজশাহী। অপরদিকে অপর ম্যাচে যদি রংপুরের কাছে খুলনা পরাজিত হয়, সেক্ষেত্রে রাজশাহী ও রংপুরের ব্যাটিং-বোলিং পয়েন্ট হিসেব করা হবে। সেই পয়েন্টের হিসেবেও বেশ খানিকটা এগিয়ে থাকবে রাজশাহী।
এছাড়া রেলিগেশনের লড়াইয়ে বরিশাল ও খুলনা দুই দলই যদি পরাজিত হয়, সেক্ষেত্রে পয়েন্টের হিসেবে খুলনার রেলিগেশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার যদি খুলনা জয় পায়, বরিশাল পরাজিত হয়, সেক্ষেত্রে খুলনা রেলিগেশন এড়াতে পারবে, নেমে যাবে বরিশাল। যদি খুলনা ও বরিশাল উভয় দল জয় পায়, সেক্ষেত্রে নেমে যেতে পারে খুলনা। সব মিলিয়ে রোমাঞ্চকর শেষের অপেক্ষায় জাতীয় ক্রিকেট লীগ। 
বগুড়ায় বুধবার তৃতীয় দিনে রংপুর ৪ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান নিয়ে খেলা শুরু করে। এদিন তারা আরও ১২৩ রান যোগ করে ২৪৯ রানে অল আউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন ধীমান ঘোষ। খুলনার হয়ে অধিনায়ক আব্দুর রাজ্জাক নেন ৪ উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন আব্দুল হালিম, সৌম্য সরকার, আল আমিন, জিয়াউর রহমান। 
১১ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে খুলনার শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন করে উদ্বোধনীতে নামা আফিফ হোসেন মাত্র ১ রান করেই ফিরে যান। এরপর দলীয় ২৭ রানে ফিরে যান এনামুল হক বিজয়ও। তবে সৌম্য সরকার ও নুরুল হাসান সোহান দলের রানের চাকা সচল রাখেন। একই সাথে উইকেটে টিকে থাকা ও রানের চাকা সচল রাখার কাজটি একসাথেই করেন এ দু’জন। যদিও দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগেই আউট হয়ে যান দু’জনই। সৌম্য সরকার আউট হন ৮৩ রান করে। ১১১ বলে ৮টি বাউন্ডারি ও ৩টি বাউন্ডারির সাাহয্যে এ রান করেন। আর নুরুল হাসান সোহান ৮৩ বলে ৫টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে করেন ৫২ রান। দিনশেষে জিয়াউর রহমান ১৭ ও মঈনুল ইসলাম ৬ রানে অপরাজিত আছেন। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ






রূপসায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

রূপসায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:১০





এবার আরচারদের মিশন এশিয়া কাপ

এবার আরচারদের মিশন এশিয়া কাপ

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:১০

মাঠে গড়ালো আইপিএল

মাঠে গড়ালো আইপিএল

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:১০


ব্রেকিং নিউজ







একাত্তরের স্মৃতির রোডম্যাপ

একাত্তরের স্মৃতির রোডম্যাপ

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০১:৪৩


স্বাধীনতা ও আমাদের প্রত্যাশা

স্বাধীনতা ও আমাদের প্রত্যাশা

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০১:৪২