খুলনা | বুধবার | ২১ নভেম্বর ২০১৮ | ৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে দরকার সমন্বিত উদ্যোগ

০২ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১৪:০০

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে দরকার সমন্বিত উদ্যোগ

গতকাল থেকে শুরু হয়েছে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা। প্রত্যাশা ছিল তিন বছর আগে যেসব শিক্ষার্থী পিইসি ও ইইসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল তাদের সবাই জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। কিন্তু উদ্বেগজনক তথ্য হল, গত তিন বছরে ঝরে পড়েছে ৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে শুধুমাত্র যশোর বোর্ডে ৪ হাজার ৮শ’ ৬০ জন পরীক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় বসেনি। বিষয়টি উদ্বেগজনক।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারিভাবে নানা পদক্ষেপ নেয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করানোর বিষয়েও ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। তবে ঝরে পড়া রোধ করা কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছেনা। চলতি জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় তার প্রমাণ মিলেছে। কেবল প্রাথমিক নয়, মাধ্যমিকসহ অন্যান্য স্তরেও শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। দেশে অনেকদিন আগে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হলেও এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক এ পদ্ধতিতে কাঙ্খিত মাত্রায় দক্ষতা অর্জন করতে পারেননি। সাধারণভাবে লক্ষ করা যায়, দরিদ্র পরিবারের অনেক শিক্ষার্থী কম বয়সে ঝরে পড়ে। কাজেই এসব শিক্ষার্থীর দারিদ্র-সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধান করা হলে ঝরে পড়ার হার কমবে। এছাড়া অনেক পরিবার সচ্ছল হলেও শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তারা সচেতন নন, সেসব পরিবারের শিক্ষার্থীরাও অল্প বয়সে ঝরে পড়ে। এক্ষেত্রে এ ধরনের পরিবারের সদস্যদের সচেতনতা বাড়াতে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রত্যন্ত এলাকায় সামাজিক নিরাপত্তা কোনো কারণে বিঘিœত হলেও শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। এসব সমস্যার সমাধানে সামাজিকভাবেও পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সবস্তরে শিক্ষার মান বাড়াতে মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করা দরকার। এ জন্য শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। শিশুদের সব স্কুলে দুপুরে মানসম্মত খাবারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ দেয়া গেলে তাদের আগ্রহ বাড়বে।
অল্পবয়সে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীরা অর্জিত জ্ঞান কোনো কাজে লাগাতে পারে না। ফলে এসব শিক্ষার্থী সম্পদ হওয়ার পরিবর্তে সমাজের বোঝায় পরিণত হয়। আমাদের অভিমত, যেসব শিশু স্কুলে ভর্তি হয় তাদের সবাইকে দক্ষ জনবল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে সেসব সমাধান করলে ইতিবাচক ফল মিলবে এমনটা আশা করা যায়। অভিভাবকের সঙ্গেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব কমানোর উদ্যোগ নেয়া দরকার। সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া কাঙ্খিত মাত্রায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমানো সহজ হবে না বলে আমরা মনে করি।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

সিরাতুন্নবী (সাঃ) আজ

সিরাতুন্নবী (সাঃ) আজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০







দখলমুক্ত হোক খুলনার সড়ক মহাসড়ক

দখলমুক্ত হোক খুলনার সড়ক মহাসড়ক

১১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



ভেজাল থেকে পরিত্রান চায় মানুষ

ভেজাল থেকে পরিত্রান চায় মানুষ

০৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



ব্রেকিং নিউজ






পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:২৩


নগরীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

নগরীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:২০