খুলনা | বুধবার | ২১ নভেম্বর ২০১৮ | ৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

সমঝোতাই গণতন্ত্রের পথ সংলাপ হোক অর্থবহ 

০১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১৪:০০

সমঝোতাই গণতন্ত্রের পথ সংলাপ হোক অর্থবহ 

জাতীয় সংসদ নিবার্চন দ্বারপ্রান্তে। নিবার্চন কমিশন তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে একাদশ সংসদ নিবার্চনের। এমন অবস্থায় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোট প্রস্তুতি নিচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য। এরই মাঝে দশম জাতীয় সংসদ নিবার্চনের বাইরে থাকা সাবেক শাসক দল বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টভুক্ত হওয়ায় দেশের রাজনৈতিক দল কার্যত দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে নির্বাচনের ব্যাপারে নানা শর্ত বিরোধী শিবিরের। এসব মানা নামানা নিয়ে রাজনৈতিক মাঠ ক্রমেই ঘোলা হচ্ছিল। এমন সময় সিলেটের জনসভার পরই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে সংলাপ চেয়ে চিঠি পাঠান গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। চিঠির উদ্দেশ্য জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা ও ১১টি লক্ষ্য সংযুক্ত হয়েছে।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন দল ও দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল। আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোটভুক্ত ১৪ দলসহ জাতীয় পার্টিও রয়েছে। আর গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং মহাজোটের বাইরে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী, বিকল্প ধারা, এলডিপি কল্যাণ পাটির্সহ কয়টি দল। একাদশ সংসদ নিবার্চনে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও মহাজোটের সঙ্গে মূল নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এরই মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সিলেট ও চট্টগ্রামে জনসভা করে তাদের ঐক্যের উদ্দেশ্য লক্ষের কথা জনগণের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপের ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাতে কোনো রাকঢাক না রেখেই সংলাপে বসতে রাজি হয়েছেন। একদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সভাপতি হিসেবে শাসক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে সংলাপ চেয়ে চিঠি পাঠানোর ঘটনাকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা অবশ্যই দেশের জনগণের কল্যাণের স্বার্থেই। কেন না এক এগারোর মতো কোনো পরিস্থিতি এ দেশে জনগণ আশা করে না। সংলাপ সবসময় যে কোনো সমস্যা সমাধানের উত্তম পন্থা। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল ও ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে সংলাপ হতেই পারে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অর্থবহ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য দেশের সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে সমঝোতা প্রয়োজন। সরকারও বর্তমানে আশা করে সব দলের অংশগ্রহণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হউক। শান্তিপ্রিয় নাগরিক হিসেবে আমরাও রাজপথে আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা চাই না। সংঘাত নয়, সংলাপ ও সমঝোতাই গণতন্ত্রের পথ। দেশের মানুষ শান্তি চায়, রাজনৈতিক বিবাদ চায় না। হরতাল, অবরোধ, ভাঙচুর, জ্বালও-পোড়াও চায় না। এ জন্য সংলাপের বিকল্প নেই। সংলাপ হচ্ছে, সংলাপ সফল হবে, সংঘাত হবে না এটাই প্রত্যাশা দেশবাসীর। সংলাপের জন্য উভয় পক্ষকে মুক্তমন নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। সেই প্রত্যাশায় রইলাম আমরাও।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ

সিরাতুন্নবী (সাঃ) আজ

সিরাতুন্নবী (সাঃ) আজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০







দখলমুক্ত হোক খুলনার সড়ক মহাসড়ক

দখলমুক্ত হোক খুলনার সড়ক মহাসড়ক

১১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



ভেজাল থেকে পরিত্রান চায় মানুষ

ভেজাল থেকে পরিত্রান চায় মানুষ

০৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



ব্রেকিং নিউজ






পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:২৩


নগরীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

নগরীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:২০