সজল ও শখের ‘অতল জলের গহীনে’


তমাল ও মিঠি একই কলেজের শিক্ষার্থী। দু’জন দুই গ্রামের বাসিন্দা হলেও তাদের সাক্ষাৎ ছোটবেলা থেকেই। একই সঙ্গে স্কুল শেষ করে দু’জনেই শহরে এসে কলেজে ভর্তি হয়েছে। গ্রামের মেয়ে হলেও মিঠির চালচলনে স্মার্টনেস প্রবল।
এদিকে তীব্র পারসোনালিটির মিঠির সঙ্গে মিশতে অপেক্ষাকৃত দুর্বল মানসিকতার তমাল সব সময় সংকোচ বোধ করে। কাহিনীর আবর্তনে হঠাৎ-ই তমাল এক ধরণের পরিবর্তন খেয়াল করে মিঠির মধ্যে। মিঠির হেঁয়ালী ধরনের কথাবার্তা তমালের কাছে তাকে দুর্বোধ্য করে তোলে।
এ রকম পরিস্থিতে তাদের কলেজের দু’জন শিক্ষার্থীর খুব কম দিনের ব্যবধানে অকাল মৃত্যু ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে খুনের মোটিভ ও খুনি দু’টোই অজ্ঞাত থেকে যায়। ঠিক এই সময় অরণ্য নামে একজন সুদর্শন যুবক তমাল ও মিঠিদের কলেজে ট্রান্সফার নিয়ে ভর্তি হয়। এরপরই ঘটতে থাকে নানা ঘটনা।
এমন কাহিনী নিয়েই নির্মিত হয়েছে টেলিফিল্ম ‘অতল জলের গহীনে’। কমল খোন্দকারের রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন সরদার রোকন। এর প্রধান দু’টি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আব্দুন নূর সজল ও আনিকা কবির শখ। আরো আছেন এস এম মহসনি ও নাফজি প্রমুখ।
নাটকে শখ এক ধরনের ভয়ানক মানসিক ব্যাধি স্যাডিজমে আক্রান্ত মেয়ে। এ জন্য প্রায়ই উন্মাদের মতো আচরণ করেন। যখনই কারো কাছে তার অবদমিত প্রত্যাশা ব্যর্থ হয়, তখনই তিনি তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়ার ছক আঁকেন। এই নাটক নিয়ে আশাবাদী তিনি। বললেন, ‘অনেকদিন পরে সজলের সঙ্গে কাজ করলাম। আশা করি, ভালো কিছুই হবে।’
নির্মাতা সরদার রোকন বলেন, ‘স্যাডিজম আমাদের সমাজের রন্ধে রন্ধে আবহমান কাল থেকে বাসা বেঁধে আছে। স্যাডিজমের কারণে একজন মানুষ যে কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে, গল্পে দর্শকেরা সেটাই দেখতে পারবেন।’  টেলিফিল্মটি আগামী ২৪ অক্টোবর, বুধবার দুপুর আড়াইটায় চ্যানেল আইতে প্রচার হবে বলেও জানান।
 


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।