খুলনা | শনিবার | ১৭ নভেম্বর ২০১৮ | ৩ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

মুজগুন্নীতে দু’টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালদের মারামারি : আহত ১, আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:২০:০০

মুজগুন্নীতে দু’টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালদের মারামারি : আহত ১, আটক ১

নগরীর আবু নাসের হাসপাতাল মোড়ে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালদের মধ্যে রোগী ভাগিয়ে নেয়াকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে জোসনা  বেগম (৩০) নামে এক মহিলা কর্মচারী আহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ আঃ রহিম নামে এক দালালকে আটক করেছে। আহত জোসনা বেগমকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
জানা গেছে, গতকাল বুধবার সকাল ৯টায় এ্যাংকর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী জোসনা বেগম আবু নাসের হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসা এক রোগীকে ফুসলে তার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আসে। এ সময় শেখ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মাচারী আঃ রহিম ওই রোগীকে জোর করে তার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় জোসনা ও রহিমের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। রহিম জোসনা বেগমকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন জোসনাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। 
স্থানীয়দের অভিযোগ, খুলনা আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের সামনে কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। এ ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায় কর্মচারী রেখে তাদেরকে দিয়ে আবু নাসের হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে আসে। র‌্যব-৬ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে আর্থিক জরিমানাও করেছে। তারপরেও এখানে প্রায়ই সমস্যার সৃষ্টি হয়। 
এদিকে আঃ রহিম শেখ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী না বলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক শেখ শহিদুল ইসলাম দাবি করেন। তিনি বলেন, রহিম নামে তার কর্মচারী নেই, সে কোন দালাল রাখেনা। এ্যাংকর ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি আলমগীর হোসেন ও আঃ সাত্তার নামে দুই ব্যক্তি সেন্টারটি পরিচালনা করেন। তারা জোসনা বেগম নামে তাদের কর্মচারীকে আঃ রহিম মারধোর করেছে বলে অভিযোগ করেন। তারাও দালাল রাখে না এবং তাদের সেন্টারের নামে কোন অভিযোগ নেই বলে জানান। 
এ বিষয়ে খালিশপুর থানার ওসি সরদার মোশারেফ হোসেন জানান, রোগী ভাগিয়ে আনাকে কেন্দ্র করে দুই  শেখ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আঃ রহিম নামে একজনকে আটক করার কথা তিনি স্বীকার করেন। তবে কেউ মামলা করতে আসেনি বলে তিনি জানান। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ