খুলনা | বুধবার | ২১ নভেম্বর ২০১৮ | ৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

১০ বোমা উদ্ধারের দাবি পুলিশের : আটক ১১

মণিরামপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও জামায়াতের  আমীরসহ ৬৫ নেতা-কর্মীর নামে পৃথক দু’টি মামলা 

যশোর ও মণিরামপুর প্রতিনিধি  | প্রকাশিত ১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:৫১:০০

মণিরামপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও জামায়াতের  আমীরসহ ৬৫ নেতা-কর্মীর নামে পৃথক দু’টি মামলা 

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, নাশকতার প্রস্তুতি ও বিস্ফোরক আইনসহ বিভিন্ন ধারায় মণিরামপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র এড. শহীদ ইকবাল হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াতের সাবেক আমীর প্রভাষক ফজুলল হক, পৌর বিএনপি’র সভাপতি খাইরুল ইসলামসহ বিএনপি এবং জামায়াতের ৬৫ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত প্রায় দেড়শ’ জনের নামে পৃথক ২টি মামলা দায়ের করেছে করেছে যশোর ডিবি ও মণিরামপুর থানা পুলিশ। 
মামলার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য আসামিরা হলো উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এড. মকবুল ইসলাম, সদর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল গনি মোড়ল, রোহিতা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, ঢাকুরিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের আমীর লিয়াকত আলী, সাবেক আমীর মিজানুর রহমান, মাওলানা নুর মোহাম্মদ, প্রভাষক সেলিম জাহাঙ্গীর, পৌর সাবেক আমীর মহিউল ইসলাম। এর মধ্যে জামায়াতের সাবেক আমীর মিজানুর রহমান, বিএনপি নেতা আবদুর রাজ্জাকসহ ১১ জনকে গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করা হয়। পৃথক দু’টি মামলার মধ্যে একটির বাদী যশোর ডিবির এসআই মোশাররফ হোসেন এবং অপরটির বাদী মণিরামপুর থানার পি-এসআই তাপস কুমার রায়। আটকদের গতকাল বুধবার বিকেলে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।     
ডিবি পুলিশের দায়ের করা মামলার বাদী এসআই মোশাররফ হোসেন দাবি করেন তার নেতৃত্বে একটি টিম গত মঙ্গলবার মণিরামপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। অভিযানকালে তিনি গোপন সংবাদ পান মণিরামপুর কলেজের পশ্চিমপাশে মাঠের মধ্যে বসে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীরা এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনার জন্য বৈঠক করছিলেন। এ সময় এসআই তার নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ১০টি তাজা বোমাসহ বিএনপি-জামায়াতের ১০ নেতা-কর্মীকে আটক করে। তবে অন্যরা পালিয়ে যায়। আটককৃতরা হলেন হরিহরনগরের আব্দুল ফাত্তাহ, পারখাজুরার আবুল বাশার, কালারহাট এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, কাশিমনগরের মোয়াজ্জেম হোসেন, গাংগুলিয়ার আব্দুল গাজী, হাসাডাঙ্গার মাসুদ রানা, আলমগীর হোসেন, টুনিয়াঘরার মিজানুর রহমান, গাবুখালির ইউসুফ আলী এবং রঘুনাথপুর গ্রামের কামাল হোসেন। 
অপরদিকে মণিরামপুর থানার পি-এসআই তাপস কুমার তার দায়ের করা এজাহারে দাবি করেন, তিনিসহ পুলিশের একটি টিম মোটরসাইকেলযোগে গত মঙ্গলবার রাতে পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযানে ছিলেন। এ ময় তিনি গোপন সংবাদ পান হাকোবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় জামায়াতের সাবেক আমীর স্কুল শিক্ষক মাওলানা মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনায় গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এ সময় তিনি পুলিশের অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়ে সেখানে অভিযান চালালে ৩টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আসামিরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে জামায়াতের সাবেক আমীর স্কুল শিক্ষক মাওলানা মিজানুর রহমানকে আটক করেন। 
এদিকে ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের আটক করা হয়েছে মর্মে দুই মামলার বাদী দাবি করলেও আটকদের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি তাদেরকে নিজ নিজ বাড়ি এবং এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ






পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:২৩


নগরীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

নগরীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:২০






ব্রেকিং নিউজ






পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) আজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:২৩


নগরীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

নগরীতে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:২০