খুলনা | শনিবার | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১ পৌষ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তহীনতা ও উদাসীনতা

কাজিবাছা’র করাল গ্রাসে নিঃস্ব তিন শতাধিক পরিবার

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১২ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:১০:০০

বটিয়াঘাটা উপজেলার কাজিবাছা নদীর করাল গ্রাসে উপজেলার বাজার সদরসহ বুজবুনিয়া, শিয়ালীডাঙ্গা, জলমা ও কচুবুনিয়া গ্রামের তিন শতাধিক পরিবার জমিজমা ঘরবাড়ি, সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সময় উপযোগী সিদ্ধান্তহীনতা ও উদাসীনতার কারণে এ নদী ভাঙন দিন দিন বাড়ছে ।
নদীমাতৃক বটিয়াঘাটা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নই নদী দ্বারা বেষ্টিত। এর মধ্যে জলমা, বটিয়াঘাটা সদর, বালিয়াডাঙ্গা ও সুরখালী ইউনিয়নই ভৌগলিকগত কারনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নদ-নদী দ্বারা ঘেরা। স্বাধীনতা পরবর্তী নদী ভাঙনে ভৌগলিক মানচিত্র থেকে ৪টি ইউনিয়ন পটপরিবর্তন হয়ে দিনের পর দিন সংকুচিত হতে চললেও পাউবো আজ অবধি দীর্ঘমেয়াদী কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেনি। ভাঙন কবলিত এলাকার মধ্যে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বুজবুনিয়া, বটিয়াঘাটা সদর ইউনিয়নের বাজার সদর ও চৌরাস্তা মোড়ের সার্বজনীন দুর্গা ও কালী মন্দির এলাকা, সুরখালী ইউনিয়নের বারআড়িয়া বাজার, রায়পুর ঋষিবাড়ির মোড়, জলমা ইউনিয়নের কচুবুনিয়া ও নবজলমা অন্যতম। সময়ের ব্যবধানে নদী ভাঙনে এসব এলাকার মানুষের ঘরবাড়ি, জমি-জমা নদীতে বিলীন হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসেনি। ফলে সহায় সম্বলহীন মানুষ দিনে দিনে আরও অসহায় হয়ে পড়েছে। এগিয়ে আসেনি কোনো জনপ্রতিনিধি। ভাঙনের খবর পেয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজের গতি সঞ্চারের লক্ষে উপস্থিত অনুদান প্রদান সাপেক্ষে তদারকি করতে দেখা গেলেও পাউবো সময়মতো এগিয়ে আসেনি। ভাঙন আঘাত হানার পূবেই পাউবো সঠিক সময়ে এগিয়ে আসলে হয়তোবা নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায় সম্বলহীন হতে হতো না এমনি মন্তব্য ক্ষতিগ্রস্তদের। বর্তমানে পাউবোর পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বুজবুনিয়া এলাকায় আংশিকমাত্র নামকাওয়াস্তে কাজ হলেও বাজার সদর, বাজার চৌরাস্তা দুর্গা ও কালী মন্দির এলাকায় পাউবোকে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। সহায় সম্বলহীন ভাঙন কবলিত ওই সব এলাকার ক্ষতিগ্রস্তরা জরুরী ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ