খুলনা | শুক্রবার | ১৯ অক্টোবর ২০১৮ | ৪ কার্তিক ১৪২৫ |

এলপি গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রনে  কার্যকর উদ্যোগ নিন

১২ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০২:০০

এলপি গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রনে  কার্যকর উদ্যোগ নিন

আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে খুলনার বাজারে দফায় দফায় বাড়ছে লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ইতোমধ্যে গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে ১০ গুণ। ৮শ’ টাকার গ্যাস এখন ভোক্তা পর্যায়ে কিনতে হচ্ছে সাড়ে ১১শ’ টাকায়। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়েছে নামমাত্র। আর এ সুযোগকেই কাজে লাগাচ্ছে বসুন্ধরা, যমুনা, ওমেরা, ক্লিনহিট, টোটাল ও সেনা কল্যাণ সংস্থার এলপি গ্যাস কোম্পানি ও পরিবেশকরা। তবে সরকারি পর্যায়ের গ্যাসের দাম কিন্তু বাড়েনি। এখনও সরকারি ১২ কেজি ওজনের এলপি গ্যাস পূর্বের মূল্যেই সংগ্রহ করছেন ডিলাররা। বিষয়টি উদ্বেগজনক।
খুলনায় বিক্রি হয় সাধারণত বসুন্ধরা, যমুনা, ওমেরা, ক্লিনহিট, টোটাল ও সেনা কল্যাণ সংস্থার এলপি গ্যাস। এসব কোম্পানির গ্যাসের দাম বর্তমানে ১১শ’ টাকার উপরে। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে এলপি গ্যাসের কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে টন প্রতি ২০ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় দাঁড়ায় ১ হাজার ৬শ’ (৮০ টাকা দর)। সেই হিসেবে প্রতি কেজি এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ১ টাকা ৬০ পয়সা। এতে ১২ কেজি ওজনের গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডরের দাম বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২০ টাকা। তবে স্থানীয় বাজারে কোম্পানি ও পরিবেশকরা এ সময়ের মধ্যে তিন দফায় গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে প্রায় ৩শ’ টাকা। এর মধ্যে সর্বশেষ গত ১ অক্টোবর থেকে ১৪০ টাকা মূল্য বাড়ানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির চেয়ে ১০ গুন চড়া মূল্যে ১২ কেজি ওজনের এলপি গ্যাস কিনতে হচ্ছে স্থানীয় গ্রাহকদের। 
খুলনায় পাইপলাইনে গ্যাস সংযোগ নেই। বর্তমানে খুলনার প্রায় এক লাখ গ্রাহক এলপি গ্যাস ব্যবহার করেন। গৃহস্থালি কাজ ও ছোট-মাঝারি কারখানায় এলপি গ্যাস ব্যবহার করে এ অঞ্চলের মানুষ। ইদানীং হোটেল-রেস্তোঁরায় রান্নার কাজেও ব্যবহার হচ্ছে এলপি গ্যাস। এর সিংহভাগই সরবরাহ করে বেসরকারি গ্যাস কোম্পানিগুলো। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের সরবরাহ কম থাকায় বেসরকারি কোম্পানিগুলো নিজেদের ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সামগ্রিক প্রভাব পড়েছে খুলনার জনজীবন ও অর্থনীতিতে। বিশ্ব বাজারে যখন লিকুইড পেট্রোলিয়ামের মূল্য নিম্নগতির ঠিক তখন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেসরকারী কোম্পানিগুলো এলপি গ্যসের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। বারবার এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিতে জনসাধারণ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এবং অনেকে এলপিগ্যাস ব্যবহার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এদের নিয়ন্ত্রনে প্রশাসন কার্যকর উদ্যোগ নেবে এমনটিই আমাদের প্রত্যাশা।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ









পরিবেশ দূষণ রোধে পদক্ষেপ নিন

পরিবেশ দূষণ রোধে পদক্ষেপ নিন

০৬ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০৫



বাল্য বিয়ে রোধে সচেতনতা জরুরী

বাল্য বিয়ে রোধে সচেতনতা জরুরী

০১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:১০


ব্রেকিং নিউজ


রংপুরের বিপক্ষে খুলনার ড্র

রংপুরের বিপক্ষে খুলনার ড্র

১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:১৫