খুলনা | সোমবার | ১৯ নভেম্বর ২০১৮ | ৫ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

মোড়েলগঞ্জে জোড়া হত্যা : চেয়ারম্যান  বাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক

০৫ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০৪:০০

মোড়েলগঞ্জে জোড়া হত্যা : চেয়ারম্যান  বাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ফকিরের ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। দলীয় কোন্দলকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দুই নেতার খুনি চেয়ারম্যান, তার ক্যাডার বাহিনী ও হত্যায় মদদদাতাদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। প্রকাশ্যে দিনের আলোতে ইউপি কার্যালয়ে শত শত মানুষের সামনে এভাবে দুই জনকে পিটিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনা তারা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের মিলনায়তনে টর্চার সেলে আরও কত লোক চেয়ারম্যানের বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাও তদন্তের দাবি উঠেছে। তার নির্যাতনে যারা পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে তারাও আজ বিচারের দাবিতে সোচ্চার হচ্ছে। তবে আশার কথা পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ফকিরসহ ৪ জনকে আটক করেছে। উদ্ধার করেছে তার বৈধ অবৈধ অস্ত্র।
চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ফকির এক সময়ে ছিলেন জাতীয় পার্টির ক্যাডার। বিএনপি’র আমলে ছিলেন ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি। ওই সময় বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন শহিদুল ফকির। পরে নিজেকে রক্ষা করতে যোগ দেন আওয়ামী লীগে। সর্বশেষ এখন সে আওয়ামী লীগের কথিত নেতা ও দলীয় নমিনেশনে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আর চেয়ারম্যান হওয়ার পর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাছের ঘের, জায়গা দখল ও চাঁদাবাজি করা তার নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। চেয়ারম্যান শহিদুল ফকিরের বিরুদ্ধে পার্শ্ববর্তী রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রশিদ খানকে হত্যা অভিযোগ রয়েছে। রশিদ খাঁ হত্যা মামলায় সে ১নং আসামি ছিলেন। এ ছাড়াও একই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান খাঁ, মুক্তিযোদ্ধা হারেজ আলী শেখকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে পায়ের রগ কেটে দেয় শহিদুল ফকির। চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচার থেকে রক্ষা পায়নি বলাইবুনিয়া ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর, আলতিবুরুজবাড়িয়া গ্রামের রোমান হাওলাদার, তেলিগাতি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর, একই ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সভাপতি রনি খান ও শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ আছাদ। এদের সবাইকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। আমরা চাই এ জোড়া হত্যাকান্ডে জড়িত সকল সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। পূর্বের ন্যায় আইনের ফাক ফোকর দিয়ে তারা যেন বেরিয়ে যেতে না পারে।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ






দখলমুক্ত হোক খুলনার সড়ক মহাসড়ক

দখলমুক্ত হোক খুলনার সড়ক মহাসড়ক

১১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



ভেজাল থেকে পরিত্রান চায় মানুষ

ভেজাল থেকে পরিত্রান চায় মানুষ

০৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:১০





ব্রেকিং নিউজ

খুলনায় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ৩ জনের

খুলনায় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ৩ জনের

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:০০








খালেদা জিয়াকে  নিয়ে বই প্রকাশ

খালেদা জিয়াকে  নিয়ে বই প্রকাশ

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:৫০



এইডস ঝুঁকিতে খুলনাসহ ২৩ জেলা

এইডস ঝুঁকিতে খুলনাসহ ২৩ জেলা

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:৪৮