খুলনা | শনিবার | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১ পৌষ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

নগরীতে বিপিএমপিএ’র গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা

বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে রেজিস্ট্রেশন খাতে এতগুণ ফি বৃদ্ধি করা উচিৎ হয়নি 

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০১:২৫:০০

বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে রেজিস্ট্রেশন খাতে এতগুণ ফি বৃদ্ধি করা উচিৎ হয়নি 

বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশনে সর্বনিম্ন ফি ছিল ৫ হাজার টাকা যা এখন নির্ধারিত হয়েছে সর্বনিম্ন ৪০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ আড়ই লক্ষ টাকা। এছাড়া একটি বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান গড়তে আরও অন্তত ১১টি দপ্তর থেকে আলাদা রেজিস্ট্রেশন নেয়ার বিধান রেখেছে সরকার। এর সাথে যে সকল নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই মুহূর্তে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। বক্তারা  বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নামে সাধারণ রোগীদের পকেট কাটা, মানহীন রি-এরেঞ্জ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দ্বারা পরীক্ষা নীরিক্ষাও বন্ধেরও দাবি জানান। 
গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে “বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা-সংকট ও প্রতিকার” শির্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন এ বৈঠকের আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি ডাঃ গাজী মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নব-নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ ও বিএমএ খুলনার সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শওকত আলী লস্কর এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন খুলনা বিএমএ ও স্বাচিপ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, বিএমএ সাবেক সভাপতি ডাঃ রফিকুল হক বাবলু, ডাঃ মোস্তফা কামাল, খুমেক হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এটিএম মোর্শেদ, প্রেস ক্লাব সভাপতি ফারুক হোসেন, সাংবাদিক আলাউদ্দিন প্রমুখ। এছাড়া অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য পরিচালকের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি দপ্তরগুলো থেকে যোগাযোগ ছাড়া লাইসেন্স পাওয়া কঠিন। মরফিন ও প্যাথডিন এখন চিকিৎসায় প্রায় ব্যবহার হয় না বললেই চলে। অথচ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক হওয়ায় মাদকে ব্যবহৃত এসব সামগ্রী আরও সহজলভ্য হতে পারে। পরিবেশ ও শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে অপ্রয়োজনীয় লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব আইন বাস্তবায়ন হলে খুলনা শহরসহ দেশের ৮০ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে। যার ফলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সাথে পাড়ায় মহল্লায় ব্যাঙের ছাতার মত ডায়াগনস্টিক সেন্টার খুলে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা বন্ধ করার উপর জোর দেয়া হয়  বৈঠকে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ