খুলনা | মঙ্গলবার | ১৩ নভেম্বর ২০১৮ | ২৯ কার্তিক ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

বঙ্গবন্ধুই আমার প্রেরণা 

সালাম মুর্শেদী | প্রকাশিত ১৫ অগাস্ট, ২০১৮ ০০:৫০:০০


এক সময় ফুটবল খেলতাম খুলনার নৌহাটি গ্রামে। সেখান থেকে জেলা পর্যায়ে খেলা শুরু করি। সেই পথ চলার ধারাবাহিকতায় জাতীয় খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি মেলে এবং দেশের সর্বত্র কিছুটা হলেও নাম-ডাক ছড়িয়ে পড়ে। বিদেশের মাটিতেও যখন ফুটবল খেলে চমক দেখাই, তখন সেই খ্যাতিটা আরও বেড়ে যায়। যার ফলশ্র“তিতে সবার মুখে ছড়িয়ে পড়ে ‘ফুটবলার সালাম’ নাম। 
খেলা তখনও ছাড়িনি। মনে হলো সদ্য স্বাধীন একটি দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে কিছু একটা করা দরকার। তাই নেমে পড়ি ব্যবসায়। নিরলস পরিশ্রম, সততা ও আন্তরিকতার কোন ঘাটতি রাখিনি। সফলতার দেখা মেলল ব্যবসার ক্ষেত্রেও। কিন্তুু একটা আত্মতৃপ্তির ঘাটতি যেন থেকেই গেল আমার মাঝে। আমি সব সময়ই চিন্তা করতাম-এত সুন্দর একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশ পেলাম এবং এই দেশের আলো-বাতাসেই বেড়ে ওঠা। আজ এই দেশের কারণেই আমি একজন ‘আব্দুস সালাম মুর্শেদী।’ মনে প্রশ্ন জাগল পরাধীনতার গ্লানি মুছে যিনি বিশ্বের মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন, সেই মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এমন কী আমি করতে পারলাম? জাতির জনকের স্বপ্নপূরণে বিন্দু মাত্র ভালো কিছু কাজ করা যায় কি-না? সেই থেকেই আমার রাজনীতিতে আসার দৃঢ় প্রত্যয়। 
বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে যাঁরা এই দেশ স্বাধীন করেছেন, আজ তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। আর সেই সাথে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে। দেশ, রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সবখানেই তাঁর হাতের ছোঁয়া। তিনি বদলে দিতে চেয়েছিলেন এ দেশটাকে। বদলে দিতে চেয়েছিলেন আমাদের অর্থনীতি। স্বপ্ন দেখেছিলেন সোনার বাংলাদেশের। যেখানে দারিদ্রতা থাকবে না, প্রতিটি নাগরিক সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে সুনামের সঙ্গে পরিচিত করে তুলবে। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গৌরবের সঙ্গে বিশ্বে মাথা উঁচু করে থাকবে বাংলাদেশ। আজ এগুলোর সবই অর্জন করেছি আমরা। কিন্তু একজন নেই। তিনি আমাদের স্বপ্নদ্রষ্টা, আমাদের পথের পাথেয় বাঙালি জাতির অহঙ্কার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই স্কুল জীবনেই খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে মাতিয়ে রাখতেন। তিনি তখন থেকেই ছিলেন ফুটবল প্রেমী। নিজেও বল নিয়ে মাঠ দাবড়িয়ে বেড়াতেন। স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তরুণ বয়সে অসাধারণ ফুটবল খেলতেন। তাঁর উদ্যোগেই ১৯৩৭ সালে গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে গড়ে উঠেছিল ফুটবল ও ভলিবল দল। শুরু থেকেই তিনি ছিলেন স্কুল দলের নিয়মিত সদস্য। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে অল্প দিনেই নিজেকে স্কুলের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে দাঁড় করিয়েছিলেন। ১৯৪০ সালের দিকে পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায় ওয়ান্ডারার্স ক্লাবটি ছিল নেতৃত্ব স্থানীয়। ঢাকার মাঠে ক্লাবটির দাপট ছিল অপ্রতিরুদ্ধ। বঙ্গবন্ধু তখন মাঠে নামতেন ওয়ান্ডারার্সের একজন নিয়মিত ফুটবলার হিসেবে। 
খুব অল্প সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দেখিয়ে দর্শকদের মন জয় করেন। তিনি হয়ে ওঠেন ওয়ান্ডারার্সের নির্ভরতার প্রতীক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে ফুটবলার ছিলেন বলে ক্রিকেটের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কমতি যে ছিল তা কিন্তু নয়। ক্রিকেটের প্রতি ছিল অগাধ ভালোবাসা। সেই ভালোবাসার তাগিদে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড গঠন করেন-যা বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ‘বিসিবি’ নামে পরিচিত। দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সুষ্ঠভাবে পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। যা এখন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ নামে পরিচিত। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। এটি বাংলাদেশ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতাধীন ৪৩টি ভিন্ন ভিন্ন খেলাধুলা বিষয়ক সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সংক্ষেপে ‘বাফুফে’, বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা এটি। বাফুফের যাত্রাও শুরু হয়েছে ১৯৭২ সালে। ক্রীড়াপ্রেমী বলেই সব খেলার প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুর্বলতা ছিল। ফুটবলের প্রতি জাতির জনকের দুর্বলতা একটু বেশি ছিলো। স্বাধীনতার পর দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর আন্তরিকতার কমতি ছিল না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপ্রেরণা আর আন্তরিক সহযোগিতায় স্বাধীন বাংলাদেশে ফুটবল মাঠে গড়ায় মাত্র দু’মাসের ব্যবধানে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তারকা ফুটবলারদের সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ একাদশ ও রাষ্ট্রপতি একাদশের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালের মে মাসে ঢাকায় খেলতে আসে ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা দল কলকাতা মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে কলকাতা মোহনবাগান ঢাকা মোহামেডানকে হারালেও পরের ম্যাচে হোঁচট খায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় ম্যাচে মোহনবাগান ঢাকা একাদশের মোকাবেলা করে। খেলার আগে ঢাকা একাদশের খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করেছিলেন জাতির জনক। ম্যাচের দিন প্রধান অতিথি হিসেবে মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের মনোবল চাঙ্গা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে সেই দিন দুর্দান্ত এক জয় উপহার দিয়েছিলেন ফুটবলারা। 
১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে খেলতে আসে রাশিয়ার মিন্সক ডায়নামো ক্লাব। ফুটবলপ্রেমী হাজার বছরের শ্রেষ্ঠত্ব বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ছোট ছেলে শেখ রাসেলকে নিয়ে ভিআইপি গ্যালারিতে বসে ঢাকা একাদশ এবং রাশিয়ার মিন্সক ডায়নামো ক্লাবের খেলা উপভোগ করেন। ১৯৭৫ সালে মালয়েশিয়ার মারদেকা ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলতে গিয়েছিল ফুটবল দল। খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করতেই জাতির জনক প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় দলের বিদায়ক্ষণে গণভবনে ডেকেছিলেন। খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা না থাকলে এমনি সম্ভব নয়। দলের সবার সঙ্গে কুশলবিনিময় করে ছবিও তুলেছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমান।
দেশের অর্থনীতির কথা বলি। শুধু স্বাধীনতা নয়, দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যও লড়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাই ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে শুরু করেন দীর্ঘ মেয়াদি টেকসই অর্থনৈতিক পরিকল্পনা। ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মসূচিতে তিনি ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন কৃষিখাতের জন্য।
নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বঙ্গবন্ধু উপলব্ধি করেছেন সমৃদ্ধ কৃষিই স্বনির্ভর অর্থনীতির পূর্ব শর্ত। তাই দেশের প্রথম উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপির বড় অংশই ছিল এই খাতের উন্নয়নে। কিন্তু পঁচাত্তরের কালো আগস্ট ভেঙে ফেলে বঙ্গবন্ধুর সাজানো সাম্পান। মুখ থুবড়ে পড়ে স্বাধীন বাংলার উন্নয়নযজ্ঞ। বর্তমানে দেশ মধ্যম আয়ে রূপান্তরের যাত্রা চলছে বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। বঙ্গবন্ধুই প্রগতির এই ভিত্তি গড়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু বুঝেছিলেন, বিপর্যন্ত দেশের পুনর্গঠনে দরকার সুচিন্তিত পরিকল্পনা। এ কারণে দেশে ফিরে মাত্র ১৮ দিনের মাথায় তিনি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করেন। এই কমিশনে সেসব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন, যারা ছয় দফা, এগারো দফাসহ অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলনে বিভিন্ন সময়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। এই কমিশন যুগান্তকারী প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৭২-৭৬) প্রণয়ন করে অর্থনেতিক প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলেন।
আগেই বলেছি বঙ্গবন্ধু প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন কৃষির উন্নয়নে। তাই কৃষকদের ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করে দেন। গবেষণার জন্য কৃষি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি বিনামূল্যে ও স্বল্পমূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করে। কৃষি, শিল্প, শ্রমবাজার সব দিকেই নজর দেন তিনি। তবে ভাটা পড়ে যায় তাঁর অকাল মৃত্যুতে। খুনীরা বঙ্গবন্ধুকে খুন করে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে চেয়েছিল। চেয়েছিল এই দেশ যাতে আর কখনো মাথা উঁচু করে না দাঁড়াতে পারে। তবে দেরিতে হলেও সেই স্বপ্ন নস্যাৎ হয়েছে। আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। এখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের উপরে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর মাথাপিছু আয় বেড়ে এখন ১৭৫২ মার্কিন ডলার। ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে সামজিক অবস্থারও। বঙ্গবন্ধুর দেখানো উন্নয়নের পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ। ১৯৭২ সালে সাড়ে সাত কোটি মানুষের মধ্যে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করতেন সোয়া পাঁচ কোটি মানুষ; এখন ষোলো কোটির মধ্যে মাত্র চার কোটি। 
শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, অর্থনীতিসহ সব সূচকেই দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। এখন বছরের শুরুতেই ৩৬ কোটি নতুন বই বিনামূল্যে ছাত্রছাত্রীরা হাতে পায় উৎসবের আমেজে। শিক্ষার হার এখন শতকরা ষাট ভাগ ছাড়িয়ে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা জনসংখ্যার প্রায় দুই শতাংশ। প্রাথমিকে এখন ভর্তির হার শতভাগের প্রায় কাছাকাছি। 
বিদ্যুত, অবকাঠামো ও সড়ক যোগাযোগ খাতে জননেত্রী শেখ হাসিনার কঠোর নজড়ধারিতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। তিনি নিজেই এখন সবকিছু দেখাশোনা করেন। যখন যে সমস্যার সৃষ্টি হয়, তার সমাধান দেন দ্রুত সময়ে। ফলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বলে যে একটি কথার প্রচলন ছিল, তা আর নেই। দেশের সবখানেই বিদ্যুত পৌঁছে গেছে। বলা চলে বিদ্যুত খাতে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগের কারণেই। 
দেশের গর্বিত নাগরিকরা এখন এমআরপি বা ডিজিটাল পাসপোর্ট নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ করেন। অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ এখন শতকরা ৪০ ভাগ এবং এর গতি ঊর্ধ্বমুখী। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান, সমুদ্রসীমা বিজয় আর গতিময় পররাষ্ট্রনীতির সুফলে বাংলাদেশ আজ অর্থনীতির পরাশক্তিগুলোর বিশেষ দৃষ্টি পাচ্ছে। অর্থনীতির সবগুলো সূচকেই ভালো করছে বাংলাদেশ। দেশ স্বাধীন হবার পরপরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে উদ্যোগগুলো হাতে নিয়েছিলেন, সেগুলো আজ বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। বাংলাদেশকে সঠিক ও গতিশীল নেতৃত্ব প্রদান ও উন্নয়নের কাণেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সন্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন। সবশেষে বলতে হয় বঙ্গবন্ধুর কারণেই আজকের বাংলাদেশ, আজকের বিশাল অর্থনীতি, বিশ্বে মাথা উঁচুকরে আমাদের এগিয়ে চলা। 
লেখক : সাবেক সভাপতি বিজিএমইএ, সভাপতি ইএবি, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও খুলনার কৃতি সন্তান। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ








সমাজ ও গ্রন্থাগার

সমাজ ও গ্রন্থাগার

০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০০:০০


জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ

জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ

১০ জানুয়ারী, ২০১৮ ০০:২৩

এই ছবিটি যেন ‘বিরল’ হয়ে না থাকে

এই ছবিটি যেন ‘বিরল’ হয়ে না থাকে

২১ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ব্রেকিং নিউজ

খুলনায় ৫ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

খুলনায় ৫ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:০২