খুলনা | বৃহস্পতিবার | ৩০ জানুয়ারী ২০২০ | ১৬ মাঘ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

লাখ টাকার চিকিৎসাসেবা বিনামূল্যে মিলছে শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ০১:৩৭:০০

কার্ডিয়াক, কিডনী, বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী, নিউরো প্রভৃতি চিকিৎসাসেবা গরীব অসহায় মানুষের সাধ্যের বাহিরে। তার ওপরে আবার মুমূর্ষু রোগীর জন্য আইসিইউ সাপোর্টের প্রয়োজন হলে মরার ওপরে খড়ার ঘাঁ। বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকে ভর্তি করে এ সকল রোগের চিকিৎসা করানো সাধারণ গরীব মানুষের পক্ষে আদৌ সম্ভব নয়।
খুলনাসহ দক্ষিণা অঞ্চলের গরীব অসহায় সাধারণ মানুষের জন্য শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসাপাতালের ফ্রি চিকিৎসা সেবার সাথে চলতি বছরের গত ১ ফেব্র“য়ারি যোগ হলো আইসিইউ এবং বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী চিকিৎসাসেবা। লাখ টাকা খরচের এসকল চিকিৎসা সেবা এখানে একেবারে ফ্রিতেই পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।  
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, খুলনায় বেসরকারি হাসপাতালে একজন রোগীর ২৪ ঘন্টার জন্য আইসিইউ সাপোর্ট পেতে তার স্বজনদের গুণতে হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। কোন কোন রোগির ক্ষেত্রে আইসিইউতে ৮/১০ দিনও রাখতে হয়। সে ক্ষেত্রে গরীব অসহায় পরিবারের স্বজনরা টাকা যোগান দিতে ব্যর্থ হয়ে অনেক সময় হার মেনে নেন। কিন্তু শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে আইসিইউ সেবা নিতে কোন টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে না। অসহায় গরীব মানুষের জন্য সরকারি এ সুবিধা খুলনাবাসীর জন্য আশির্বাদ স্বরূপ বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।  
গতকাল শনিবার হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১০ বেড নিয়ে উদ্বোধনের পর ৫ জন রোগী আইসিইউতে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়িতে গেছেন, ২ জনের মৃত্যু হয়েছে ও অপর একজন রোগী এখনো ভর্তি আছেন। এছাড়া উদ্বোধনের পর থেকে হাসপাতালের ২০ বেডের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইউনিটে ১২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, এরমধ্যে ৪ জন সুস্থ হয়ে রিলিজ পেয়েছেন এবং বাকী ৮ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ব্যয়বহুল এ চিকিৎসাসেবা বিনামূল্যে পেয়ে খুশি চিকিৎসাধীন রোগীৗর স্বজনরা। গত পহেলা ফেব্র“য়ারি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোঃ নাসিম শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালের এ দু’টি ইউনিট উদ্বোধন করেন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বিধান চন্দ্র গোস্বামী বলেন, আইসিইউ’র জন্য অক্সিজেন, সাকার মেশিন, ভেন্টিলেটর, কার্ডিয়াক মনিটরসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিপূর্ণ রয়েছে।  বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইউনিটেও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র রয়েছে। এ দু’টি ইউনিটে চিকিৎসক ও নার্স সঙ্কট নেই। শুধুমাত্র ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী সংকট রয়েছে, যা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবগত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিনামূল্যে এ ধরণের চিকিৎসা সেবা পাওয়াটা খুলনা অঞ্চলের মানুষের জন্য আর্শিবাদ স্বরূপ।

 

 

বার পঠিত

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ










পেটে গ্যাস? সময় থাকতে সর্তক হোন

পেটে গ্যাস? সময় থাকতে সর্তক হোন

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০




ব্রেকিং নিউজ










সরস্বতী পূজা আজ  

সরস্বতী পূজা আজ  

৩০ জানুয়ারী, ২০২০ ০০:৩৪