খুলনা | শুক্রবার | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

মিঠু হত্যাকান্ডে নিজের নাম আসায় ড. মামুনের বিস্ময়

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ৩১ মে, ২০১৭ ০০:২০:০০

জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলাউদ্দিন মিঠু ও তার দেহরক্ষী নওশের আলী হত্যাকান্ডে গ্রেফতারকৃতদের জবানবন্দীতে লন্ডন প্রবাসী বিএনপি নেতা ড. মামুন রহমানের নাম আসায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার লন্ডন থেকে টেলিফোনে ‘প্রথম সময়’ নামের অনলাইন নিউজপোর্টালের সাথে আলাপকালে তিনি এর প্রতিবাদ জানান। তিনি জানান, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। ডক্টর মামুন অভিযোগ করেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী হিসেবে আমার নাম আলোচিত হওয়ার কারনে আওয়ামী লীগ প্রশাসনের সহযোগিতায় এই ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি আরও বলেন, খুলনা জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন মিঠুর সাথে আমার বরাবরই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এর আগে উপজেলা নির্বাচনে তার পক্ষে আমি প্রচারণায় ব্যাপক অংশগ্রহণ করি। এটা জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দও জানেন। আমার জানা মতে, আগামী জাতীয় নির্বাচনে মিঠু দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন না। সে আগামীতেও উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন বলে আমাকে জানিয়ে ছিলেন।
ডক্টর মামুন বলেন, আমি বিগত ৪৮ বছর ধরে লন্ডনে বসবাস করছি। লন্ডনের সহিষ্ণু সামাজিক ও রাজনীতিক পরিবেশের সাথে বেড়ে উঠেছি। আমি আমার এলাকার জনগণের সাথে সম্পৃক্ত থাকার জন্য বছরে ২/৩ বার বাংলাদেশে আসি। এ সময় আমি আমার খরচের জন্য সীমিত টাকা নিয়ে আসি। কিন্তু মিঠু হত্যাকান্ডে আমি ৩০ লাখ টাকা দিয়েছি উল্লেখ করে খুলনা প্রশাসন যে বক্তব্য রেখেছেন তা যদি প্রমাণ করতে পারেন তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দিয়ে আইনের কাছে নিজেকে সোপর্দ করবো। যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নিবো।
তিনি আরো বলেন, ফুলতলা উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আকরাম হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ও মিঠু হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত শিমুল ভূঁইয়াকে আমি কখনো দেখিনি। কিংবা চিনিও না।
ড. মামুন গ্রেফতারকৃত ফুলতলা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব হাসনাত রিজভী মার্শালের ১৬৪ ধারা জবানবন্দী প্রসঙ্গে বলেন, প্রশাসনের চাপে অনেক কথাই বলানো সম্ভব। পুলিশ জবরদস্তিমূলক এই জবানবন্দী আদায় করেছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

 

বার পঠিত

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ




সহিংসতা অব্যাহত

সহিংসতা অব্যাহত

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:৪০










ব্রেকিং নিউজ