খুলনা | সোমবার | ২২ জুলাই ২০১৯ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৬ |

শিরোনাম :
খুলনায় ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত ২১ রোগী শনাক্তপ্রিয়ার বিরুদ্ধে খুলনা যশোরসহ ৪ জেলায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ছয়টি আবেদন খারিজযশোরসহ ৪ জেলার মাত্র একজন বিচারকের হাতে ১৭শ’ ৭০ মামলা : স্টাফ মাত্র দু’জনখুলনার বৃক্ষমেলায় দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে এ্যাডেনিয়াম ফুল গাছ‘আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগের আগে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর’প্লাটিনাম জুট মিলের চারটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা জীবনের ঝুঁকিতে শ্রমিক পরিবারের সদস্যরারাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কূটনীতি একসঙ্গে অনুসরণ করুন : রাষ্ট্রদূতদের প্রধানমন্ত্রীপ্রি-একনেকে অনুমোদনের পর কেটেছে ১০ মাস, একনেকে ওঠেনি শের-এ বাংলা রোড চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প

Shomoyer Khobor

খুলনার আদালতে ব্রিটিশ জামানায় রাজসাক্ষী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাজী মোতাহার রহমান | প্রকাশিত ০৮ মে, ২০১৭ ০০:৪৬:০০

ভারত জুড়ে ব্রিটিশ শাসন। কবি হিসেবে তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। সুনাম-সুখ্যাতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৯০৫ সালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ব্রিটিশের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে চাঙ্গা করতে লিখলেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।’ গানটি ভারতবাসীর মুখেমুখে। ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়লেন কবিগুরু। তাকে হেনাস্থ করায় সরকারি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। হয়রানি হতে লাগলেন নানা ভাবে।
কবিগুরু খুলনায় এসেছিলেন ১৯০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে, একটি মামলার সাক্ষ্য দিতে। (রবী জীবনী, ষষ্ঠ খন্ড, রচনায় প্রশান্ত কুমার পাল) ১৯০৮ সালের ৩১ জুলাই খুলনার সেনহাটী স্কুলের শিক্ষক হীরালাল সেন গুপ্ত প্রণীত হুঙ্কার নামের একটি গীতি পুস্তিকা প্রকাশিত হয়। বেঙ্গল লাইব্রেরীর ক্যাটালক অনুসারে বইটির প্রকাশকাল ৩১ জুলাই। প্রবাসী পত্রিকায় পুস্তকটির সমালোচনা প্রকাশিত হয়। এতে বঙ্কিম চন্দ্রের বন্দেমাতরম ও রবী ঠাকুরের বাংলার মাটি বাংলার জল গান দু’টি সংযোজিত হয়। ব্রিটিশ শাসিত ভারত সরকারের বিরোধিতার কারণে হুঙ্কার নামক গীতি পুস্তিকাটি বাজেয়াপ্ত এবং লেখককে গ্রেফতার করা হয়। এই বইটি কবিগুরুর নামে উৎসর্গ করা হয়, কবি তা জানতেন না। এ মামলায় রবীন্দ্রনাথকে জড়ালে হিতে বিপরীত হতে পারে সে কারণে কবিকে সাক্ষী করা হয়। কালীপদ রায় ‘খুলনার ফৌজদারী আদালতে একটি স্বদেশী মামলায় ভারত সরকারের পক্ষে সাক্ষী রবীন্দ্রনাথ শীর্ষক প্রবন্ধে প্রকাশিত হয়। (লালমাটি, পৌষ ১৩৮৫ সাল) এ মামলার অন্যতম আসামি শিক্ষক লেখন হিরালাল সেন। সরকার পক্ষের প্রধান সাক্ষী হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। (রবীন্দ্রনাথ ও বিপ্লবী সমাজ রচিত চিন্ময় সোহানবীশ, ১৩৯২)। যথারীতি সরকারি সমন পেয়ে ১৩১৫ সালের ১৬ অগ্রহায়ণ কলকাতা থেকে রওনা হয়ে ১৮ অগ্রহায়ণ খুলনায় পৌঁছান। ১৯ অগ্রহায়ণ তিনি খুলনার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাক্ষী দেন। কবিগুরু ভারত সরকারের পক্ষে সাক্ষী দেননি। এই লেখনির জন্য আদালত লেখক হীরালাল সেনের ১৮ মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। কলকাতা জোড়াসাঁকোর জমিদার পরিবারে ক্যাশ বইতে উল্লেখ আছে রবীন্দ্রনাথের খুলনায় যাতায়াত খরচ ১৬ টাকা।

 

বার পঠিত

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


ভারত ভ্রমণে নয় দিন

ভারত ভ্রমণে নয় দিন

০৮ মে, ২০১৯ ০০:৫৯

হাতে হাত রেখে গড়বো খুলনা

হাতে হাত রেখে গড়বো খুলনা

২৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:১৬


গ্রন্থাগার সভ্যতা ও সংস্কৃতির ফসল

গ্রন্থাগার সভ্যতা ও সংস্কৃতির ফসল

০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ০০:১০




বঙ্গবন্ধুই আমার প্রেরণা 

বঙ্গবন্ধুই আমার প্রেরণা 

১৫ অগাস্ট, ২০১৮ ০০:৫০





ব্রেকিং নিউজ