খুলনা | রবিবার | ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

অনিয়মের অভিযোগে খুমেক হাসপাতালে দুদকের অভিযান

অবৈধ কফিন কারখানার সন্ধান, চিকিৎসকের রুমে বেসরকারি ডায়াগনস্টিকের প্যাড ও স্লিপ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ২১ জানুয়ারী, ২০২০ ০০:২৩:০০

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ ঘরের পাশে অবৈধভাবে কফিন ব্যবসা করছে আউট সোর্সিং ক্লিনাররা। কাঠ দিয়ে নিজেরাই তৈরি করেছেন কফিন তৈরির ঘর। সেখানেই কফিন তৈরি করে উচ্চ দামে তা বিক্রি করতেন লাশের স্বজনের কাছে।
একই সাথে দুদকের অভিযানে হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকের রুম (২১২ এবং ২১০ নম্বর) থেকে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাড ও প্যাথলজি স্লিপ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া হাসপাতালের ইনডোরের বাইরেরও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের ডাক্তাররা পরীক্ষা করতে পাঠাতেন, তারও প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি। 
দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাওন মিয়া জানান, হাসপাতালের অবৈধ কফিন কারখানার সন্ধান পেয়েছি। হাসপাতালের মর্গের পাশে অবৈধ কফিন কারখানা করেছে দু’টি ঘরে। তারা একটি ঘরে কফিন তৈরি, অন্যটি গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করছে। এখানে জানতে পেরেছি তারা অবৈধভাবে কফিন তৈরি করে বিক্রি করছে। যারা লাশ নিতে আসেন, তাদের কাছে জোর করে কফিন বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। কারখানাটি আউটসোর্সিংয়ের একজন সুইপার মোঃ জাহাঙ্গীরের নিয়ন্ত্রণে। যে সময়ে তার হাসপাতালের ক্লিনিং করার কথা, সেই সময় সে কফিন তৈরির কাজ করছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালকের কাছে তাকে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। বহিষ্কারের পাশাপাশি কারখানাটি বন্ধ করে দিবেন বলে জানিয়েছেন পরিচালক।   
দুদকের সহকারী পরিচালক আরো জানান, নিয়ন্ত্রণহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাসপাতালে সুযোগ-সুবিধা থাকা স সত্ত্বেও মূলত দায়িত্বরত চিকিৎসকরা রোগীদেরকে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের পাঠাচ্ছেন এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় হাসপাতালের অভ্যন্তরে ভ্রাম্যমাণ এক্স-রে, ইসিজি মেশিন নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল ও ওষুধের দোকানের প্রতিনিধিদের সক্রিয় দেখা গেছে। অধিক টাকার বিনিময়ে বাইরের ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা-নীরিক্ষায় আর্থিক ক্ষতি ও ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগীদের। হাসপাতালে দু’জন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। বহির্বিভাগের ২১০ নম্বর এবং ২১২ নম্বর রুমে কর্তব্যরত দু’জন চিকিৎসকের রুম থেকে বেসরকারি একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের প্যাড ও প্যাথলজি স্লিপ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানান অভিযান পরিচালনাকারী টিমের প্রধান। অভিযানকালে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল উপস্থিত ছিলেন। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ




খুলনায় জমে উঠেছে প্রাণের মেলা  

খুলনায় জমে উঠেছে প্রাণের মেলা  

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৪৯




দীর্ঘ ১৬ দিন পর সচল হলো বশেমুরবিপ্রবি 

দীর্ঘ ১৬ দিন পর সচল হলো বশেমুরবিপ্রবি 

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৪৭






ব্রেকিং নিউজ




খুলনায় জমে উঠেছে প্রাণের মেলা  

খুলনায় জমে উঠেছে প্রাণের মেলা  

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৪৯




দীর্ঘ ১৬ দিন পর সচল হলো বশেমুরবিপ্রবি 

দীর্ঘ ১৬ দিন পর সচল হলো বশেমুরবিপ্রবি 

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৪৭



মাতৃভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু 

মাতৃভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু 

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৪৪

ভাষা আন্দোলনের দাবি আজও পূরণ হয়নি

ভাষা আন্দোলনের দাবি আজও পূরণ হয়নি

২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০১:৩৯