খুলনা | মঙ্গলবার | ২১ জানুয়ারী ২০২০ | ৮ মাঘ ১৪২৬ |

শিরোনাম :

Shomoyer Khobor

মোংলায় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান

সিএস খতিয়ান দেখে এ অঞ্চলের নদী-খাল রক্ষা করা হবে

মোংলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১৪ জানুয়ারী, ২০২০ ০০:৪৬:০০

সিএস খতিয়ান দেখে এ অঞ্চলের নদী-খাল রক্ষা করা হবে

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, দেশের নদ-নদী দূষণ, নদী দখল রোধ ও নদী, খাল রক্ষায় কঠোরভাবে কাজ করছে সরকার। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় নদ রক্ষায় আমাদের সমুদ্র বন্দর ও ওয়াল্ড হেরিটেজ সুন্দরবনের কথা চিন্তা করতে হবে। বনজ সম্পদ ও জীব বৈচিত্র রক্ষা এবং রামপালের তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের কথা মাথায় রেখে এ অঞ্চলের নদীগুলো রক্ষা করতে মাঠে নেমেছে সরকারের প্রশাসনিক দল। এখানকার নদীগুলো দখল ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সে জন্য এ সকল নদী ও খাল রক্ষায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে সহায়তা করতে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। 
তিনি বলেন, সুন্দরবনের মধ্যে প্রায় ৪৫০টি শাখা খাল রয়েছে। মানুষের অপব্যাহারের কারনে তা ধ্বংস হচ্ছে এবং পলি পড়ে অধিকাংশ খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও সমুদ্র বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট মোংলা-রামপালে ঘশিয়াখালী সংলগ্ন ৮৩টি খাল ও তার শাখা খালগুলোর এখনও পুনঃ খনন কাজ সম্পন্ন হয়নি। সরকারের নিদের্শনা মোতাবেক পুরনো খতিয়ার অনুযায়ী খুব শিগগিরই তা দখল ও অবমুক্ত করা হবে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলা বন্দর এলাকায় নদী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। 
নদী পরিদর্শন শেষে তিনি বন্দর চেয়ারম্যানের সাথে তার সভা কক্ষে এক আলোচনা সভায় মিলিত হন। এ সময় কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন,উপ-পরিচালক আখতারুজ্জামান তালুকদার, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মোজাম্মেল হক, বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য অর্থ (যুগ্ম-সচিব) ইয়াসমিন আফসানা, পরিচালক প্রশাসন মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুল কবির, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান, সহকারী কমিশনার ভূমি নয়ন কুমার রাজবংশীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 
সভায় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মোজাম্মেল হক বলেন, পশুর নদী ও ঘশিয়াখালী চ্যানেলে ড্রেজিং এর মাধ্যমে খনন কাজ হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় এখনও খনন কাজ চলছে। মোংলা-রামপাল এলাকায় যতগুলো নদী ও খাল রয়েছে, এগুলো এ অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি আশির্বাদ। নদী খননের ফলে পানীর অববাহিকা বজায় থাকবে, একই সাথে পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্যও রক্ষা পাবে। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



৫১ বোতল ফেন্সিডিলসহ  একজন গ্রেফতার

৫১ বোতল ফেন্সিডিলসহ  একজন গ্রেফতার

২১ জানুয়ারী, ২০২০ ০০:৫২











ব্রেকিং নিউজ



৫১ বোতল ফেন্সিডিলসহ  একজন গ্রেফতার

৫১ বোতল ফেন্সিডিলসহ  একজন গ্রেফতার

২১ জানুয়ারী, ২০২০ ০০:৫২







খসড়া তালিকায় ভোটার  ১০ কোটি ৯৬ লাখ

খসড়া তালিকায় ভোটার  ১০ কোটি ৯৬ লাখ

২১ জানুয়ারী, ২০২০ ০০:৪০