খুলনা | শনিবার | ১৮ জানুয়ারী ২০২০ | ৫ মাঘ ১৪২৬ |

Shomoyer Khobor

মন্ত্রী-এমপিদের ভোটের প্রচার বন্ধে পরিপত্র চান ইসি : মাহবুব তালুকদার

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৪ জানুয়ারী, ২০২০ ০০:৩৪:০০

ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনের প্রচার কাজে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ বন্ধে পরিপত্র জারির দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তিনি গতকাল সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) দেওয়া এক চিঠিতে এই দাবি করেন। আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সাংসদেরা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। সাংসদেরা নির্বাচন সমন্বয়ের কাজও করতে পারবেন না বলে তিনি জানান।
গত শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন। ওই দিনই আ’লীগের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সিইসি ও কমিশনারদের বৈঠক হয়। তারপর এসব বলেন সিইসি। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের জন্য আ’লীগের দুই জ্যেষ্ঠ নেতা তোফায়েল আহমেদ ও আমির হোসেন আমু সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
গতকাল এক চিঠিতে মাহবুব তালুকদার বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে মাননীয় সংসদ সদস্যগণ অংশগ্রহণ করছেন বলে বিগত ৯ জানুয়ারি আমি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলাম। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিয়ে আমার সেই উদ্বেগ বর্তমানে আরও ঘনীভূত হয়েছে। কারণ গত কয়েক দিনে বিধিমালা নিয়ে নানা প্রকার বিভ্রান্তি লক্ষ করা যাচ্ছে। মাহবুব তালুকদার বলেন, আমি মনে করি, বিদ্যমান আচরণবিধি অনুযায়ী নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো কমিটিতে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। এই নির্বাচনী কার্যক্রম ঘরে বা বাইরে যে কোনো স্থানে হতে পারে। এ বিষয়ে আচরণ বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধান অত্যন্ত সুস্পষ্ট। সর্বাধিক দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, এই বিধিমালা যারা প্রণয়ন করেছেন, তারাই এখন এর বিরোধিতা করছেন।
নির্বাচন কমিশনার মাহবুব বলেন, আচরণ বিধিমালা সম্পর্কে যাতে কোনো প্রকার বিভ্রান্তির অবকাশ না থাকে, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনাসহ একটি পরিপত্র জারি করা অত্যাবশ্যক। নইলে এ সকল বিভ্রান্তি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।চিঠিতে মাহবুব তালুকদার বলেন, আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে পরিপালন নিশ্চিত করতে না পারলে নির্বাচন কমিশন আস্থার সংকটে পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ