খুলনা | বুধবার | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১১ আশ্বিন ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

ভারতের সাবেক স্পিকার সোমনাথ চ্যাটার্জি আর নেই

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৪ অগাস্ট, ২০১৮ ০০:১৯:০০

ভারতের লোকসভার সাবেক স্পিকার ও প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা সোমনাথ চ্যাটার্জি (৮৯) আর নেই। সোমবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান ইউপিএ (সংযুক্ত প্রগতিশীল মোর্চা) সরকারের সাবেক এই স্পিকার।
ভারতীয় গণমাধ্যম দি ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কিডনির জটিলতা নিয়ে কয়েক দিন আগেই সোমনাথ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত রবিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর অবস্থার অবনতি হতে থাকে।
গত জুনে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পর সোমনাথকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা নিয়ে তখন তিনি বেশ সুস্থ হন। ১০ আগস্ট আবার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে ফের কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা। হাসপাতালে তাঁর ডায়ালাইসিস চলছিল। এর মধ্যে রবিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাঁর পরই তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছিল। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন। ১২ সদস্যের একটি চিকিৎসক দল তাঁর চিকিৎসা করছিলেন। এর মধ্যেই আজ সকাল সোয়া ৮টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সোমনাথ।  
সোমনাথ চ্যাটার্জি ১০ বার ভারতের লোকসভার সদস্য ছিলেন। তিনি ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত লোকসভার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ড. মনমোহন সিং। এ সময় সংসদে কংগ্রেসকে সরকার গঠনে সমর্থন দিয়েছিল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) বা সিপিআই (এম)। একপর্যায়ে ভারত-মার্কিন পারমাণবিক চুক্তিকে কেন্দ্র করে কমিউনিস্টদের সঙ্গে কংগ্রেসের ব্যাপক মতপার্থক্য দেখা দেয়। এর জের ধরে সিপিআই-এম ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সরকার থেকে নিজেদের সমর্থন সরিয়ে নেয়। তখন সিপিআই-এমের পক্ষ থেকে স্পিকার সোমনাথ চ্যাটার্জিকেও পদত্যাগ করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি পার্টির নির্দেশ অমান্য করে স্পিকারের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন। পার্টির নির্দেশ অমান্য করায় সিপিআই-এম তখন দলের প্রবীণ নেতা সোমনাথ চ্যাটার্জিকে বহিষ্কার করে। স্পিকারের দায়িত্ব পালন শেষে তিনি অবসর জীবনেই ছিলেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন না।
সোমনাথ চ্যাটার্জির জন্ম ১৯২৯ সালে আসামের তেজপুরে। তাঁর বাবা ব্যারিস্টার নির্মল চন্দ্র চ্যাটার্জিও ছিলেন পার্লামেন্টারিয়ান। তিনি পড়াশোনা করেছেন কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন, প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনার পর কলকাতা হাইকোর্টে কাজ শুরু করেন। তিনি ১৯৬৮ সালে সিপিআই-এমে যোগ দেন, ২০০৮ সাল পর্যন্ত এই দলেই ছিলেন। ১৯৭১ সালে প্রথম লোকসভা সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি দলের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ











ভারতে তিন তালাক দিলে  জেল জরিমানা হবে

ভারতে তিন তালাক দিলে  জেল জরিমানা হবে

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



ব্রেকিং নিউজ












তৃতীয় ফাইনাল নাকি স্বপ্ন ভঙ্গ

তৃতীয় ফাইনাল নাকি স্বপ্ন ভঙ্গ

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫৫