খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৮ অক্টোবর ২০১৮ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

সেনাবাহিনীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ 

দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের ওপর  আস্থাশীল হতে হবে

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ২৩ জুলাই, ২০১৮ ০১:০৯:০০


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রেখে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় যোগ্য, দক্ষ, কর্মক্ষম ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের ওপর আস্থাশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী সেনাবাহিনী দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সুসংহতকরণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। যাঁরা সুশিক্ষিত, কর্মক্ষম, সচেতন, বুদ্ধিমান এবং সর্বোপরি গণতন্ত্রকে সুসংহত করার জন্য দৃঢ়প্রত্যয়ের অধিকারী, এরূপ যোগ্য কর্মকর্তাদের কাছে নেতৃত্ব ন্যস্ত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ ২০১৮’-এ প্রদত্ত ভাষণে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদের কথা স্মরণ করেন।
আদর্শগত ভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সামরিক বাহিনীর জন্য অত্যন্ত মৌলিক এবং মুখ্য বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সব সময় লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব ন্যস্ত হয় তাঁদেরই হাতে, যাঁরা দেশপ্রেমিক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী।’
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মোঃ নজিবুর রহমান, প্রতিরক্ষা সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজুর রহমান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ও মেজর জেনারেল পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে সেনাবাহিনীর অফিসারদের পদোন্নতির জন্য “টার্বুলেটেড রেকর্ড এ্যান্ড কমপারেটিভ ইভালুয়েশন (টিআরএসিই)”-এর মতো একটি আধুনিক পদ্ধতির প্রচলন করা হয়েছে, যা পেশাগত দক্ষতার বিভিন্ন দিকের তুলনামূলক মূল্যায়ন প্রকাশ করে।’
উপযুক্ত ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমেই যেকোনো বিজয় বা সাফল্য অর্জন সম্ভব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব কর্মকর্তা সামরিক জীবনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যোগ্য নেতৃত্ব দিতে সফল হয়েছেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে তাঁদেরকে বিবেচনায় আনতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের শিক্ষা, মনোভাব, সামাজিকতা, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিরীক্ষা করেই পদোন্নতি দিতে হবে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে উন্নত পেশাগত মান ও যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের অবশ্যই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
পদোন্নতির ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্যের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য ট্রেইস (ঞধনঁষধঃবফ জবপড়ৎফ ধহফ ঈড়সঢ়ধৎধঃরাব ঊাধষঁধঃরড়হ) পদ্ধতি প্রচলন করা হয়েছে, যা পেশাগত দক্ষতার বিভিন্ন দিকের তুলনামূলক মূল্যায়ন প্রকাশ করে। নির্বাচনী পর্ষদ উপযুক্ত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করবেন বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
সেনাবাহিনীর যেসব জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পর্ষদে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের উপর আস্থা রেখে শেখ হাসিনা বলেন, “ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে আপনারা ন্যায়-নীতির ভিত্তিতে উপযুক্ত নেতৃত্ব নির্বাচনে সর্বোতভাবে সফল হবেন।” শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না। তবে, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার সামর্থ্য আমাদের থাকতে হবে।’
রোহিঙ্গা সঙ্কটে সেনাবাহিনীর কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের সহায়তায় সেনাবাহিনী অত্যন্ত প্রশংসার সাথে কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করছে।” সূত্র বাসস ও প্রথম আলো।


 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



আইয়ুব বাচ্চুর যতো অ্যালবাম

আইয়ুব বাচ্চুর যতো অ্যালবাম

১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ১৩:৩২





সক্ষমতা সূচকে পেছালো বাংলাদেশ

সক্ষমতা সূচকে পেছালো বাংলাদেশ

১৭ অক্টোবর, ২০১৮ ১৩:৪৪






ব্রেকিং নিউজ











শারদীয় দুর্গোৎসবের  আজ মহানবমী

শারদীয় দুর্গোৎসবের  আজ মহানবমী

১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:৪৯