খুলনা | শনিবার | ১৮ অগাস্ট ২০১৮ | ২ ভাদ্র ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

নগরীর মন্নুজান স্কুল রোড সংস্কারে জনদুর্ভোগ লাঘব

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত ১৯ জুলাই, ২০১৮ ০২:৩০:০০

নগরীর মন্নুজান স্কুল রোড সংস্কারে জনদুর্ভোগ লাঘব


সড়কের তদারকী সংস্থাকে? সেটা বড় কথা নয়, স্বদিচ্ছা থাকলে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো সংস্কার করা সম্ভব বলে মন্তব্য মন্নুজান স্কুল রোডের দু’পাশের বাসিন্দাদের। দীর্ঘ দুর্ভোগের পর গণপূর্ত-২ বিভাগের এ সড়কটি সংস্কার করেছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)। তিনটি স্কুল, খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতাল বিভাগীয় হিসাব রক্ষক কার্যালয়, আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কমিশন এবং দুদক কার্যালয়ে যাতায়াতকারীদের জনদুর্ভোগ লাঘব হলো। এছাড়া নগরীর উত্তরাংশের বাসিন্দাসহ যশোর, নড়াইলসহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক রোগী এ সড়ক দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাতায়াত করেন।
সংশ্লি¬ষ্ট সূত্রমতে, স্বাধীনতা পূর্বকাল থেকে আরসিসি’র (ঢালাই) এ সড়কটির তদারকী সংস্থা গণপূর্ত-২। সেই থেকে সংস্কার অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার এ সড়কটি। ২০০৪ সালের সর্বপ্রথমবার সড়কটি সংস্কার করেছিল কেসিসি। তারপর মাত্র সংস্কারের নামে অর্থ তুলে নেয় তদারক সংস্থাটি। সেই থেকে জনগুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ততম এ বাইলাইনটির জরাজীর্ণতা শুরু। হালকা বৃষ্টির পানিবদ্ধ হয়ে থাকতো মাসের পর মাস। খুলনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, বিডব্লি¬উডি সরকারি প্রাথমিক ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া তো খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতাল, বিভাগীয় হিসাব রক্ষক কার্যালয়, আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয়ে যাতায়াতকারীরা ছিলেন চরম কষ্টে। এছাড়া শহরের উত্তরাংশের বাসিন্দাসহ যশোর, নড়াইলসহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক রোগী এ সড়ক দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাতায়াত করতো যন্ত্রণায়।
কেসিসি’র প্যানেল মেয়র-১ স্থানীয় কাউন্সিলর মোঃ আনিসুর রহমান বিশ্বাষ বললেন, “রাস্তাটি গণপুর্ত-২ এর। তাদের সংস্কার ও তদারকীর অভাবে দীর্ঘদিন রাস্তাটি দাবি করছে কেসিসি। হস্তান্তর জটিলতা ও অনিচ্ছার কারণে সংস্থাটি দেয়নি। আবার সংস্কার না করায় বিপুল সংখ্যক যাতায়াতকারীর ব্যাপক জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় সড়কটি। পরে আমি মেয়র ইনচার্জ থাকাকালে জনগুরুত্বের বিবেচনায় সংস্কারের উদ্যোগ নেয় কেসিসি। প্রায় ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে লোয়ার যশোর রোড থেকে ডায়াবেটিক হাসপাতাল মূল ফটক পর্যন্ত অন্তত দুইশ’ ফুট দৈর্ঘ্য সড়কটির মধ্যে রডসহ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে, ২০০৪ সালে পিস দেয়া হয়েছিল, যা পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। এ সড়কটিতে যদি ট্রাক প্রবেশ না করেন তাহলে দীর্ঘদিন স্থায়ী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ সড়কটিতে ট্রাকসহ ভারী যানবাহন প্রবেশ ও পার্কিং রোধে গণপূর্ত-২ ও কেএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
স্থানীয় চায়ের দোকানী মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন, “কয়েক বছর পর কাদা-মাটি মুক্ত হলো রাস্তাটা। এখন যাতে বেশিদিন রাস্তাটা ভাল থাকে সেদিকে সবাই নজর রাখুক সেটাই দাবি তার।”
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ