খুলনা | সোমবার | ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে  দলীয় নেতৃত্ব ও নির্বাচন থেকে সরাতে  সরকার ষড়যন্ত্র করছে : ফখরুল

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৬ জুলাই, ২০১৮ ০০:৪১:০০

সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অনৈতিক পথে হাঁটবেন না। সোজা পথে হাঁটুন। কারণ, আপনারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। আপনারা নোংরা কৌশল থেকে বের হয়ে এসে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। গণতন্ত্রের পথে আসুন।
রবিবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলীয় নেতৃত্ব ও নির্বাচন থেকে সরাতে সরকার দলীয় গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। মূলত, বিএনপিকে সবদিক থেকে বেকায়দায় ফেলতে এ অপতৎপরতা শুরু করেছে সরকার। তিনি আরও বলেন, বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারার মতো নির্বাচন কমিশন অনুরূপ একটি ধারা চালু করছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে বিএনপি জানতে পেরেছে। এর উদ্দেশ্য বিএনপি’র নেতৃত্ব থেকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে সরানোর পদক্ষেপ নেওয়া। বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে নির্বাচন করে ক্ষমতা দখল করার জন্য এই অপতৎপরতা শুরু করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁকে সুচিকিৎসা না দেওয়ার প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার বেলা তিনটায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হাঁটু ও শরীরের ব্যথা অত্যন্ত বেড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এ কারণে তিনি হাঁটতে পারছেন না। শনিবার (১৪ জুলাই) খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে গিয়েছিলেন। কিন্তু হাঁটতে না পারার কারণে তিনি তাদের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।
মির্জা ফখরুল বলেন, পরিবারের সদস্যরা কারাগারে দেখা করতে গেলে খালেদা জিয়াকে যে ভবনে রাখা হয়েছে সেই ভবনের নিচে তাদের বসানো হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল তিনি আসবেন। কিন্তু খালেদা জিয়া তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি। কারণ, গত কয়েকদিন ধরে তিনি জ্বরে আক্রান্ত। তার হাঁটু ও শরীরের ব্যথা অত্যন্ত বেড়ে গেছে। আজ প্রায় ১৩ দিন তার সঙ্গে পরিবারসহ কারও দেখা হচ্ছে না।
খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে পরিকল্পনা করা হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চিকিৎসা না দিয়ে তার শারীরিক অসুস্থতা এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যেন তিনি সেখান থেকে আর ফিরে না আসেন। খালেদা জিয়ার জীবন যদি হুমকির মুখে পড়ে তাহলে এর সমস্ত দায়-দায়িত্ব শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে বহন করতে হবে। কোন ধরনের প্রতিহিংসা হলে একজন ৭৩ বছর বয়সী মানুষকে তার চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়? পৃথিবীর কোনও সভ্য দেশে এই ধরনের ব্যবস্থা চলতে পারে না।
কারাবিধি অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে তার সেলের মধ্যে দেখা করার অনুমতি দেওয়ার বিধান আছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, কিন্তু সরকার এগুলোকে কোনও গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা মনে করছেন এখন আমাদের শুভদিন চলছে। কোথাও কোনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে না। সুতরাং যা খুশি তাই করতে পারি। আওয়ামী লীগ এর আগে ’৭৫ সালে একই রকম অবস্থা সৃষ্টি করেছিল। তখন তাদের শুভদিন ছিল। তবে সেই শুভদিন বেশিদিন টিকতে পারেনি। যারা স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ পরিচালনা করে তারা কখনও শুভদিনগুলো শেষ পর্যন্ত ভোগ করতে পারে না।
ফখরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা সংশোধন করেছে বলে ১১ জুলাই সংসদে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য ‘অলীক’, ‘অবাস্তব’। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য একটি গভীর ‘চক্রান্তের’ অংশ। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে গেছে। এটা এখন আর কোনো রাজনৈতিক দল নেই। এ দলের মাঝে আর রাজনীতি বলে কোনো শব্দ অবশিষ্ট নেই। আ’লীগ মনে করেছে, খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ার পর বিএনপি ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় তারা এখন নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ








‘স্যার তো বন্দী’

‘স্যার তো বন্দী’

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:৪৬



নৌকার প্রার্থী ২৭২ আসনে

নৌকার প্রার্থী ২৭২ আসনে

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:২৩



ব্রেকিং নিউজ







খুবি’র শিক্ষক সমিতির  নির্বাচন আজ 

খুবি’র শিক্ষক সমিতির  নির্বাচন আজ 

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:৩৪




বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:৩০