খুলনা | রবিবার | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

বেনাপোল কাস্টমসে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৫ হাজার  ৪৮৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ 

সেলিম রেজা,বেনাপোল   | প্রকাশিত ১৩ জুলাই, ২০১৮ ০১:১১:০০

বেনাপোল কাস্টমসে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৫ হাজার  ৪৮৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের জন্য রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন ৫ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা।যা গত অর্থ বছরের চেয়ে প্রায় ১২শ’ কোটি টাকা বেশি।
বেনাপোল কাস্টমস হাউস সুত্র জানান, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আদায় হয়েছে ৪ হাজার ১৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকার রাজস্ব আয় কম হয়েছে। এ সময় ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ১৮ লাখ ২ হাজার ২৮৪ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের পণ্য।
বেনাপোল সিএ্যান্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে বেনাপোল বন্দরের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি কিন্তু বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, জোর করে মূল্য বৃদ্ধি করায় অধিকাংশ আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর ছেড়ে বিভিন্ন বন্দরে চলে গেছে। অন্যান্য কাস্টমস হাউসের চেয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে আমদানি পণ্যে অতিরিক্ত মূল্যে শুল্কায়নের উচ্চ শুল্কের পণ্য এই পথে আমদানি হচ্ছে না। বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল ও দ্রুত পণ্য খালাসে নানা ধরনের নিয়ম চালু করলেও উচ্চ শুল্কের কোন পণ্য আমদানি হচ্ছে না। 
আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি করা খাদ্য জাতীয়  চকলেট, ফুসকা, ফ্লেবার আমদানি নীতিতে পরীক্ষার কোন নির্দেশনা না থাকলেও বেনাপোলে সব বিসিএসআরআইএ পরীক্ষা করা হচ্ছে। অথচ একই পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পরীক্ষা করা হয় না। ফলে এসব আমদানিকারকরা বোনপোল ছেড়ে চট্টগ্রামে চলে গেছে। তাছাড়া বন্দরে জায়গার অভাবে অনেক পণ্য সময় মত না আসায় ২০/২৫ দিনেও ভারত থেকে পণ্য বেনাপোল বন্দরে পৌঁছে না। এসব সমস্যার সমাধান করতে না পারলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয় বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, বেনাপোল বন্দরে দীর্ঘদিনেও তেমন একটা চোখে পড়ার মত উন্নয়ন হয়নি। যা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে মারাত্মভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এতে এ পথে বাণিজ্যে আগ্রহ হারাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বাণিজ্য বাড়াতে উন্নয়নের বিকল্প নেই।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে গত বছর আমদানি বাড়লেও উচ্চ শুল্কের পণ্য আমদানি কমে গেছে। রাজস্ব আয় বাড়াতে নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ফলে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হবে। বেনাপোল বন্দর পরিচালক  আমিনুল ইসলাম জানান, বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। আমদানি পণ্যের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। বন্দরে অগ্নিকান্ডের ঘটনা এড়াতে কেমিক্যাল ও  রাসায়নিক পণ্য বন্দরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে স্ক্যানিং ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ








খুলনায় বিসিবি’র চারদিনের ম্যাচ ড্র

খুলনায় বিসিবি’র চারদিনের ম্যাচ ড্র

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০১:২৩

আবারও ব্যার্থ আশরাফুল

আবারও ব্যার্থ আশরাফুল

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০১:২৩