খুলনা | রবিবার | ১৮ নভেম্বর ২০১৮ | ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

ঝিকরগাছার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের  বিরুদ্ধে ৪৮ প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ

যশোর প্রতিনিধি | প্রকাশিত ১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:১০:০০

ঝিকরগাছার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের  বিরুদ্ধে ৪৮ প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ

যশোর ঝিকরগাছার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও অফিস সহকারীদের ভুলে এবার তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইইউপি-৩) এর আওতাধীন ‘স্লিপ’র টাকা পাচ্ছে না ১১টি বিদ্যালয়। অন্যদিকে স্লিপের টাকার বিপরীতে ভ্যাট জমা দিলেও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ভ্যাটের নামে জোরপূর্বক নগদ অর্থ আদায়ে নেমেছেন। ঝিকরগাছা উপজেলার ৪৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিক এক পত্রের মাধ্যমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলমকে এ অভিযোগ জানানো হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, ঝিকরগাছা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বেচ্ছাচারিতামূলক আদেশে প্রধান শিক্ষকগন মহাবিপদ ও সংকটময় সময় কাটাচ্ছেন। ২০১৮-১৯ সালের জন্য বিদ্যালয়ে স্লিপের টাকার বিপরীতে ভ্যাট জমা দিয়েও তারা নিস্তার পাচ্ছেন না। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার (ডিপিও) নাম ভাঙিয়ে দ্বিতীয়বার তারা এই টাকা আদায়ে নেমেছেন।
অভিযোগে আরও জানানো হয়, প্রতি বছর তারা স্লিপের ৪০ হাজার টাকা পান এবং এই টাকার একবার ভ্যাট দিয়ে থাকেন। কিন্তু এবারই দুইবার ভ্যাট দিতে হচ্ছে। এতে স্কুল কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা তাদেরকে অবিশ্বাস করতে শুরু করেছেন। এদিকে, যশোর ঝিকরগাছার উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও অফিস সহকারীদের ভুলে ১১টি বিদ্যালয় ‘স্লিপ’র টাকা পাচ্ছে না। ১৭-১৮ অর্থ বছরে প্রাপ্ত স্লিপের টাকার ভ্যাট প্রদানের চালান কপি উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দিয়েছিলেন তারা। কিন্তু তারপরও স্লিপের টাকা আসেনি। একাউন্টসে চালান কপি জমা না হওয়ায় এমনটা হয়েছে বলে মনে করছেন ওইসব বিদ্যালয়ের প্রধানরা।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এর আগে এ্যাডভাঞ্চ বিল আসতো। অর্থাৎ স্লিপের টাকা পাওয়ার পরে মালামাল কিনতে হতো। সে সময় স্লিপের টাকা তোলার সময় প্রধান শিক্ষকগণ ভ্যাট জমা দিতেন। পরে মালামালের ভ্যাট জমা দেয়ার চালান দেখানো লাগতো না। এবার রেগুলার বিল এসেছে। অর্থাৎ মালামাল কেনার পর স্লিপের টাকা। তার মানে স্লিপের টাকার ভ্যাট ও মালামাল কেনার ভ্যাটের চালান কপি একাউন্টসে জমা দিতে হবে। সে জন্য আপাতত দৃষ্টিতে দুইবার ভ্যাট দেখা যাচ্ছে।
নতুন এই নীতিমালার বিষয়ে প্রধান শিক্ষকদের জানানো হয়েছে কিনা এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাদেরকে আগেই ভ্যাট কাটতে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা আমাকে না জানিয়েই ভ্যাট কেটে নিয়েছেন।
স্লিপ’র টাকা না পাওয়া ১১টি বিদ্যালয়ের বিষয়ে তিনি জানান, ওই বিদ্যালয়গুলোও খুব তাড়াতাড়ি স্লিপের টাকা পেয়ে যাবে। ইতোমধ্যেই আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ