খুলনা | সোমবার | ২৩ জুলাই ২০১৮ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

১ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অক্টোবরের শেষে : ইসি সচিব

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১১ জুলাই, ২০১৮ ০১:১৪:০০

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল আগামী অক্টোবরের শেষের দিকে ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সভা শেষে হেলালুদ্দীন আহমদ এ কথা বলেন।
হেলালুদ্দীন বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার আগেই যাতে ৩০০টি আসনের সব ধরনের ভোটার তালিকা এবং ভোটার তালিকার সিডি প্রস্তুত থাকে সেজন্য প্রধান নির্বাচন কমিশন কে এম নুরুর হুদা সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেছেন।’
এর আগেও সচিব অক্টোবরে তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছিলেন। তবে সেটি মাসের শুরুতে নাকি মাঝামাঝি নাকি শেষে, সে কথা জানাননি। অবশ্য এবারও তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ দেননি।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটের পর সরকার শপথ নেয় ১২ জানুয়ারি। আর সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২৯ জানুয়ারি।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন হতে হবে। এই বিধান অনুযায়ী ২৯ নভেম্বর থেকে যে কোনোদিন হতে পারে ভোট।
তবে গত ১২ জানুয়ারি সরকারের চার বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার চলতি বছরের ডিসেম্বরে ভোট দিতে চায়। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা জানুয়ারিকেও হিসাবের বাইরে রাখেননি। কোনো কারণে ডিসেম্বরে ভোট না হলে পরের মাসে ভোট হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আর ভোটের দেড় থেকে দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। আর তফসিলের আগেই ভোটের অন্যান্য সব প্রস্তুতি শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব। তফসিল ঘোষণায় প্রার্থিতা জমা, যাচাই বাছাই, প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ, ভোটের প্রচার শুরুর তারিখ এবং ভোটের তারিখ দেয়া হয়।
সচিব বলেন, ‘হিজড়া জনগোষ্ঠীকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন নির্বাচন কমিশন। যেহেতু বিদ্যমান ভোটার তালিকায় তারা পুরুষ অথবা নারী ভোটার হিসেবে আছেন। এই মুহূর্তে আমরা এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ কিংবা আলাদা কবো না। তবে কেউ যদি আবেদন করে তার আবেদনের পরিপেক্ষিতে আমরা তাদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করব। তবে আগামী বছর থেকে যখন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে তখন থেকেই কিন্তু তাদের তৃতীয় লিংগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’ 
তিনি বলেন, ‘আগামী বছর ১ মার্চ থেকে জাতীয় ভোটার দিবস পালনের জন্য সরকার অনুমোদন করেছে। সেজন্য আগামী বছর থেকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপনের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্দেশনা দিয়েছেন। দিবসটি উদ্যাপনের জন্য জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা এখন থেকেই দিবসটি পালনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন।’
কমিশন সচিব বলেন, দিবসটি পালন করলে জনসাধারণের মধ্যে ভোটাধিকার, নির্বাচন ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হবে।   
ইসি সচিব আরো জানান, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১০টি, সিলেট ও রাজশাহীর দু’টি করে কেন্দ্রে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহার করা হবে। নির্বাচনে চার দিনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ