খুলনা | শুক্রবার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ |

শিক্ষক-কমর্চারীদের আন্দোলন কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে

২৯ জুন, ২০১৮ ০০:১০:০০

শিক্ষক-কমর্চারীদের আন্দোলন কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে

শিক্ষকদের যখন আন্দোলনে নামতে হয় তখন তা দেশের জন্য সুখকর নয়। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এর আগে বিভিন্ন সময়ে বেতন-ভাতার জন্যও রাজপথে আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষকরা। সরকারি হিসাব অনুযায়ী সারাদেশে ৫ হাজার ২৪২টি নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি) এমপিওভুক্তির আওতায় আনতে নন-এমপিও শিক্ষক-কমর্চারী ফেডারেশন আন্দোলন করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত ২৭ দফায় শিক্ষক-কমর্চারীরা এমপিওভুক্তির দাবিতে রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছেন। প্রতিবারেই শিক্ষামন্ত্রীসহ নানা মহলের আশ্বাস নিয়ে তারা বাড়ি ফিরলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সবের্শষ প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতিশ্র“তি দেয়ায় তারা ক্লাসে ফিরে যান। কিন্তু নতুন বাজেটে তাদের বিষয়ে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার কথা থাকলেও এমপিওভুক্তর বাস্তব কোনো পদক্ষেপ নেই। তাই বাধ্য হয়েই ঈদের দিনসহ টানা ১৯ দিন ধরে রাজপথে বসে আন্দোলন করছেন। সর্বশেষ টানা তৃতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন কর্মসূচিতে ৩৫ শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তারা যে কোনও মূল্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্র“তির বাস্তবায়ন চায়। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কেউ তাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। কোনও প্রতিনিধিও পাঠায়নি। তবে  প্রধানমন্ত্রীর পর এবার সংসদে আশার বানী শোনালেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জুলাই থেকে এমপিওতে বরাদ্দের কথা জানিয়েছেন।
২০০৬ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৮ বার আন্দোলন হয়েছে। তবু প্রতিশ্র“তির বাস্তবায়ন নেই। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দু’টি কমিটি করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষকদের বয়স ৩৫ এর কথা বলা হয়েছে। অথচ কোনও কোনও শিক্ষকের চাকুরীর বয়সই ১৫ থেকে ২০। তাহলে তারা কিভাবে এমপিওভুক্ত হবে এমন প্রশ্ন থেকেই যায়? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা ও আলাদা কমিটি গঠন করা হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-কমর্চারীরা। সরকারি হিসাব অনুযায়ী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
আমরা বলতে চাই যে, দেশে শিক্ষার বিস্তার ও অগ্রযাত্রায় নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অবদান অনস্বীকার্য। সারাদেশে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এমনকি কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ভালো ফলাফলও করছে। সঙ্গত কারণেই সংশি¬ষ্টদের এটা আমলে নেয়া দরকার যে, একটি সভ্য দেশে জাতি গঠনের কারিগর শিক্ষকরা কখনো অবহেলিত থাকতে পারেন না। ফলে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে সরকারের দায়িত্বশীলমহল আলোচনা করে একটি সন্তোষজনক সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমনটিই প্রত্যাশিত। সর্বোপরি আমরা বলতে চাই, আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকরাও বলছেন যে, তাদের কাজ ছাত্রদের শিক্ষাদান করা রাজপথে আন্দোলন করা নয়। তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলন করছেন। যেহেতু আন্দোলন চলছে, তাই শিক্ষকদের সঙ্গে সরকার সংশ্লিষ্টদের সংলাপ হওয়া জরুরী এবং তাদের দাবির বিষয়গুলো বিবেচনা করে যত দ্রুত সম্ভব এর সুষ্ঠু সমাধান হোক এমনটিই আমাদের প্রত্যাশা।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


শিশু মৃত্যুর হার রোধে সচেতনতা জরুরী

শিশু মৃত্যুর হার রোধে সচেতনতা জরুরী

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

বিচার প্রক্রিয়ায় গতি আনুন

বিচার প্রক্রিয়ায় গতি আনুন

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করুন

শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করুন

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:১৩

টাইগারদের অভিনন্দন

টাইগারদের অভিনন্দন

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০৫


পশুর উচ্ছিষ্ট কাজে লাগান

পশুর উচ্ছিষ্ট কাজে লাগান

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

মাদক কারবারীরা কি অপ্রতিরোধ্য?

মাদক কারবারীরা কি অপ্রতিরোধ্য?

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

শিশুশ্রম বন্ধে দারিদ্র দূর করতে হবে

শিশুশ্রম বন্ধে দারিদ্র দূর করতে হবে

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



সড়কে সংস্কার কাজ নিশ্চিত করুন

সড়কে সংস্কার কাজ নিশ্চিত করুন

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:১০


ব্রেকিং নিউজ




আজ ১০ মহররম পবিত্র আশুরা 

আজ ১০ মহররম পবিত্র আশুরা 

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫৮

কেসিসিতে আজ ও কাল সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

কেসিসিতে আজ ও কাল সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫৭





খুলনায় সেঞ্চুরিতে নজর কাড়লেন সোহান

খুলনায় সেঞ্চুরিতে নজর কাড়লেন সোহান

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৫০


অভিষেকেই আবু হায়দার রনির চমক

অভিষেকেই আবু হায়দার রনির চমক

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:৪৫