খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

খাদ্য নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে

‘বুল কাফ রিয়ারিং ইউনিট কাম মিনিল্যাব’ স্থাপন প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু

এস এম আমিনুল ইসলাম | প্রকাশিত ২০ জুন, ২০১৮ ০০:৪৭:০০


উন্নতমানের ষাঁড় ও সিমেন তৈরিতে ডুমুরিয়া উপজেলার চক হাসান খালী মৌজায় ৫ একর জমির উপর ‘বুল কাফ রিয়ারিং ইউনিট কাম মিনিল্যাব’ স্থাপন করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। ২৬৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। অবশ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ডিম, দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অনন্য অবদান রাখবে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ সাব সেক্টরের অবদান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ডিম, দুধ ও মাংসের গুরুত্ব অপরিসীম। খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রাণিজ আমিষ বিশেষ করে ডিম, দুধ এবং মাংসের অনেক ঘাটতি রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণে ২৬৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে বুল কাফ রিয়ারিং ইউনিট মিনিল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে উন্নতমানের ষাঁড় ও সিমেন তৈরিতে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর। যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে সম্প্রতি ওই প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। নগরীর রূপসা বাইপাস রোড সংলগ্ন চক হাসান খালী মৌজায় ৫ একর জমির উপর প্রকল্পটি স্থাপন করা হচ্ছে।  
প্রকল্পে রয়েছে অফিস কাম ল্যাব ভবন, বুল কাফ শেড, গ্রোয়িং বুল কাফ শেড, বুল শেড রানসহ, সিমেন কালেকশন সেড, গবাদিপশুর খাদ্য গুদাম, আইসেলেশন শেড, এক্সারসাইজ ইয়ার্ড, বাউন্ডারী ওয়ালসহ ইনটারনাল আরসিসি রোড, ওভারহেড ওয়াটার ট্যাংক এবং পাম্প হাউস ও অবশিষ্টাংশ (ফডার ফিল্ড ও ভবনসমূহের মধ্যবর্তী প্রয়োজনীয় খালী জায়গা) ইত্যাদি। আগামী ২০২০ সালে ডিসেম্বর মাসে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।
প্রকল্প পরিচালক ডাঃ মোঃ বেলাল হোসেন সময়ের খবরকে বলেন, বুল কাফ রিয়ারিং ইউনিট কাম মিনিল্যাবের মাঠ পর্যায়ের কাজ চলছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পর এখানে উন্নতমানের ষাঁড় ও সিমেন তৈরি করা হবে। পরবর্তীতে ওই ষাঁড় ও সিমেন স্বল্পমূল্যে  দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে সরবরাহ করা হবে। অতএব প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ডিম, দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অনন্য অবদান রাখবে। শিশু খাদ্য প্রাপ্তিও নিশ্চিত হবে, মহিলারা গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগী লালন-পালনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি করে জীবন মান উন্নত করতে সহায়ক হবে।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ