খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

গ্রেফতার দুই সন্ত্রাসীর রিমান্ড শুনানী ১৮ জুন

খুমেক হাসপাতালে মৃত ব্যক্তিকে এ্যাম্বুলেন্সে নেয়ার সময় চাঁদাবাজি ও হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক  | প্রকাশিত ১৫ জুন, ২০১৮ ০০:৫৫:০০

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মৃত ব্যক্তিকে এ্যাম্বুলেন্সে নেয়ার সময় চাঁদাবাজি ও মারপিটের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মৃত ব্যক্তির ছেলে বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেছেন (নং ২০)। গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মহানগর হাকিম মোঃ শাহীদুল ইসলাম আসামিদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া রিমান্ড আবেদনের শুনানীর জন্য আগামী ১৮ জুন দিন নির্ধারণ করেন। 
আসামিরা হলো-সোনাডাঙ্গা থানাধীন বয়রা মসজিদ রোডের মোঃ সিদ্দিকের ছেলে মোঃ সাইদুজ্জমান শুকুর (২২) ও ছোট বয়রা মসজিদ রোডের রাজাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া হারুন অর রশিদ শিকদারের ছেলে মোঃ আল আমিন ওরফে কালু (৩০)। 
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলার দরগামহল গ্রামের খন্দকার আছাদুজ্জামান (৬০)কে গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিষধর সাপে কামড় দেয়। তাকে স্বজনরা উদ্ধার করে পাইকগাছা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সকাল ৮টায় এ্যাম্বুলেন্সযোগে হাসপাতালে সাপের কামড়ে অসুস্থ খন্দকার আছাদুজ্জামানকে নিয়ে পৌঁছায় তার ছেলে খন্দকার কামরুজ্জামান। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষে আসাদুজ্জামানকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পিতার লাশ নিয়ে পাইকগাছা থেকে যে এ্যাম্বুলেন্সে খুমেক হাসপাতালে আনা হয়েছিল সেইটাতে করেই রওয়ানা হওয়ার সময় বিপাকে পড়েন মৃতের ছেলে কামরুজ্জমান। ৪/৫ জন যুবক হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে এসে লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্স আটকে দেয়। কারণ জানতে চাইলে ওই যুবকরা বলেন, আমাদের এখান থেকে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়ে লাশ বহন করতে হবে। তা না হলে আড়াই হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে যেতে হবে বলে লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সটি আটকে রাখে তারা। 
এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে মৃত পিতার লাশের সামনেই ওই চাঁদাবাজরা কামরুজ্জমানকে মারপিট শুরু করে। ঘটনাটি দেখে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে প্রতিবাদ জানায়। এ সময় প্রতিবাদকারীদের সাথেও ওই চাঁদাবাজরা চড়াও হলে সাধারণ মানুষের রোষানলে পড়ে তারা। খবর পেয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেফতার করে। এঘটনায় মৃত ব্যক্তির ছেলে খন্দকার কামরুজ্জামান বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেছেন (নং ২০)।
এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মমতাজুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িত বাকী অপরাধীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ