খুলনা | রবিবার | ১৯ অগাস্ট ২০১৮ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ পরিবারের

শহিদ সেলিনা পারভীনের ছেলের  ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৫ জুন, ২০১৮ ০০:১০:০০


রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে শহিদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীনের ছেলে সুমন জাহিদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষী ছিলেন সুমন। এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। তবে শহিদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীনের ছেলে সুমন জাহিদকে সুপরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তার পরিবারের।
বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টায় খিলগাঁও বাগিচা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। নিহতের লাশ কমলাপুর রেলওয়ে থানা থেকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। 
কমলাপুর রেলওয়ে থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনোয়ার হোসেন নিহতের লাশ উদ্ধার করে এর সুরৎহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন। তিনি বলেন, ‘শাহজাহানপুর থানা পুলিশের একজন এসআই-এর ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করি। তার শরীর ও মাথা দুইভাগ ছিল। এ ছাড়াও ডান কানের ওপরে ও কপালে দুইটা ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনের কোনো যন্ত্রাংশ লেগে ক্ষতগুলো সৃষ্টি হয়েছে।’
মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ট্রেনে কাটা পড়েছে এটা নিশ্চিত হলেও কোন ট্রেনের সঙ্গে কাটা পরে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে পরিবারের কেউ হত্যার দাবি করেননি।’
সুমন জাহিদ উত্তর শাহজাহানপুর এলাকায় থাকতেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক চৌধুরী মাঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে সাক্ষী ছিলেন।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার বড় ভায়েরা এটিএম এমদাদুল হক বুলবুল বলেছেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কে বা কারা তাকে উত্তর শাজাহানপুরের বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপরই রেললাইনের পাশে তার লাশ পাওয়ার খবর শোনা যায়। সুতরাং তাকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।’
এটিএম এমদাদুল হক বুলবুল বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে অফিসে চলে যাই। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার দিকে সুমন জাহিদের স্ত্রী টুইসির ফোন পেয়ে দ্রুত ছুটে যাই তাদের বাসায়। তার পরিবারের কাছ থেকে যতটুকু শুনেছি, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইরে।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক চৌধুরী মাঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে সাক্ষী ছিলেন সুমন জাহিদ।
মৃতের শ্যালক সারোয়ার জানান, সুমন জাহিদ ফারমার্স ব্যাংকের শান্তিনগর শাখার সেকেন্ড অফিসার ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী। সুমন জাহিদের দুই সন্তান। তাদের মধ্যে স্মরণ টিঅ্যান্ডটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আরেক ছেলে সুমন্দ্র আইডিয়াল স্কুলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
পরিবারের পক্ষ থেকে বড় ভায়েরার দাবি, ‘তাকে এর আগেও বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। দুই বছর ধরে তিনি অনেকবার হুমকি পেয়েছেন। তাই আমরা ধারণা করছি, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ




তফসিলের আগে সংলাপ  চাই : নজরুল

তফসিলের আগে সংলাপ  চাই : নজরুল

১৯ অগাস্ট, ২০১৮ ০০:১০










ব্রেকিং নিউজ







আয়ারল্যান্ডে ‘এ’ দলের সিরিজ জয়

আয়ারল্যান্ডে ‘এ’ দলের সিরিজ জয়

১৯ অগাস্ট, ২০১৮ ০০:১০