খুলনা | শুক্রবার | ১৭ অগাস্ট ২০১৮ | ২ ভাদ্র ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ  বন্যা : ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ১৪ জুন, ২০১৮ ০১:২২:০০

ঈদের আগে আকস্মিক টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান,  মৌলভীবাজার, সিলেট, খাগড়াছড়ি ও ফেনীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গবাদি পশুর মৃত্যুসহ বাড়িঘর ও অনেক জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানা যায়।
জানা যায়, দু’দিনের টানা বৃষ্টি এবং ভারত থেকে নেমে আসা উজানের পানিতে মৌলভীবাজারের মনু এবং ধলাই নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যায়। নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে আউশ ফসল ও সবজি ক্ষেতসহ ৫ ইউনিয়নের অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। 
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, মনু নদীর পানি বিপদসীমার ১৭৫ সেন্টিমিটার এবং ধলাই নদীর পানি ৫২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে প্রতিরক্ষা বাঁধের অন্তত ২০টি এলাকা। এদিকে বুধবার সকাল থেকে মুহুরী নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যায় ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে সহস্রাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। খরস্রোতা ফেনী ও মাইনী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে খাগড়াছড়ি শহরের দুই-তৃতীয়াংশ, রামগড় ও মহালছড়ির বিস্তৃত অঞ্চল এবং দীঘিনালার মেরুং বাজার পানিতে তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট হয়ে গেছে। ভেসে গেছে কয়েকশ পুকুরের মাছ। রেড ক্রিসেন্ট ও যুব রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে আটকেপড়া লোকজনকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে।
এছাড়াও হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমার ১০০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে হবিগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ। 
হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তাওহিদুল ইসলাম জানান, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। সেখানকার পানি নেমে খোয়াই নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি আরো বাড়বে বলেও জানান তিনি।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



অটল বিহারী বাজপেয়ী আর নেই

অটল বিহারী বাজপেয়ী আর নেই

১৭ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:০৭











ব্রেকিং নিউজ











ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

১৭ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:০২