খুলনা | মঙ্গলবার | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৪ পৌষ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

ইসলামী সাংস্কৃতি ও ঈদুল-ফিতর

মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান আশরাফী | প্রকাশিত ১৪ জুন, ২০১৮ ০০:৪২:০০

রমাজানের এক মাস সিয়াম সাধনার পরে আসে মুমিন জীবনের খুশির বার্তা ‘ঈদ’। মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে অনাবিল শান্তির ধারা মুসলিম জাতির সার্বজনীন উৎসব এই ঈদ। ঈদ মানে আনন্দ ও খুশি। মুসলিম জাতির এই আনন্দ উৎসবে নেই  কোন হানাহানি, বাড়াবাড়ি, সব আনন্দই শালীনতা বজায় রেখে করতে হয়।
‘ঈদ’শব্দের অর্থ ঃ প্রতি বছর বিশ্বের মুসলমানদের জন্য দু’টি ঈদ বা আনন্দের দিন আছে। তার মধ্যে একটি হলো ‘ঈদুল-ফিতর’ আর অপরটি হলো ‘ঈদুল আযহা’। প্রথমেই জেনে নেয়া যাক ঈদ শব্দের অর্থ কী? ঈদ, শব্দের অর্থ আনন্দ খুশি, উৎসব। ঈদ একটি আরবি শব্দ- ‘আইন ইয়া দাল’ যার আভিধানিক অর্থ হচ্ছে- উৎসব বা পর্ব।
ঈদ এর উৎস ঃ এবার জেনে নেই ঈদ এই আনন্দ উৎসবের বা পর্বের উৎস কি? আরবের জাহেলি সমাজে ইসলাম আগমনের পূর্বে বিশেষ করে মদীনাতে প্রতি বছর নওরোজ ও মেহেরজান নির্দিষ্ট দু’টি দিনে আনন্দ উৎসব, মেলা, খেল-তামাশা, নাচ, গান, জুয়াখেলা, পাশাখেলা ও বর্শা নিক্ষেপ ইত্যাদি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো। প্রতি বছরের এই দিনগুলোতে মদীনায় লোকেরা খেল-তামাশা, নাচগান আর আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠতো। হজরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) যখন মক্কা থেকে মদীনায় হিজরত করে এলেন, তখন তিনি দেখতে পেলেন মদীনার লোকেরা বছরের দু’টি নির্দিষ্ট দিনে আনন্দ উৎসব ও খেলাধুলা করছে। এক পর্যায়ে রাসূল (সাঃ) তাদের কাছে জানতে চাইলেন, এই নির্দিষ্ট দু’টি দিন কি ও কেন? তারা জবাবে বললেন, ইসলাম আগমনের পূর্বে আমরা বংশানুক্রমে প্রতি বছর এই নির্দিষ্ট দু’টি দিনে খেল-তামাশা ও আনন্দ উপভোগ করতাম। তাদের কখা শোনার পর রাসুল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ তায়ালা এই দু’টি দিনের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর দু’টি দিন নির্ধারিত করে দিয়েছেন। তার মধ্যে একটি হলো শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখ ঈদুল ফিতর আর অপরটি হলো জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ তারিখ তথা ইয়াওমুল আরাফাহ বা হজ্বের পরের দিন ঈদুল-আযহা। আজকে আমরা আলোচনা করবো ঈদুল-ফিতর সম্পর্কে।
প্রচলিত ঈদুল-ফিতর ঃ রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস মাহে রমজান। কুরআন নাজিলের মাস মাহে রমাজান। লাইলাতুল কদরের মাস মাহে রমজান। এই মাসে ২৯ বা ৩০ দিন সিয়াম পালন শেষে শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ‘ঈদুল-ফিতর’। এই দিনে বিশ্বের সকল মুসলমান ঈদুল-ফিতর উদ্যাপন করে থাকি। ঈদের দিনে ধনী-গরিব সকল শ্রেণি-পেশার মুসলমান পরিস্কার পরিচছন্ন ও সাধ্যমতো নতুন পোশাক পরে গায়ে আতরের সুবাস মেখে ঈদগাহে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের সালাত আদায় করি। এটা বাস্তবেই একটি আনন্দের ও মহাখুশির ব্যাপার। সৃষ্টির আদিকাল থেকে শুরু করে সকল নবী-রাসুলগণের আমলেই সিয়ামের বিধান প্রচলিত ছিলো এমনকি রাসূল (সাঃ) এর প্রথম জীবনে মাসে তিনদিন সিয়াম পালন করা হতো। তবে সে সময়ের সিয়াম ফরজ ছিলো না আর ঈদেরও প্রচলন ছিলো না। রাসূল (সাঃ) মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের দ্বিতীয় বর্ষে বদর যুদ্ধের আগে সূরা আল বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াত নাজিলের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সিয়াম ফরজ করা হয়। রমজান মাসে সিয়ামসহ প্রতিটা ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাহসহ নফল তথা তারাবিহ্, কুরআন তেলায়ত ও দান-খয়রাত ইত্যাদি আমলের মাধ্যমে মুসলমানগণ আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে রহমত, মাগফিরাত, নাজাত লাভ করার সৌভাগ্য অর্জন করে। মুসলমানগণ আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি লাভের সে সুযোগ পেয়ে জীবনের সফলতা লাভ করতে পেরে ক্ষুধা ও পিপাসাকে জয় করা আর যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরে, মিথ্যা বলা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে সক্ষম হয়। এই সকল কারণে সত্যিকার অর্থে আনন্দ প্রকাশের উদ্দেশ্যেই মুসলমানদের জন্য বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত রাসূল (সাঃ) দ্বিতীয় হিজরির প্রথম শাওয়াল থেকে ঈদুল-ফিতর এর প্রচলন শুরু করেন।
    ঈদের রাতের ফজিলত ঃ তারবানি শরিফে উল্লেখ আছে যে, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈদুল-ফিতর ও ঈদুল-আযহার রাতে অর্থাৎ শাওয়াল মাসের প্রথম রাত আর জিলহজ মাসের দশম রাত জাগরিত থেকে আল্লাহর এবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকবে, যেদিন অন্যান্য সকল আত্মা মরবে, সেদিন তার আত্মা মরবে না। অর্থাৎ কিয়ামতের দিন আতঙ্কে অন্যান্য লোকেরা আত্মা ভয়ে ভীত মৃতপ্রায় হয়ে যাবে কি›তু দুই ঈদের রাতে জাগরণকারীর আত্মা তখন ঠিকই ভয়ে ভীত হবে না।
    ঈদুল-ফিতর এর দিনের সুন্নহ্-সমূহ ঃ (১) খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, (২) জামায়াতের সাথে ফজরের সালাত আদায় করা, (৩) মিসওয়াক করা, (৪) ফজরের পর ঈদের সালাতের জন্য গোসল করা, (৫) সাধ্যমতো নতুন বা পরিষ্কার পরি”ছন্ন সাজ পোশাকের ব্যব¯’া করা, (৬) সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া, (৭) ঈদগাহে যাওয়ার আগে মিষ্টি জাতীয় কিছু খাওয়া, সহিহ আল বুখরির ৯০৫ নম্বর হাদিসে হজরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিক আছে, রাসূল (সাঃ) ঈদুল-ফিতর এর দিন কিছু না খেয়ে বাসা থেকে বের হতেন না। এমনকি বেজোড় সংখ্যক খেজুর খেতেন বলেও উল্লেখ আছে, (৮) ঈদগাহে যাওয়ার আগে সাদকাতুল ফিতর পরিশোধ করে দেয়া, (৯) একপথ দিয়ে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া অন্যপথ দিয়ে আসা, (১০) ধীর গতিতে পথ চলা ও তাকবির (আল্লাহ আকবার,আল্লাহ আকবার লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াআল্লাহ আকবার আল্লাহ আবকার ওয়ালিল্লাহিল হামদ) বলা (১১) ঈদগাহে সালাত আদায় করা। আবু দাউদ শরীফে উল্লেখ আছে যে, রাসূল (সাঃ) সব সময় ঈদের সালাত ঈদগাহে আদায় করতেন। যদিও মসজিদে নববীতে সালাত আদায়ে ৫০ হাজারগুণ বেশি ফজিলত তবু তিনি ঈদের সালাত ঈদগাহেই আদায় করতেন। তবে তাঁর জীবনে একবার মাত্র বৃষ্টির কারণে মসজিদে নববীতে ঈদের সালাত আদায় করেছেন। (১২) ঈদের সালাত শেষে ঈমান সাহেবের দেয়া খুতবাহ শোনা। সহিহ আল বুখারির ৯১১ নম্বর  হাদিসে হজরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সাঃ), আবু বকর, ওমর, ওসমান এর সাথে ঈদের সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তাঁরা সবাই খুতবাহ’র আগে সালাত  আদায় করতেন। হজরত ইবনে ওমর (রাঃ) থেকেও একই রকম হাদিস বর্ণিত আছে।
    রাসূলের যুগে ঈদ উৎসব ঃ ঈদের বয়স ‘চৌদ্দশ’ বছর। চৌদ্দশ বছর ধরে মুসলিম উম্মাহ দুই ঈদ উদ্যাপন করে আসছে। রাসূলের যুগে রাসূলে করিম (সাঃ) ঈদের সূচনা করেতন দু’রাকাত নামাজ আদায় এবং একটি ভাষণদানের মাধ্যমে। তিনি সাহাবাদের নিয়ে উম্মাক্ত মাঠে চলে যেতেন। সেখানে গিয়ে আজান এবং ইকামত ছাড়াই নিজের নেতৃত্বে সবাইকে নিয়ে দু’রাকাত নামাজ পড়তেন। নামাজের সালাম ফেরানোর পর তিনি সবাইকে বসতে বলতেন। সবাই বসে পড়তো। তিনি তাদের উপদেশ নসীহত করতেন এবং পথ-নির্দেশনা দান করতেন। তিনি দু’টি ভাষণ দিতেন । প্রথম ভাষণের পর ক্ষাণিকটা বসে আরেকটি ভাষণ দিতেন। দ্বিতীয় ভাষণে মুসলমানদের উন্নতি, সাফল্য ও কল্যাণের জন্যে দু’আ করতেন। রাসূল করিম (সাঃ) ঈদগাহে যেতেন একপথে আর ফিরে আসতেন অপর পথে। পথিমধ্যে তাকবীর পড়তেন। সালাম-কালাম এবং মুসাফাহা ও গলাগালি করতেন। দরিদ্রদের খোঁজখবর নিতেন। দান-সাদকা করতেন। সকলকে ঈদের আনন্দে শরিক করতেন। এভাবে রাসূল (সাঃ) এবং সাহাবাগণ আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনের মাধ্যমে সূচনা করতেন ঈদের। তারপর মানুষের কল্যাণ ও সেবা করার মাধ্যমে খুশি ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতেন ঘরে ঘরে প্রতি মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে।
    সার্বজনীন ঈদ উৎসব ঃ সারা বিশ্বের একশত পঞ্চাশ কোটি মুসলমানের হৃদয় জুুড়ে ঈদ আসে প্রতি বছর। এই আনন্দে শরীক হয় মুসলিম সমাজের প্রতি মানুষ। ঈদ ধনী-গরীব, সাদা-কালো সকল মুসলমানের জন্যই সমান। আরব আজম তথা এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া যেখানেই মুসলিম, সেখানেই আছে ঈদ। আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব সকলেই একে অপরের বাড়ির মেহমান। সামর্থ অনুযায়ী নতুন পোষাক পরে ঈদের আনন্দ করে। শহর থেকে অনেক মানুষ কষ্ট স্বীকার করে মাটির টানে গ্রামে ছুটে যায় ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য। মা ছেলের পথ চেয়ে থাকেন, স্ত্রী স্বামীর পথ চেয়ে থাকেন, ছেলে-মেয়েরা বাবার পথ চেয়ে থাকে। অনেক কষ্ট করে সবাই মিলে যখন একত্রে ঈদ উদযাপন করেন, তখন হৃদয়ে বয়ে আনে শান্তির পরশ। এইভাবে ঈদ মুসলিম  উমাহর কাছে সার্বজনীন হয়ে উঠে।
    ঈদ ও বর্তমান সমাজ ঃ প্রশ্নজাগে এই আনন্দের ঈদ কাদের জন্য? যারা পূর্ণ একটি মাস সিয়াম সাধনায় রত ছিলেন, আল্লাহর ফরজ হুকুম পালন করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সহিত আদায় করেছেন, গরিবের ভিতর দান-সাদকা করেছেন, ইতিকাফ, তারাবীই, সাদকাতুল ফিতর আদায় করেছেন। কুরআন তেলাওয়াত তাসবীহ তাহলিল, যিকির আজগারে রত ছিলেন। কিন্তু আমাদের দেশে দেখা যায়, যারা সারা রমযান মাসে রোজা পালন করেনি, দিনের বেলা প্রকাশ্যভাবে পানাহার করেছেন, আবার অনেকে দোকান-রেঁস্তরায় পর্দা টানিয়ে, চা-পান, সিগারেট খেয়ে তারাই যেনো ঈদের আনন্দের বড় দাবিদার। অপরদিকে রমজানে কালোবাজারীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় খাদ্য গুদামজাত করে পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে।
    রোজা বনাম ঈদুল-ফিতর ঃ আসলে রোজা ও ঈদুল ফিতরের সম্পর্কটা আত্মা ও দেহের ন্যায়। একটি অপরটির পরিপূরক। রোজার মাধ্যমে মানুষ রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত পায়, এই আত্মশুদ্ধির মাসে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে, যেহেতু বার মাসের সেরা এই মাস “মাহে রমজান” নেকের প্যাকেজ নিয়ে আগমণ করে এই মাস, ইবাদত ও বন্দেগীর মাধ্যমে অনেক সাওয়াব হাসিল করে মানুষ। সকল আসমানী কিতাব নাযিল হয়েছিল এই মাসে বিশেষ করে “মর্যাদাবান আল-কুরআন” নাযিলের মাস এই মাস। সারা বিশ্বে মুসলিম জাতি তারাবীহ নামাজে লক্ষ লক্ষ কুরআন খতম প্রদান করে। মুমিনের অন্তরে যখন রমজান মাসের পরিপূর্ণতা আসে তখন আত্মার ভিতর ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। আল্লাহর দিদারের বান্দাবান্দী যখন সিয়ামের আত্মতৃপ্তি অর্জন করে, তখন এই রোজার প্রশিক্ষণ ত্যাগ করতে চায় না। তখন মহান আল্লাহ আকাশে শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ উঠিয়ে মুমিন বান্দ-বান্দির মনে নতুন জাগরণ সৃৃষ্টি করেন। কবির ভাষায় - “দেখ চেয়ে ঐ চাঁদ উঠেছে গগণ কিনারায়/তাঁর হাসির আভা ছড়িয়ে গেল নিখিল দুনিয়ায়।” পরের দিন সকালে অনাবিল আনন্দ নিয়ে আসে জীবনের নতুন বার্তা ঈদুল-ফিতর।
    রোজার প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা ঃ  মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার সময় একজন মুসলমান যে সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন সারা বছর সেটাই তার জীবনাদর্শ হওয়া উচিত। সূর্যোদয়ের আগেই সেহেরি খাওয়া শেষ করে দেয়। সারাদিন দিনের বেলায় সে ক্ষুধার পিপাসায় কাতর হয়ে পড়ে ইচ্ছা করলে গভীরে গহিনে এক ঢোক পানি পান করতে পারেন। কিন্তু পানাহার করেন না, কামনা বাসনা চরিতার্থ করেন না। কারণ, সে এক আল্লাহকে ভয় করে। সে কারো দাসত্ব করে না, দাসত্ব করে এক আল্লাহর। দীর্ঘ একটি মাসব্যাপী মুমিন মুসলমান এভাবে আত্মসংযম, সততা, সত্যনিষ্ঠা, আল্লাহ ভীতি, আল্লাহর গোলামি ও আনুগত্য এবং নিয়মানুবর্তিতা ও সময়ানুবর্তিতার সে অনুশীলন ও বাস্তব প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পরিশেষে মহান আল্লাহর কাছে এই কামনা করি, রমজানের শিক্ষা অর্জন করে বাকি এগার মাস যেন চলতে পারি। সিয়াম সাধনার আত্মত্যাগ ও ঈদুল-ফিতর এর আনন্দ দিয়ে নিজ ও সমাজ গঠন করি। আমিন ছুম্মা আমিন।

লেখক: মুফাসসিরে কোরআন ও প্রভাষক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, মাতৃভাষা ডিগ্রী কলেজ। শরণখোলা, বাগেরহাট।
মোবাইল নম্বরঃ ০১৭১৮-৯৩০০০৮


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ



১৯৭১ সালের এক ভয়াল রাত

১৯৭১ সালের এক ভয়াল রাত

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



এক বীরের বুকভরা বেদনা

এক বীরের বুকভরা বেদনা

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

খুলনা বিজয়ের রথে

খুলনা বিজয়ের রথে

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

গুরুদাসী : এক বীরাঙ্গণা নারী

গুরুদাসী : এক বীরাঙ্গণা নারী

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

শপথ

শপথ

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

এইতো মোদের স্বাধীনতা

এইতো মোদের স্বাধীনতা

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

অভূতপূর্ব ইতিহাস

অভূতপূর্ব ইতিহাস

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০


ব্রেকিং নিউজ