অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে  কার্যকর ব্যবস্থা নিন



পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীসহ সারা দেশে অজ্ঞান ও মলম পার্টির তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব চক্র ঈদে ঘরমুখো মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানির মুখে ফেলে এমনকি অজ্ঞান করে হাতিয়ে নিচ্ছে সর্বস্ব। আবার রাতে বিশেষ কায়দায় ঘরে ¯েপ্র্র করে বা খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে ঘরে ঢুকে লুটে নিচ্ছে সর্বস্ব। আর সর্বশান্ত হয়ে ঘটনার শিকার ব্যক্তি বা পরিবারের ঈদ আনন্দ মাটি হয়ে যাচ্ছে। যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।  
প্রতিনিয়ত পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ঈদকে সামনে রেখে এ চক্রের তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষকে প্রতারনার ফাঁদে ফেলে অথবা নানা কৌশলে অজ্ঞান করে লুটে নিচ্ছে সর্বস্ব। অধিক টাকা উপার্জনের জন্য এক শ্রেণির অসাধু মানুষ যোগ দেয় অজ্ঞান পার্টিতে। বর্তমানে সংঘবদ্ধভাবে তারা বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশন এবং মার্কেটগুলোর সামনে অবস্থান নিচ্ছে। আবার কখনো ক্রেতার বেশে, কখনো যাত্রীবেশে মানুষের সর্বস্ব হাতিয়ে নিতে তৎপর হয়। আমরা মনে করি, এভাবে যখন সংঘবদ্ধ চক্রগুলো বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে মানুষকে জিম্মি করে, হুমকির মুখে ফেলে সর্বস্ব হাতিয়ে নিতে উদ্যত হয়, তখন তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এভাবে যদি অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্যে মানুষের জীবনে নেমে আসে ভয়ানক পরিস্থিতি, তখন তা আমলে নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলেই আমরা মনে করি। মানুষ জীবনের প্রয়োজনে কাজে বের হবে, বাসে উঠবে, বিভিন্নভাবে যাতায়াত করবে এটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে নাড়ির টানে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ উদ্যাপনের জন্য মানুষ ঘরে ফিরছে। কিন্তু তারা যদি অচেতন হয়ে কোথাও পড়ে থাকে, তবে তা কতটা ভয়ানক পরিস্থিতিকে নির্দেশ করে তা সংশ্লিষ্টদের বিবেচনায় আনা জরুরী।
আমরা বলতে চাই, যে কোনো স্থানে যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নানা সময়েই অজ্ঞান পার্টির তোড়জোড় লক্ষ্য করা গেছে, যা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। কাজেই সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবক্ষেণপূর্বক এই পার্টিকে প্রতিরোধ করতে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।
 


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।