খুলনা | সোমবার | ২০ অগাস্ট ২০১৮ | ৫ ভাদ্র ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

সরেজমিন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল

জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা আসছেন খেয়াল খুশি মতো : ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা

রুহুল কুদ্দুস, সাতক্ষীরা  | প্রকাশিত ০৬ জুন, ২০১৮ ০১:০৮:০০

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ২৪ ঘন্টা চিকিৎসক থাকার নিয়ম থাকলেও এখন আর সেটি মানা হচ্ছে না। খেয়াল খুশিমত দুই এক ঘন্টা অতিবাহিত করেই হাসপাতালে আসছেন জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তাররা। রোগীদের চাপে স্টাফরা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ইন্টার্নী চিকিৎসক এনে জরুরী বিভাগে বসিয়ে রাখছেন। এমনি ভাবেই চলছে এ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। 
গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে বোর্ডে নাম লেখা ছিল ডাঃ হাফিজুল্যার। সকাল সাড়ে ৮টার পরে গিয়ে দেখা যায় ডাঃ হাফিজুল্যাহ তখনও হাসপাতালে আসেননি। পরে রোগীদের চাপে স্টাফরা ইন্টার্নী চিকিৎসক বসিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। বিষয়টি ভুক্তভোগীরা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ ফরহাদ জামিলকে জানালে তার কিছুই করার নেই বলে তিনি জানান। একই সাথে বিষয়টি তিনি সিভিল সার্জনকে জানানোর অনুরোধ করেন ভুক্তভোগীদের। 
সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘এখন থেকে প্রায় ২০ দিন আগে সকাল ৯টায় হাসপাতালে গিয়ে দেখি ডাঃ হাফিজুল্যাহ জরুরী বিভাগের চিকিৎসক থাকার পরও তিনি আসেননি। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আরএমওকে জানালে তিনি অসহায়ত্ব প্রকাশ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলেন। এরপর টেলিফোনে সিভিল সার্জন ডাঃ তৌহিদুর রহমানকে জানালে তিনি আমার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জরুরী বিভাগে ডাক্তার নেই এটি হতেই পারে না। এক পর্যায়ে আমি হাসপাতালের ব্রাদারদের ফোনে সিভিল সার্জনকে ধরিয়ে দিলে তখন উনি বিশ^াস করেন এবং দুঃখ প্রকাশ করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিলেও আসলে তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। ফলে এমন ঘটনা অব্যাহত আছে।
ডাঃ হাফিজুল্যাহর বিরুদ্ধে বরাবরই দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ মতে, তিনি সামনে রোগী দাঁড় করিয়ে রেখে রিপ্রেনজেনটিভদের সাথে গল্প করতে পছন্দ করেন। এছাড়াও ডাঃ হাফিজুল্যার বাড়ি শহরের কাটিয়া এলাকায় হওয়ায় তিনি নিজ বাড়িতে ‘ট্রমা সেন্টার’ খুলে ব্যক্তিগত ক্লিনিক নিয়ে এখন প্রায় ব্যস্ত থাকেন। তবে এসব বিষয়ে জানতে তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডাঃ তৌহিদুর রহমান জানান, হাসপাতালে চাহিদার তুলনায় চিকিৎসক রয়েছে অর্ধেক। অল্প সংখ্যাক চিকিৎসক নিয়ে প্রপার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অন্যান্য দায়িত্বও পালন করতে হয় তাদের। ফলে অনেক সময় আসতে দেরি হলেও সেটি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ












পুলিশ যখন শ্রমিক

পুলিশ যখন শ্রমিক

২০ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:০২


ব্রেকিং নিউজ












পুলিশ যখন শ্রমিক

পুলিশ যখন শ্রমিক

২০ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:০২