খুলনা | বুধবার | ২০ জুন ২০১৮ | ৬ আষাঢ় ১৪২৫ |

ভোটের বছর এডিপির আকার বেড়েছে বাস্তবায়নে দক্ষতা বাড়াতে হবে

০২ জুন, ২০১৮ ০০:১০:০০

ভোটের বছর এডিপির আকার বেড়েছে বাস্তবায়নে দক্ষতা বাড়াতে হবে


অর্থ বছরের শেষার্ধে এসে সবারই দৃষ্টি বাজেটের দিকে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। নির্বাচনের বছরে এসে বাজেটের আকার এবারও যে বড় হবে, তা বলাই বাহুল্য। ভোটের আগের শেষ বাজেটে এক লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি প্রস্তাব করতে যাচ্ছে পরিকল্পনা কমিশন। সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ একনেকের সভায় এ প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। এই এডিপির আকার ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের সংশোধিত এডিপির ১৩ শতাংশ বেশি। মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির তুলনায় উন্নয়ন খাতে বরাদ্দের এই আকার হবে ৮.২৮ শতাংশ। এক লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকার এডিপিতে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রয়েছে চলমান সাতটি মেগা প্রকল্পে। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য। ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েই এডিপির আকার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী। 
পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য মতে, আসছে বাজেটে স্থানীয় সরকার বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২৩ হাজার ৪৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের পছন্দমতো রাস্তাঘাট নির্মাণ করতে নেওয়া একটি প্রকল্পে আগামী বাজেটে এক হাজার ৫শ’ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক উন্নয়নে ৭শ’ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে ৫শ’ কোটি টাকা। পরিবহন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪৫ হাজার ৪শ’ ৪৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, মোট এডিপির ২৬.২৭ শতাংশ। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২২ হাজার ৯৩০ কোটি ২০ লাখ টাকা। ভৌত-পরিকল্পনা-পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতে ১৭ হাজার ৮৮৯  কোটি ৯৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য রয়েছে ১০৫টি প্রকল্প। পিপিপিতে বাস্তবায়নের জন্য যুক্ত করা হয়েছে ৭৮টি প্রকল্প। 
প্রতি বছরই বাজেটের আগে বড় আকারের এডিপি অনুমোদন দেওয়া হয়। চলতি বছরটি নির্বাচনের বছর হওয়ায় এডিপির আকার যে বাড়বে, তা আগে থেকেই অনুমান করা হয়েছিল। এ কথা সত্য যে অর্থনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক অগ্রসর হয়েছে। কিন্তু তার পরও বাজেট বাস্তবায়নে এখন পর্যন্ত শতভাগ দক্ষতা দেখানো যায়নি। প্রতিবছর যে এডিপি অনুমোদিত হয়, তার বেশির ভাগই বাস্তবায়িত হয় না। অনেক প্রকল্পের বরাদ্দ অব্যবহৃত থেকে যায়। বিশেষ করে বিদেশি অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো অনেক সময় আলোর মুখ দেখে না। কাজেই বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, বাস্তবায়নের দিকেও দৃষ্টি দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়েও কাজ করতে হবে।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


এলো খুশির ঈদ

এলো খুশির ঈদ

১৫ জুন, ২০১৮ ০০:১০


ফুটপাত দখলমুক্ত রাখুন

ফুটপাত দখলমুক্ত রাখুন

০৭ জুন, ২০১৮ ০০:১১










ব্রেকিং নিউজ









বিশ্বকাপে আজকের খেলা

বিশ্বকাপে আজকের খেলা

২০ জুন, ২০১৮ ০১:০২