খুলনা | মঙ্গলবার | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৪ পৌষ ১৪২৫ |

দৃশ্যমান হচ্ছে রূপসা রেল সেতু 

৩০ মে, ২০১৮ ০০:০৪:০০

দৃশ্যমান হচ্ছে রূপসা রেল সেতু 


দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে খুলনায়। মংলা বন্দরের সাথে সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে খুলনা-মংলা রেল প্রকল্প অচিরেই দৃশ্যমান হচ্ছে। এর মধ্যে রূপসা রেল সেতুর প্রথম স্প্যান বসছে আগামী জুনে। এ জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল খুলনায় আনা হয়েছে। এছাড়া সেতু এলাকায় ২ শতাধিক পাইলিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। স্প্যান বসানোর পর দৃশ্যমান সেতু দেখতে পারবে খুলনাবাসী। আর সব ঠিক থাকলে নির্মাণ কাজ শেষে ২০২০ সালের মধ্যে মংলা বন্দরের সঙ্গে যুক্ত হবে সারা দেশের রেল যোগাযোগ।  
২০১৬ সালের ১৪ এপ্রিল রূপসা রেল সেতু নির্মাণের জন্য সয়েল টেস্টের কাজ শুরু হয়। এরপর চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত দু’দফায় পাইল টেস্ট করা হলেও তা ফেল করে। পরে ডিজাইন পরিবর্তন করে গত ১৮ সেপ্টম্বর ৫২ মিটার দৈর্ঘ্যরে আরেকটি পাইল লোড টেস্ট করলে সেটি সফল হয়। সফল পাইল লোডটেস্ট হওয়ার পর গত ১৫ অক্টোবর রূপসা রেল সেতুর পাইলিংয়ের কাজের উদ্বোধন করেন রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন। এ ছাড়া খুলনা অংশের জমি ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর এবং বাগেরহাট অংশের জমি ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি বুঝে পায় প্রকল্প কর্মকর্তারা। তবে ২০১৬ সালের ১৪ এপ্রিল এ প্রকল্পের দৃশ্যমান কাজ শুরু হলেও কাজে কিছুটা ধীর গতি দেখা দেয়। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে রূপসা রেল সেতুর খুলনা অংশে মাটি থেকে ১৬ মিটার উঁচুতে প্রথম স্প্যান বসানো হবে। ইতোমধ্যে ভারত থেকে ৩২ দশমিক ৫ মিটারের গার্ডার প্রকল্প এলাকায় আনা হয়েছে। সর্বমোট ১৪২টি স্প্যান বসানো হবে। রূপসা রেল সেতু নির্মাণ্যে ৯৫৮টি পাইলিং-এর মধ্যে ইতোমধ্যে দুই শতাধিক পাইলিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া রেলপথ নির্মাণের জন্য ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন ইউআইসি রেলপাটি ইতোমধ্যে আনা হয়েছে। মূল রেলপথের সাথে নতুন করে খুলনা ও মংলার ৮টি স্টেশনে প্রবেশের জন্য এ্যাপ্রোচ রোডের জন্য খুলনা অংশের জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন হয়েছে। তবে বাগেরহাট অংশ এখনো অনুমোদন হয়নি। আর ফুলতলা স্টেশনের নির্মাণ কাজও শেষ পর্যায়ে। সব মিলিয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। রূপসা রেল সেতুর পাশাপাশি খুলনা-মংলা রেল প্রকল্পের নির্মাণ কাজ চলছে পুরোদমে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৩৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে আগামী ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮০১ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এর মধ্যে রেললাইনের জন্য ১ হাজার ১৪৯ কোটি ৮৯ লাখ এবং ব্রীজের জন্য ১ হাজার ৭৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বাকী টাকা জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় হবে। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন (জিওবি) ও ভারত সরকারের আর্থিক সহায়তায় এই রেলপথটি নির্মাণ করা হচ্ছে। নিদ্ধারিত সময়ের মধ্যে এ প্রকল্প সম্পন্ন হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।  
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ


তোমাদের এই ঋণ কোনদিন শোধ হবেনা----

তোমাদের এই ঋণ কোনদিন শোধ হবেনা----

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

উৎসবমুখর নির্বাচন সবার কাম্য 

উৎসবমুখর নির্বাচন সবার কাম্য 

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০



শীত কষ্টের না হয়ে উৎসবের হয়ে উঠুক

শীত কষ্টের না হয়ে উৎসবের হয়ে উঠুক

১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০

নারীর শেকল ভাঙার গান বেগম রোকেয়া

নারীর শেকল ভাঙার গান বেগম রোকেয়া

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:১০







ব্রেকিং নিউজ