খুলনা | মঙ্গলবার | ১৪ অগাস্ট ২০১৮ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

হলফনামা পর্যালোচনা :  ওয়ার্ড-১২ : আ’লীগের একক প্রার্থী : বিএনপি’র উন্মুক্ত  

মুনিরুজ্জামান শফিকুল সালেক ও মুরাদ ৪ প্রার্থীই ব্যবসায়ী 

মোহাম্মদ মিলন  | প্রকাশিত ২৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০১:৩২:০০

খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নগরীর ১০নং ওয়ার্ডে এবার কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন ৬ জন প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপি নেতা বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ মুনিরুজ্জামান খাদ্য শস্য বিক্রেতা। তার আয় শুধু কাউন্সিলর ভাতা থেকে। সম্পদে এগিয়ে মোঃ শফিকুল আলম। হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর এইচ এম আবু সালেক এবং এপার্টমেন্ট ভাড়া থেকে আয় আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী আসলাম খান মুরাদের। এ ওয়ার্ডের প্রার্থীদের হলফনামায় এমন তথ্য মিলেছে। 
কাউন্সিলর মোঃ মুনিরুজ্জামান : হলফনামায় খাদ্য শস্য বিক্রেতা হিসেবে পেশা দেখিয়েছেন মোঃ মুনিরুজ্জামান। ব্যবসা থেকে তার কোন আয় না থাকলেও কাউন্সিলরের সম্মানী থেকে বার্ষিক আয় ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের নগদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫০ টাকা। আছে ২ লাখ টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল, স্ত্রী’র ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। তার ১ লাখ ২৭ হাজার ৮৫০ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ২২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ ৩ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে ১০ শতক অকৃষি জমি, যৌথমালিকানায় পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৭ ভাগের এক ভাগ জমি। তিনি এইচএসসি পাশ। 
অন্যদিকে ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পূর্বে দাখিল করা হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছিলেন কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা হিসেবে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা বার্ষিক আয় ছিলো তার। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের নগদ ৭৬ হাজার ৫০০ টাকা, সঞ্চয়পত্রে ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ৪০ হাজার টাকা মূল্যে একটি  মোটরসাইকেল ছিলো তার। আর স্ত্রী’র ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। ছিলো ২৮ হাজার ৮৫০ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ২২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র। আর স্থাবর সম্পদের মধ্যে ১০ শতক অকৃষি জমি।  
এইচ এম আবু সালেক : পেশা হিসেবে হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী হলফনামায় দেখিয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর এইচএম আবু সালেক। ব্যবসা থেকে আয় না দেখালেও বাড়ি ভাড়া থেকে ৪৮ হাজার টাকা বার্ষিক আয় তার। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের নগদ ২ লাখ টাকা ও ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের অন্যান্য মালামাল রয়েছে তার। আছে ১০ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ১০ হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদের মধ্যে দ্বি-তলা একটি বাড়ি রয়েছে তার। সোনালী ব্যাংক খালিশপুর শাখায় ৯ লাথ ৩৭ হাজার টাকা দেনা রয়েছেন তিনি। তিনি ৮ম শ্রেণী পাশ।  
মোঃ শফিকুল আলম : হলফনামায় মোঃ শফিকুল আলম দেখিয়েছেন তার বার্ষিক আয় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা ও বাড়ি ভাড়া থেকে ৮৪ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের নগদ ১৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা,  শেয়ার থেকে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৭০ টাকা রয়েছে তার। ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল আছে তার। স্ত্রী’র ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। আছে ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদের মধ্যে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের অকৃষি জমি এবং বাড়ি রয়েছে তার। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ১২টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অতীতের ৫টি মামলার মধ্যে চারটিতে অব্যাহতি ও একটিতে খালাস পেয়েছেন তিনি। তিনি এসএসসি পাশ। 
আসলাম খান মুরাদ : পেশায় এপার্টমেন্ট ভাড়া ব্যবস্থা হিসেবে হলফনামায় দেখিয়েছেন আসলাম খান মুরাদ। বাড়ি ভাড়া থেকে তার বার্ষিক আয় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের নগদ ২ লাখ টাকা  রয়েছে তার। আছে স্ত্রী’র ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদের মধ্যে অকৃষি জমি ৬ শতক। তিনি ৮ম শ্রেণী পাশ। এছাড়া এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন মোঃ আজমল হোসেন ও মোঃ শাহাবুদ্দীন। 
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ





শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

১৪ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:১৭









ব্রেকিং নিউজ





শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

১৪ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:১৭