খুলনা | শনিবার | ২৬ মে ২০১৮ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

কুমিল্লা-চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

খবর প্রতিবেদন | প্রকাশিত ২৩ এপ্রিল, ২০১৮ ১২:২৩:০০

কুমিল্লা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহত তিনজনই ডাকাত বলে দাবি করেছেন আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ :  চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে দুইজন নিহত হয়েছেন, যারা ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি করছে র‌্যাব।
রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার সকুইচ্চাগাড়া আড়গাড়া রোডে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন গোমস্তাপুর উপজেলার নন্দলালপুর গ্রামের পুলু মিয়ার ছেলে আতিক আলী (৩০) এবং ভোলাহাট উপজেলার বড়গাছি গ্রামের রাজিব (২৫)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‌্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার সাঈদ আব্দুল্লাহ আল মুরাদ জানান, উপজেলার কুইচ্চাগাড়া আড়গাড়া রোডে ডাকাতির সময় র‌্যাবের একটি টহলদলের সঙ্গে ডাকাতদের গোলাগুলি হয়। এতে দুই ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়। দ্রুত উদ্ধার করে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। গোলাগুলির সময় সেখানে থাকা চার থেকে পাঁচজন ডাকাত পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থলে থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব কর্মকর্তা মুরাদ। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, একটি বুলেট, তিনটি হাসুয়া, একটি চাইনিজ কুড়াল এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
কুমিল্লা : পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আল আমিন নামে ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হয়েছেন, যিনি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি।
রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জেলার মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের শুশুন্ডা এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিন মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কসহ মুরাদনগর এবং আশপাশের উপজেলায় ডাকাতি করে আসছিল। রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের শুশুন্ডা এলাকায় সহযোগীদের নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল আল আমিন। খবর পেয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) শাখাওয়াত হোসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে থানা ও ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও ৩৫ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোঁড়ে।
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির এক পর্যায়ে ডাকাত আল আমিন গুলিবিদ্ধ হয়। এছাড়া পুলিশের উপপরিদর্শক গোফরান এবং কনস্টেবল শামীমও আহত হন।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মঞ্জুর আলম জানান, আহত ডাকাত দলের সদস্য আল আমিনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আল আমিনের বিরুদ্ধে মুরাদনগরসহ বিভিন্ন থানায় নয়টি ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।
এছাড়া বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে দুই রাউন্ড গুলি, একটি পাইপগান, দুটি রামদা, দুটি ছোরা ও পাঁচটি মুখোশ উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি।
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ




সেহরীতে বরকত রয়েছে

সেহরীতে বরকত রয়েছে

২৬ মে, ২০১৮ ০১:১৪

সেহরীতে বরকত রয়েছে

সেহরীতে বরকত রয়েছে

২৬ মে, ২০১৮ ০১:১৪