খুলনা | মঙ্গলবার | ১৪ অগাস্ট ২০১৮ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

ভৈরব নদের গর্ভে ধসে পড়ছে তীরের ঘাট

এস এম আমিনুল ইসলাম  | প্রকাশিত ২১ এপ্রিল, ২০১৮ ০১:২৬:০০

নগরীর রেলস্টেশন থেকে জোড়াগেট পর্যন্ত ভৈরব তীরে অবস্থিত খাদ্য গুদাম, ৪, ৫ ও ৬নং ঘাটের আশপাশের বড় অংশ ভৈরব নদের গর্ভে ধসে পড়ছে। প্রতিদিন ওই সব ঘাটে নোঙরকৃত জাহাজ-কার্গো থেকে বিভিন্ন ধরনের মালামাল লোড-আনলোড এবং তা দীর্ঘ দিন ধরে রেখে দেয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এখনই সংস্কার করার মতো ফান্ড নেই। ফান্ড আসলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) আওতাধীন নগরীর ভৈরব নদের রেলস্টেশন থেকে জোড়াগেট পর্যন্ত একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে খাদ্য গুদাম, ৪, ৫ ও ৬নং ঘাট। এ সব ঘাটে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ টি ছোট জাহাজ ও কার্গো নোঙর করে। নোঙ্গর করা এ সব জাহাজ ও কার্গো থেকে সার, বালু, পাথর, কয়লাসহ বিভিন্ন মালামাল লোড-আনলোড করা হয়। মালামাল উঠানো-নামানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ভারী বড় আকারের জেটি। অনেক সময় লোড বা আনলোডকৃত মালামাল ওই সব ঘাটে অর্ধমাস, মাস ও অনেক সময় ৬ মাস ব্যাপী রেখে দেয়া  হয়। ফলে নানামুখি চাপে ঘাট সংলগ্ন এলাকার আশপাশের একটা বড় অংশ নদের গর্ভে ধসে পড়ছে। 
সরেজমিনে গতকাল বুধবার ঘাটগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, ঘাটে জেটি দিয়ে মালামাল লোড-আনলোড করা হচ্ছে। অনেক ঘাট রক্ষায় দেয়া শীট ফাইল বেঁকে গেছে এবং প্রটেকটিং ওয়াল নদে ভেঙে পড়েছে। ফলে অনেক জায়গা নদের গর্ভে ধসে পড়ছে। উপরের ইটগুলো উঠে গেছে। কিছু কিছু জায়গায় বড় অংশ জুড়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। 
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৪ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ মোটা অঙ্কের টাকায় এসব ঘাটের তীর সংরক্ষণ করে। কিন্তু সাড়ে তিন বছরের মধ্যে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ পরিস্থিতির জন্য অন্যতম কারণ হলো জেটির ব্যবহার ও লোড-আনলোডকৃত মালামাল ওই সব ঘাটে অর্ধমাস, মাস ও ৬ মাসব্যাপী রেখে দেয়া। তাই ঘাটগুলো দ্রুত সংস্কার ও লোডকৃত মালামাল রাখার ক্ষেত্রে নিয়ম ও সময়সীমা বেধে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নজিবুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত জায়গা তারা পরিদর্শন করেছেন। এখনই সংস্কার করা প্রয়োজন। কিন্তু সংস্কার করার মতো ফান্ড নেই। তবে টাকা পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ





শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

১৪ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:১৭









ব্রেকিং নিউজ





শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

১৪ অগাস্ট, ২০১৮ ০১:১৭