নানা আয়োজনে খুলনায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন


বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে গত শনিবার খুলনায় বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন হয়েছে। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পান্তা উৎসব। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এসকল কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি-এ মর্মবাণীকে প্রতিপাদ্য করে এবার বাংলা নববর্ষ বরণে বের করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা।
সকালে খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর চত্বরে বকুলতলায় বৈশাখী গানের মধ্যদিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়। পরে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া ও মহানগর আ’লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক। শোভাযাত্রাটি শিববাড়ি মোড় থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা অফিসার্স ক্লাবে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, খুলনা জেলা প্রশাসক  মোঃ আমিন উল আহসান, পুলিশ সুপার মোঃ নিজামুল হক মোল্লা, সদর থানা আ’লীগের সভাপতি এড. সাইফুল ইসলাম। সকাল আটটায় জেলা প্রশাসকের বাংলোর বকুলতলায় অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পান্তা উৎসব। এছাড়া সন্ধ্যায় নগরীর শান্তিধাম মোড়স্থ জাতিসংঘ শিশু পার্কে ‘চৈত্র সংক্রান্তি ও বৈশাখী মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। 
খুলনা শিশু একাডেমী শিশুদের নিয়ে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে। খুলনা জেলা কারাগার ও শিশু পরিবার-৩ ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং জেলা কয়েদিদের তৈরি বিভিন্ন দ্রব্যাদির প্রদর্শনী হয়। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ব-স্ব ব্যবস্থাপনায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন করে। বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ শিশুদের রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। 
খুলনা সিটি কর্পোরেশন : নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে গত শনিবার সকালে কেসিসি পরিচালিত খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল ও কেসিসি উইমেন্স কলেজ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা বক্তৃতা করেন মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ তৌহিদুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক গুলশান আরা ও আল-জামাল ভূঁইয়া, কলেজের সহকারী অধ্যাপক জি এম মকবুলুর রহমান ও ওসমান গনি। শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন সহকারী অধ্যাপক শাহনাজ পারভীন এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নাসিমা আকতার। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে সিটি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান কেসিসি পরিচালিত ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল আয়োজিত বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। অধ্যক্ষ আবু দারদা মোঃ আরিফ বিল্লাহ’র  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কাউন্সিলর আশফাকুর রহমান কাকন। অন্যান্যের মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মেহজাবিন খান, তৌহিদুর রহমান তুষার, উপাধ্যক্ষ ইমরুল কায়েস প্রমুখ বক্তৃতা করেন। আলোচনা শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 
আওয়ামী লীগ : দলের নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বাঙালি জাতির চিরায়ত ঐতিহ্য নববর্ষ। প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলা ভাষা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং পহেলা বৈশাখ আজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত। এই স্বীকৃতি বাঙালি জাতিকে যেমন সমৃদ্ধ করেছে তেমনি বিশ্ব পরিচিতি পেয়েছে বাংলাদেশ।  
গত শনিবার সকাল ৯টায় দলীয় কার্যালয় চত্বরে নববর্ষের  শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় আ’লীগ নেতা এস এম কামাল হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জাতীয় কমিটির সদস্য এড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র ও বিসিবি’র পরিচালক শেখ সোহেল। মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় আরও বক্তৃতা করেন নুর ইসলাম বন্দ, কামরুজ্জামান জামাল, শ্যামল সিংহ রায়, এড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, তসলিম আহমেদ আশা, অসিত বরণ বিশ্বাস, জেসমিন সুলতানা, এড. সেলিনা আক্তার পিয়া, নয়মী বিশ্বাস সাথী, শফিকুর রহমান পলাশ, শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন। 
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় :  নববর্ষ  উদ্যাপনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় নগরীর শিববাড়ী মোড় থেকে ময়লাপোতা মোড় হয়ে রয়্যাল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শোভাযাত্রায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। নানা রংয়ের ফেস্টুন, পালকি, ইলিশ মাছ, টিয়াসহ বর্ণিল সাজের সাথে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলাসহ শোভাযাত্রাটি যখন এভিনিউ পথে এগোয়ে আশপাশের মানুষ হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান। রয়েল মোড়ে গিয়ে শোভাযাত্রাটি শেষ হলে সেখানে আনন্দ উৎসবে নেচে গেয়ে উৎফুল্লতা প্রকাশ করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বৈশাখী মেলায় আগমনী ঢল নামে। মেলার পাশাপাশি দ্বিতীয় পর্বে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণ নানাবিধ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে উদ্যাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে রকমারী আয়োজনে সাজানো বৈশাখী মেলা। বৈশাখী মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হলের অংশগ্রহণে খাঁটি দেশীয় খড়মাটির কুঠি বানিয়ে দেশীয় ঐতিহ্যের পান্তা-মরিচ ভাজি, গ্রাম বাংলার ষড়ঋতুর আকর্ষণীয় বিভিন্ন আয়োজন, দেশীয় পিঠা তৈরি ও প্রদর্শনী ইত্যাদি নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন করা হয়। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং দেশীয় বিভিন্ন খাবারের স্বাদ গ্রহণ করেন। খেলার মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় বর্ষবরণ সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢোল, বাঁশি, একতারা, দো-তারা, বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, দেশীয় সংস্কৃতির ছবি সম্বলিত বিভিন প্ল¬াকার্ড, ফেস্টুন, মুখোশসহ আরও অনেক আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালযের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ফুলবাড়ীগেট, খুলনা-যশোর মহাসড়কসহ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে খেলার মাঠে এসে সমাপ্ত হয়। 
শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় সাপ খেলা, বানর খেলা, ম্যাজিক শো, লাঠি খেলা, সাইকেল শো, নাগর দোলা, মোরগের লড়াই, কাবাডি খেলা, মোরগ লড়াই (ছাত্রদের) ও ঘুড়ি উৎসব। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর উপস্থিত থেকে আকর্ষণীয় এ সব প্রতিযোগিতা ও অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেজ এন্ড টেকনোলজি : বৈশাখ উদ্যাপনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম বাঙালি সংস্কৃতির চেতনা ও ঐতিহ্য লালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা-০২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান এমপি। গত শনিবার সকালে খুলনার বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে  যোগ দিয়ে  তিনি একথা বলেন। 
সকালে ইউনিভার্সিটির সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মাচারীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইনচার্জ এএইচএম মঞ্জুর মোরশেদ-এর নেতৃত্বে মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিনব্যাপী বাংলা বর্ষবরণ আয়োজন শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সংলগ্ন শিববাড়ী থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করে আবার ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। দিনব্যাপী বৈশাখী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে নর্দান ইউনিভার্সিটির সাংস্কৃতিক ক্লাব-এর শিল্পীরা। এতে আবহমান বাঙালি সাংস্কৃতির নানা ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। বিকেলে এনইউবিটিকের ছাত্রদের সেকশন-বি ও ওয়েব ব্যান্ড দল-এর পরিবেশনায় বৈশাখী কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। এ কনসার্টে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান এমপি নিজেই সঙ্গীত পরিবেশন করেন। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা করে এস এস আলী এন্ড কোং, লেক্সিকন, খুলনা বিভাগীয় অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন মালিক গ্র“প ও আবির্স।
খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন :  নববর্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন করানে হয়। এ সময় বক্তৃতা করেন নগর আ’লীগের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক, নগর বিএনপি’র সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, নগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী এস এম শফিকুর রহমান, পূর্বাঞ্চলের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বেগম ফেরদৌসী আলী, সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মল্লিক সুধাশু, মকবুল হোসেন মিন্টু, সাংবাদিক সাহেব আলী, আবু হাসান, এস এম নজরুল ইসলাম, কেইউজের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা, দক্ষিণাঞ্চল সম্পাদক সাইদুর রহমান, এড. ফরিদ আহমেদ, বিএফইউজে নেতা মোজাম্মেল হক হাওলাদার ও আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, হেদায়েত হোসেন মোল্লা, দেবব্রত রায়, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, রাশেদুজ্জামান, বাপ্পী খান, আলমগীর হান্নান, কৌশিক দে বাপী, নেয়ামুল হোসেন কচি, এসএম ফরিদ রানা, মাহবুবুর রহমান মুন্না, সাইয়েদুজ্জামান সম্রাট, সুমন আহমেদ, মিলন হোসেন, আল মাহমুদ প্রিন্স ও জয়নাল ফরাজী প্রমুখ।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন : নববর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সংগঠনের খুলনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে বিএমএ ভবনে বর্ষবরণ ১৪২৫ উদ্যাপন করা হয়। বর্ষবরণ উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার মধ্যে ছিল মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন, মঙ্গল শোভাযাত্রা, ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পরিবেশন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সকাল ৮টা হতে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠান চলে। খুলনা বিএমএ’র সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা বিএমএ’র দপ্তর উপ-পরিষদের সদস্য সচিব ডাঃ মোহম্মদ হাসান ও ডাঃ অহিদা সুলতানের সঞ্চালনায় শিল্পীদের পরিবেশনা ও সর্বস্তরের চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। 
নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি :  উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে নববর্ষ উদ্যাপিত হয়। সকাল পৌনে ৯টায়  শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশ গ্রহণে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তারাপদ ভৌমিকের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক ভবন হতে মঙ্গল শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস- চেয়ারম্যান এম এম কামাল হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিসেস নাহিদ নেওয়াজী, মোঃ মুজিবুর রহমান শামীম, সৈয়দ মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ রিপন ও পবিত্র কুমার সরকার। শোভাযাত্রায় আরো অংশ গ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ফকির আবু হোসেন, প্রফেসর ড. মোঃ  নওশের আলী মোড়ল, প্রফেসর এবিএম রশিদুজ্জামান, রেজিস্ট্রার মোঃ শহীদুল ইসলাম, বিভাগীয় প্রধানগণ ও সহকারি রেজিস্ট্রার কাজী মোঃ আহসানউল্লাহ প্রমুখ। শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবন হতে শুরু হয়ে মজিদ সরণী, শিববাড়ি ও কেডিএ এভিনিউ প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবনে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে বিজ্ঞান ভবনে পান্তা-ইলিশ উৎসবের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের  শেষ পর্বে সংস্কৃতিমনা ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 
দৌলতপুর : আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো সংবাদ। সরকারী মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় : বৈশাখ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীর সমম্বয়ে মঙ্গলশোভা যাত্রা, আলোচনা সভা, মৌসুমী ফল বিতরণ করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জোয়ার্দারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন আ’লীগ নেতা মফিজুর রহমান হীরু। বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন মাওঃ আবুল হোসেন আজাদী, শামছুননাহার, ফরিদা জেসমিন, ফিরোজা খানম, শাহানাজ মাহমুদ, আশীষ কুমার সরদার, মাসুম বিল্লাহ, রীতেশ রজন বিশ্বাস, অর্ধেন্দু, মৃত্যুঞ্জয়, জিনিয়া শারমীন, স্বপন কুমার মন্ডল প্রমুখ।
দৌলতপুর দেয়ানা মাধ্যমিক বিদ্যালয় : বৈশাখ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীর সমম্বয়ে মঙ্গলশোভা যাত্রা, আলোচনা সভা, মৌসুমী ফল বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের  সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ যোবায়ের হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি আলহাজ্ব সুলতানা সিরাজ, বিশেষ অতিথি ছিলেন এড. মোফাজ্জেল আলম বন্দ, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ আল মামুন, মোঃ ইবাদ শেখ, বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন , মোঃ রুহুল কুদ্দুস, আবু বক্কর সিদ্দিক, বাকিউল আজম, লায়লা আরজুমান, মোঃ ইয়াছিন সরদার, সালমা বেগম, নমিতা রায় প্রমুখ।
কার্ত্তিককুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় : বৈশাখ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীর সমম্বয়ে মঙ্গলশোভা যাত্রা, আলোচনা সভা, পান্তা ইলিশ খাওয়ার মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়া হয়। অনুষ্ঠানের  সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা। আরো উপস্থিত ছিলেন সহঃ শিক্ষক সঞ্জয় সাহা, অনুশ্রী মল্লিক, মোস্তাক আহমেদ তুহিন, সেলিনা খাতুনসহ সকল শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। 
ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) : নববর্ষ উপলক্ষে দক্ষিণ শিরোমনি বিলডাকাতিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উড়ান প্রতিযোগিতা ও উৎসব। দক্ষিণ শিরোমনি এলাকাবাসীর আয়োজনে প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন খানজাহান আলী থানা আ’লীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন। সাবেক মেম্বর শেখ কওছার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মেম্বর শেখ আব্দুস সালাম, যোগীপোল ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আমিরুল ইসলাম, কাস্টমস কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন। মোঃ হাবিবুর রহমানের সার্বিক পরিচালনায় বক্তৃতা করেন শেখ সামছুর রহমান, মোঃ ভেমর সরদার, মোঃ আমজাদ সরদার, মোঃ আবুল কালাম, মোঃ বাচ্চু শেখ, শেখ শামিম হোসেন, মোঃ সাগর শেখ, মোঃ মাহফুজ শেখ, মোঃ সুজন শেখ প্রমুখ। প্রতিযোগিতায় অর্ধশতাধিক ঘুড়ি অংশ নিয়ে এক সুতায় ৩০টি ঘুড়ি উড়িয়ে মোঃ ইমরান হোসেন প্রথম স্থান অধিকার করেন, দ্বিতীয় হোসেন এবং ৩য় হয় হৃদয়কে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
গভঃ ল্যাবরেটরি হাইস্কুল : নববর্ষ উপলক্ষে দিনব্যাপী জাঁকজমকপুর্ণ বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান. আলোচনা সভা, পিঠা উৎসবসহ বর্ণিল আয়োজনের মধ্যদিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান পালন করা হয়। সকাল থেকে শুরু হয় অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজন শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় স্কুলের প্রধান ফটক থেকে বের করা হয় স্কুলের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রাটি ফুলবাড়ীগেট গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিষ শেষে ক্যাম্পাস ঘুরে খেলার মাঠে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় দেশীয় বাদ্যযত্র, পুরানো দিনের হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন সংস্কৃতি তুলে ধরে প্রদর্শিত হয় বিভিন্ন চিত্র। সকাল সাড়ে ৯টায় সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) তাপতী দত্তের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বে) মোঃ কবির আলম খান, এস এম সাইফুজ্জামান, মোঃ দুর্গেশ কুমার হালদার, আবু হানিফ, আবু হাসান, মোঃ আঃ লতিফ শেখ, সন্দীপ কুমার ঢালী, মোঃ জহুরুল ইসলাম, নুরুল হুদা, অরবিন্দ হালদার, নবকুমার রায়, এস এম তৈমুর রেজা, সামছুর রহমান, প্রতিভা সাহা, সঞ্জয় কুমার প্রমুখ । 
কুয়েট স্কুলসমূহ : খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল (প্রাথমিক ও মাধ্যমিক) ও উন্মেষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ  উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণ নানাবিধ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে উদ্যাপন করা হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল পর্যন্ত স্কুল প্রাঙ্গনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন চলে। সকাল ৯টায় স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা ঢোল, বাঁশি, একতারা, দো-তারা, বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, দেশীয় সংস্কৃতির ছবি সম্বলিত বিভিন প্লাকার্ড, ফেস্টুন, মুখোশসহ গ্রাম বাংলার বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরে মঙ্গল শোভযাত্রাটি স্কুল প্রাঙ্গন থেকে শুরু করে ফুলবাড়ীগেট, খুলনা-যশোর মহাসড়কসহ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে স্কুলে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল (প্রাথমিক ও মাধ্যমিক) ও উন্মেষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্যান্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরে স্কুলের উন্মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতি প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন প্রাথমিক শাখার প্রধান শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা, উন্মেষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরদার আকবর হোসেন, সহকারী শিক্ষক রনজিত কুমার মন্ডল, মাওঃ আবুল হাসান, আব্দুল মতিন, মহিবুল্লাহ, খুরশীদা জাহান, হাবিবা আক্তার, রহিমা আক্তার সুমি, ফারহানা ইয়াসমিন, আজহারুল ইসলাম, দেব প্রসাদ মন্ডল, সামছুজ্জোহা সুমন, অর্মিত মল্লিক ও মোঃ তালেবুর রহমান প্রমুখ।
ফুলবাড়ী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় : নববর্ষ বরণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বৈশাখকে বরণ করে নেয়। সকাল ১০টায় স্কুলের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী এবং ম্যানিজিং কমিটির সমন্বয়ে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা ফুলবাড়ীগেট প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন প্লাকার্ড, দেশীয় বাদ্যযন্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাস্টার মনিরুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোল্লা মুজিবর রহমান (বীর মুক্তিযোদ্ধা), শেখ আব্দুর রহমান, সহকারী প্রধান শিক্ষক চৈতন্য কুমান কুন্ডু, বিএম মনিরুজ্জামান, তন্ময় মৃধা, রঘুনাথ সরকার, লায়লা কারিশমা, মোসাঃ লিপিয়া খাতুন প্রমুখ। 
খানাবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় : খানাবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখকে বরণ করেন। সকাল ৮টায় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ম্যানিজিং কমিটির সমন্বয়ে এক বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রাটি ফুলবাড়ীগেট প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা  বিভিন্ন পাকার্ড, দেশীয় বদ্যযন্ত্র প্রদর্শিত হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইমলাক ঢালী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টের অনারারী ক্যাপ্টেন ফারুক আলম। স্বাগত বক্তৃতা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান। বক্তৃতা করেন কমিটির সদস্য তপন কুমার দত্ত, সহকারী শিক্ষক মোঃ জিয়াউর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ।  অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্কুলের শিক্ষিকা ডালিয়া আক্তার।
রূপান্তর ও বর্ষবরণ পর্ষদ : যথাযথ মর্যাদায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ বরণ এবং রূপান্তরের ২৫ বছর পূর্তি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ, আলোচনা এবং পান্তাপর্ব। পয়লা বৈশাখ সকাল সাড়ে সাতটায় ঐতিহ্যবাহী ও বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা ডাঃ শহিদ মিলন চত্বর থেকে শুরু হয়ে খুলনা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ শেষে রূপান্তর অফিসে এসে শেষ হয়। আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন বর্ষবরণ পর্ষদের আহবায়ক ফরহাদ নেওয়াজ টিপু। স্বাগত বক্তৃতা করেন অসীম আনন্দ দাস। বক্তৃতা করেন অধ্যক্ষ জাফর ইমাম, অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির, রফিকুল ইসলাম খোকন, রাজনীতিক দীপঙ্কর সাহা দীপু, নাগরিক ফোরাম নেতা শ ম হানিফ জালু, এনামুল হক লাবু প্রমুখ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ। অতিথিবৃন্দ রূপান্তর কর্মীদের লেখনী নিয়ে প্রকাশিত দেয়াল পত্রিকা খেরোখাতা’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। রূপান্তরের ২৫ বছর পূর্তিতে অতিথি মণ্ডলী একটি বিশাল কেক কাটেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন তসলিম আহমেদ টংকার ও শরীফুল বাশার।
সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন : সংগঠনের খুলনার উদ্যোগে শনিবার গুলজান সিটিতে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিলো আলোচনা সভা, কবিতা আবৃতি, উপস্থিত বক্তৃতা, স্মৃতিচারণ, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং সব শেষে অতিথিদের পান্তা ইলিশের আয়োজন। সংগঠনের সভাপতি যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর সাইদুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুল হক ও কোষাধ্যক্ষ মোঃ আইয়ুব আলীর সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন শেখ আবেদ আলী, সাইফুল ইসলাম বাবু, শেখ আব্দুল হালিম, কাজী নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নিজাহার উদ্দিন খান, মুমিনুল ইসলাম পারভেজ প্রমুখ।
খুলনা সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংস্থা (খুসাস) :  নববর্ষ পালন উপলক্ষে শনিবার বিকেল ৫টায় আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ কবি শেখ মনিরুজ্জামান লাভলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান মিথুনের পরিচালনায় আসরে প্রধান অতিথি ছিলেন খুসাস প্রতিষ্ঠাতা কবি ও সংগঠক স.ম. হাফিজুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন শেখ আবু আসলাম বাবু। কবিতা পাঠ করেন শেখ মোঃ ইকবাল হোসেন, সৈয়দ আলী হাকিম, সালমা আক্তার ময়না, কাওছারী জাহান মঞ্জু, মঈনুল ইসলাম কিছলু, ইছাহাক বেপারী, রূপা বাড়ৈ, আসমা বেগম, তৌহিদুর রহমান, মালেক ঢালী, এমদাদুল হক মুকুল, মঞ্জুর রহমান, রিনা জাহান মিতু, ইশরাত জাহান মিম ও জিনিয়া আক্তার প্রমুখ। 
আইইবি : ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন খুলনা কেন্দ্রের উদ্যোগে বাংলা বর্ষবরণ উদ্যাপিত হয়েছে। খুুলনা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোঃ শফিক উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা করেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এম ডি কামাল উদ্দিন আহমেদ, প্রকৌশলী দিলু আরা, সম্পাদক প্রফেসর প্রকৌশলী সোবহান মিয়া। সংগঠনের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নেতৃবৃন্দ। 
পোয়েট্স ক্লাব : সংগঠনের উদ্যোগে বিকেল সাড়ে ৫টায় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উদ্যাপন করা হয়েছে। কবি এম হেফজুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন কবি অরুণ কুমার দত্ত। কবি জেমস রথিন মুন্সির পরিচালনায় কবিতা পাঠ করেন শংকর চন্দ্র শীল, চৌধুরী ফরিদ আহমেদ, হাওলাদার মোঃ হারুন অর রশিদ, সৈয়দ জীব, জাহিদুল ইসলাম, এ কে মিজান মাহফুজা আক্তার মিলি, পপসি মুন্সি, রীনা জাহান মিত ও সৈয়দ জাবের প্রমুখ। 
ধুমকেতু একাডেমী খুলনা : বৈশাখ উদ্যাপন উপলক্ষে নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে বর্ষবরণ উসব অনুষ্ঠিত হয়। আরএফএল প্লাস্টিক-এর সৌজন্যে এ অনুষ্ঠানের আযোজন। কাউন্সিলর সামছুজ্জামান স্বপনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কেসিসি’র মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক ও বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র ও বিসিবি’র পরিচালক শেখ সোহেল। আরও উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, একাডেমীর উপদেষ্টা শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ। 
সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি : বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনে গত শনিবার সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার ১৪নং রোডে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এস এম শামীমুজ্জামান শামীম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বার বাদল, সহ-সভাপতি নূরুল আমীন, অধ্যাপক নবগোপাল দাস, আব্দুল হালিম মোড়ল, এড. এস এম নজরুল ইসলাম, আহমেদ লিয়াকত আলী সরদার, মেজর (অবঃ) সৈয়দ আবু বকর, মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ কামাল হোসেন গাজী, শেখ মোঃ শহীদুল্লাহ, ডাঃ মোঃ তৌহিদুজ্জামান, সরদার ওসমান আলী, সৈয়দ আহম্মদ আলী, মোঃ আছাদ, মোঃ বজলুর রহমান, এফ এম মহিউদ্দিন মিল্টন, এ এম মুত্তাদিুর রহমান রিপন, শেখ মোঃ শাহজান হোসেন তপন, মোঃ মোতাহার হোসেন, মোঃ ইসহাক আলী, মুরাদ খান, তরুণ প্রমুখ। 
খুলনা কালচারাল সেন্টার : সাহিত্য সাময়িকি নীলকণ্ঠ’র ৩য় সংখ্যা প্রকাশনা ও বর্ষবরণ উৎসব গত শনিবার বিকেল ৫টায় পূর্বাঞ্চল ডায়ালগ সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি ইমরুল কায়েসের সভাপতিত্বে মনিরুজ্জামান লাভলু ও আয়শা আক্তার কেয়া‘র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন এড. মোঃ জিনারুল ইসলাম, সাময়িকির মোড়ক উন্মোচন করেন এড. সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর আব্দুল মান্নান, ডাঃ সন্দিপক মল্লিক, মোঃ আব্দুস সালাম সিকদার, অধ্যক্ষ আবু দারদা মোঃ আরিফ বিল্লাহ, শেখ সালাম প্রমুখ।  
প্রভাতী শরীর চর্চা কেন্দ্র : নববর্ষ উপলক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে শনিবার সকালে খালিশপুর হাউজিং-এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কেসিসির   মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক সংগঠনের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় এড.  মোঃ সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ অদুদ হোসেন, সেক্রেটারী মোঃ তাহিদুল ইসলাম ঝন্টুসহ এম এ খালেক, গাউস-অল হক, এম এ মান্নান, আসাদুজ্জামান খান, আমজাদ হোসেন, মোঃ নুরুল ইসলাম বক্তৃতা করেন। এরপর পান্তা ইলিশ ও বিভিন্ন ফল পরিবেশন করা হয়। রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী রেহানা পারভীন (শোভা) ও স্নিগ্ধা বৈশাখী গানে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে।
 


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।