খুলনা | মঙ্গলবার | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ |

Shomoyer Khobor

প্রথমদিনে কাউন্সিলরে ১৫ জনের প্রার্থীতা বাতিল, স্থগিত ৩ : বাতিল হওয়া প্রার্থীদের তিন দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ

মেয়র পদে ৫ প্রার্থীই বৈধ 

নিজস্ব প্রতিবেদক  | প্রকাশিত ১৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০১:৩৬:০০

খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে ১৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জন সাধারণ এবং ৯ জন সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ৩ প্রার্থীর মননোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। এর আগে কাগজপত্র সঠিক থাকায় ৫ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এদিকে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা তিন দিনের মধ্যে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল করার সুযোগ পাবেন।  
গতকাল রবিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষে রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ইউনুচ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মেয়র পদে বৈধ প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী দলের নগর শাখার সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের নগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জাতীয় পার্টি মনোনীত এস এম শফিকুর রহমান মুশফিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী দলের নগর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক এবং কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত প্রার্থী দলের মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু।   
মনোনয়ন বাতিল হওয়া কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন সাধারণ ১নং ওয়ার্ডের প্রার্থী শাহজাহান সিরাজ (আয়কর) ও আবুল কালাম (ঋণ খেলাপী), ২নং ওয়ার্ডের প্রার্থী রাজা খান (অসম্পূর্ণ তথ্য), ৪নং ওয়ার্ডের প্রার্থী আবু আসালাত মোড়ল (হলফনামায় প্রার্থীর স্বাক্ষর নেই), ৫নং ওয়ার্ডের প্রার্থী মুকুল শেখ (‘ঘ’ ফরম জমা দেননি) ও বর্তমান কাউন্সিলর এস এম হুমায়ুন কবির (ঋণ খেলাপী), সংরক্ষিত ৬নং ওয়ার্ডের প্রার্থী শামীম আরা পারভীন ইয়াসমিন (‘ঘ’ ফরম জমা দেননি), সংরক্ষিত ৭নং ওয়ার্ডের প্রার্থী মনোয়ারা সুলতানা কাকলী (আয়কর), সংরক্ষিত ৮নং ওয়ার্ডের প্রার্থী রুমা রাণী চক্রবর্তী (প্রস্তাবকারী এলাকার ভোটার না) ও ইসমাত আরা বেগম (আয়কর), সংরক্ষিত ৯নং ওয়ার্ডের প্রার্থী রিনা রহমান (‘ঘ’ ফরম জমা দেননি), লিভানা পারভীন (হলফনামায় স্বাক্ষর নেই) ও শাহানুর বেগম (আয়কর), সংরক্ষিত ১০নং ওয়ার্ডের প্রার্থী হোসেনে আরা (আয়কর) ও বিলকিস আরা বুলি (আয়কর)। এছাড়া ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। তারা হলেন কাউন্সিলর পদে সাধারণ ১নং ওয়ার্ডের শেখ আব্দুর রাজ্জাক, (ডিলারশীপ সংক্রান্ত সমস্যা) ও ১০নং ওয়ার্ডে (শিক্ষাগতযোগ্যতা সনদ) এবং সংরক্ষিত ১০নং ওয়ার্ডে রোকেয়া ফারুক (শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ ও ঋণ খেলাপী)। 
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ইউনুচ আলী জানান, এ নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কাগজপত্র সঠিক থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া কাউন্সিলর পদে সংরক্ষিত ৪৮ জন ও সাধারণ ওয়ার্ডে ১৮৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে গতকাল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথমদিন ঋণ খেলাপী হওয়া, আয়কর সনদ না দেওয়াসহ নানাকারণে ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ৩ জনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার এ বিষয়ে শুনানী হবে। 
তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা তিন দিনের মধ্যে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপীল করতে পারবেন। আজ সোমবার সাধারণ ওয়ার্ড ৯নং, ১১নং থেকে ৩১নং ওয়ার্ডের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। 
আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল প্রথমদিন গতকাল সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৫ জন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শুরু হয়। এরপর বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সংরক্ষিত ১নং থেকে ৫নং ওয়ার্ডের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংরক্ষিত ৫নং থেকে ১০নং ওয়ার্ডের প্রার্থীদের  মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। দুপুরে বিরতির পর শুরু হয় সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ১, ২ ও ৩নং সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীদের, বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীদের ও বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ৭, ৮ ও ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।    
 


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন




আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ